
হাজীগঞ্জ পৌর শ্মশানে রাধা কৃষ্ণ দাসের নামে এক ব্যক্তির সৎকার সম্পন্ন হলো। সরজমিনে পরিদর্শন করতে গেলে দেখা গেলো হাজীগঞ্জ পৌর মহা শ্মশানে সেন্দ্রা গ্রামের রাধাকৃষ্ণ নামে এক করোনা উপসর্গ রোগী সৎকার কাজ সম্পন্ন হয়।
উপস্থিত হাজীগঞ্জ পৌর মহাশ্মশানের সভাপতি অপন সাহা বলেন ভোর ৫ ঘটিকার সময় হাজীগঞ্জ বাজারের স্বর্ণকার ব্যবসায়ী শিবু রায়ের প্রয়াত বড় ভাই রনজিৎ রায়ের সৎকারের ব্যাপারে আমাকে অবগত করেন। আমি তৎক্ষনাত তাদেরকে দাহের ব্যাপারে সর্বত্মক সহযোগিতা ও সহর্মিতা জানাই সৎকার বিষয়ে হাজীগঞ্জ পৌর শ্মশানের সৎকারে নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্যদের মৃত দেহের ব্যাপারে অবহিত করি। এর কিছু সময়ের পর আমি জানতে পারি তাহারা কাউকে কিছু না বলে মৃত দেহ নিয়ে শ্মশান থেকে সৎকার না করে চলে যায়। আমি সঙ্গে সঙ্গে হাজীগঞ্জ পৌর মহাশ্মশানের সবাইকে ডেকে তার থেকে মৃতদেহ নিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে জানতে চাই।
এমতাবস্থায় একটি কুচকরী মহল শ্মশানের বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ ও পরিচালনা দক্ষতা দেখে এই ধরনের একটি বানোয়াট ও বিভ্রান্তিমূলক সংবাদ প্রকাশ করায় আমি সভাপতি, আমার পরিচালনা পর্ষদের সকল সদস্যবৃন্দ ও সৎকারে নিয়োজিত সকল সদস্য মর্মাহত। করোনা উপসর্গধারী ও যে কোন ধরনের মৃতদেহ শ্মশানে আশামাত্রই পূর্বের মত সৎকার চলমান থাকবে।
উপস্থিত সাধারণ সম্পাদক স্বপন সাহা বলেন আমাদের সৎকারে নিয়োজিত সদস্যরা করোনা উপসর্গধারী রোগীদের সৎকারের ব্যাপারে অভিজ্ঞতা না থাকায় তারা এবং তাদের পরিবার বিভিন্ন সময় দ্বিধাদ্বন্ধে পড়েন। তথাপিও শ্মশান পরিচালনা কমিটি তাদেরকে অনুরোধ করে দাহ কার্য চলমান রাখনে। বাবু রনজিত রায় সৎকারের ব্যাপারে আমি তাদেরকে বলেছিলাম সরকারি স্বাস্থ্যবিধি মোতাবেক একটি মৃতদেহ ৩/৪ ঘন্টা পর্যন্ত জীবানু বহন করে। ৩/৪ ঘন্টার মধ্যেই আমরা মৃত দেহটি সৎকারের ব্যবস্থা নিব। কোন কিছু বুঝে উঠার আগেই তারা কারো প্ররোচনায় হয়তো আজকের এই জগন্য কাজটি পরিচালনা করে হাজীগঞ্জ পৌর মহাশ্মশানের দীর্ঘ দিনের ঐতিহ্য ও সু-মান নষ্ট করেন। যার সম্প্রদায়ের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করে।
আজ,
শনিবার , ২ মে, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ১৯ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দবিকাল ৪:৩৮
নোটিশ বোর্ড
সর্বশেষ
প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
