বাংলাদেশের অর্থনীতির সবচেয়ে বড় চালিকাশক্তি হল প্রবাসীদের ফরেন রেমিটেন্স। এই রেমিটেন্সের পরিমান উত্তোরাত্তর বাড়তে থাকলে ও দিন দিন প্রায় সকল দেশের জনশক্তি রপ্তানি কমতে কমতে এখন প্রায় বন্ধের পথে।
২০০৯ সালের পর থেকে সৌদি আরব, কুয়েতে ভিসা বন্ধ এবং এরপর বন্ধ হয়ে যায় ডুবাই আবুদাবির ভিসা। গ্রামের উঠতি তরুনেরা এসব দেশে গিয়ে নিজেদের পরিবারের স্বচ্ছলতার পাশাপাশি গ্রামীন অর্থনীতিকে চাঙ্গা রাখে। কিন্তু মধ্যপ্রাচ্যে ঢুকতে না পারা আধা দক্ষ এই যুবকদের অর্ধবেকার থেকে কর্মঘন্টা নষ্ট করতে হচ্ছে। ফলে ২০২১ সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশে রূপান্তরিত হয়ে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকার কাংিখত মাত্রা থেকে পিছিয়ে যাচ্ছে।
এখনই সরকারের উচিত কুটনৈতিক প্রচেষ্টা অব্যহত রেখে মধ্যপ্রাচ্যের শ্রমবাজারকে দ্রুত উন্মক্ত করা। ইদানিং কালে বাহারাইন, কাতার ওমানে কিছুসংখ্যক শ্রমিক রপ্তানি হলেও ঐসব দেশে তাদের বেতন এত কম পরিমানে নির্ধারণ করা হয় যে ঐখানে তাদের থাকা খাওয়ার পর পরিবারের জন্য টাকা পাঠানো খুবই কষ্টকর হয়ে পড়ে। এজন্য গিয়েই কিছুদিনের মধ্যে অনেকে ফেরত চলে আসে। তারপর আবার ট্রাভেল এসেন্সিসহ ভিসা প্রসেসিংকারীদের দৌরাতœতো আছেই। তাই আমাদের দাবী এইসকল রাষ্টের উ”্চ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে তাদের বেতনভাতার বৈষম্যটি আলোচনা করে যৌক্তিক পর্যায়ে নির্ধারণ করা।
আমাদের অনুসন্ধানে জানা যায় সৌদি কুয়েতসহ মধ্যপ্রাচ্যের সকলদেশেই জনবল সংকট। কিন্তু তারপরে ও কেন আমাদের শ্রমবাজার বন্ধ তা আমাদের বোধগম্য নয়।
আমাদের জোর দাবি হল সরকার ঐসব দেশের সাথে বানিজ্য বৃদ্ধি করে গিভ এন্ড টেক পলিসির মাধ্যমে সুসম্পর্ক সৃষ্টি করে শ্রমবাজারকে উন্মক্ত করুক। তাহলে দেশের অর্থনীতির চাকা সচল থাকবে আমরা এগিয়ে যেতে থাকব।
