জামায়াতের ২০ মিনিট পূর্বে মসজিদের ভেতর, দ্বিতীয় তলা মুসল্লিরা কানায় কানায় পরিপূর্ণ হয়ে যায়। প্রথম জামায়াতের ইমামতি করেন হাফেজ মহিউদ্দিন আল মামুন।
দ্বিতীয় জামায়াত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ৮টায়। এ জামায়াতে ইমামতি করেন মসজিদের পেশ ইমাম ও খতিব মুফতি আবদুর রউফ।
তৃতীয় জামায়াত অনুষ্ঠিত হয় সকাল ১০টায়। জামায়াতে ইমামতি করে মুফতি আবু ছাঈদ।
প্রত্যেক জামায়াত শেষে দেশ ও জাতির কল্যাণ কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
ঈদুল ফিতরের জামায়াতকে ঘিরে হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে পুলিশের পাশা-পাশি র্যাবের উপস্থিতিও ছিল চোখে পড়ার মতো।
সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে বাহির থেকে মুসল্লিদের বারে বারে মাইকিং করে নির্দেশ প্রদান করা হয়। আহমাদ আলী পাটওয়ারী ওয়াকফ এস্টেটের পক্ষ থেকে মুসল্লিদের হাতে জীবানুনাশক পানি স্প্রে করে মসজিদে প্রবেশ করানা হয়েছে।
আহমাদ আলী পাটওয়ারী ওয়াকফ এস্টেটের মোতাওয়াল্লি (ভারপ্রাপ্ত) প্রিন্স শাকিল আহমেদ সাংবাদিকদের জানান, ধর্মমন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা মেনে আমাদের মসজিদে ঈদুল ফিতরের ৩টি জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ্যাস্টেটের পক্ষ থেকে মসজিদে আগত মুসল্লিদের জন্য অজু খানায় সাবান ও মসজিদে ডুকার পূর্বে জীবানুনাশক স্প্রে করা হয়েছে। ফজর নামাজের পর পর স্যাভলন মিশ্রিত পানি দিয়ে মসজিদ পরিস্কার করা হয়েছে।
প্রত্যেক জামায়াত শেষে মসজিদে জীবানু নাশক পানি স্প্রে করা হয়েছে।
তিনি সুন্দর ও শুশৃঙ্খলভাবে হাজীগঞ্জ ঐতিহাসিক বড় মসজিদে ঈদুল ফিতরের ৩টি জামায়াত সমাপ্ত হওয়া প্রশাসন ও এলাকাবাসির কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আজ,
শুক্রবার , ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ , ১৬ ফাল্গুন, ১৪৩১ বঙ্গাব্দসকাল ৭:২২
নোটিশ বোর্ড
সর্বশেষ
প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।