জনপ্রশাসন মন্ত্রনালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাজমুল আহসান মজুমদারের মহতী উদ্যোগ
আমার কণ্ঠ রিপোর্ট
প্রামাঞ্চলের নারী শিার বিস্তার ও প্রসারে এক ব্যতিক্রমি নজির সৃষ্টি করেছে হাজীগঞ্জ উপজেলাধীন গর্ন্ধব্যপুর দণি ইউনিয়নের পাঁচৈ একুশে গালর্স স্কুল। শনিবার দুপুরে এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে ২০১৮ সালে এসএসসি পরীায় অংশগ্রহনকারী পরীার্থীদের ফরম পূরনের সম্পূর্ন টাকা ফেরৎ দিল ওই শিা প্রতিষ্ঠান।
বিদ্যালয়ের হলরুমে আয়োজিত শিার গুনগত মানোন্নয়নে মতবিনিময় ও অভিভাবক সমাবেশে বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নাজমুল আহসান মজুমদারের সভাপ্রধানে এসইএল (দি স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড) চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে ৩০ জন পরীার্থীর মাঝে প্রায় লাধীক টাকা ফেরৎ দেওয়া হয়।
সভাপতির বক্তব্যে নাজমুল আহসান মজুমদার বলেন, গ্রামাঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মেয়েদের মেধা বিকাশ ও পরিচর্যা করা এবং তাদের সু-শিা শিতি করার উদ্দেশ্যে একুশে গালর্স স্কুল প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। এখানে বিনা বেতনে পড়ালেখা করানো হয়। এছাড়াও প্রতিদিনের টিপিন খরছ, স্কুল ড্রেস, বিনামূলে বই বিতরণসহ মেয়েদের পড়ালেখার েেত্র সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা ব্যবস্থা করেছি।
তিনি আরো বলেন, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিায় আশানুরুপ অগগ্রতি হয়েছে। উচ্চ শিায় পুরুষের তুলনায় নারীরা পিছিয়ে আছে। সেজন্য দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে পুরুষের তুলনায় নারীদের অবদান কম। দেশকে একটি নির্দিষ্ট সময়-সীমার মধ্যে উন্নত রাষ্ট্রের তালিকায় শামিল করতে হলে দেশের অর্থনৈতিক কর্মকান্ডে নারীদের অংশগ্রহণ এবং তাদের শিার হার বৃদ্ধি করতে হবে। নারীদের উচ্চ শিার প্রসারে, সামাজিক মন- মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে হবে। বাল্যবিবাহ থেকে বিরত থাকতে হবে। তাদের স্বাবলম্বী করার প্রেরনা সৃষ্টি করতে হবে।
একুশে গালর্স স্কুলের ভবিষ্যৎ প্রসঙ্গে নাজমুল আহসান মজুমদার বলেন, মেয়েদের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তর হতে উচ্চ শিা গ্রহনের ভারবহনের উপযুক্ততার সৃষ্টির ল্েয এই স্কুলের প্রাথমিক শাখা খোলা হবে এবং স্কুলকে কলেজে উন্নীত করা হবে। এ জন্য তিনি এলাকার সর্বস্তরের পেশাজীবিসহ সকলের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।
বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য মাহমুদ হোসাইন তালুকদারের সঞ্চালনায় অভিভাবক সমাবেশে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিা বোর্ডের সহকারি কন্ট্রোলার মো. জসিম উদ্দিন, এসইএল চ্যারিটেবল ফাউন্ডেশনের কো-অর্ডিনেটর ইবনুল সাইদ রানা, এসইএল এর একাউন্টস্ এক্সিকিউটিভ কাজী মোহাম্মদ আলী। বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা সদস্য শাখাওয়াত হোসেন বাবুল।
এ সময় আরো বক্তব্য রাখেন বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক মাহমুদা আক্তার। শিকদের পে সিনিয়র সহকারি শিক বদিউজ্জামান, অভিভাবকদের পে আনোয়ার হোসেন মিজি, শিার্থীদের পে তাজাল্লিল আক্তার, শান্তা আক্তার ও তানিয়া আক্তার।
সমাবেশে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সংরতি সদস্য জান্নাতুল ফেরদাউসসহ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক তানিয়া আক্তার, লিখা আক্তার, আফসানা আক্তার ও অন্যান্য শিক, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, অভিভাবক, শিার্থী ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।