শাহরাস্তি উপজেলার রায়শ্রী দক্ষিণ ইউনিয়নের গ্রাম খিলা ও বেরকী গ্রামবাসীর মধ্য তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে সংঘর্ষে কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহতরা শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন। এ বিষয়ে শাহরাস্তি মডেল থানায় একটি মামলা হয়েছে। থানায় অভিযোগ ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা জানায়, গত ১২ জানুয়ারী বেরকী গ্রামে একটি মাইক্রোবাস দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে বিরোধ সৃষ্টি হয়। এ ঘটনায় ওই দিন দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি সহ সামান্য হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরবর্তীতে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি বর্গের সহযোগিতায় উভয় গ্রামের দু’পক্ষের সৃষ্ট সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে বৈঠকের সিদ্ধাস্ত হয়।
এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত ১৪ জানুয়ারী বিকেল ৫ টায় গ্রাম খিলা গ্রামের রফিকুল ইসলামের পুত্র সোহেল (২৭), আবদুল খালেকের পুত্র মুন্না (২০), হাবিবুল্লার পুত্র আমির হোসেন (২৪), আব্দুল গফুরের পুত্র শাখাওয়াত (২১), বিল্লাল হোসেন (২৮), আমির হোসেনের পুত্র সাহাব উদ্দিন (২০), সাগর (২৫), সুজ্জত আলীর পুত্র জাকির হোসেন (২২), কোরবান আলীর পুত্র মিজান (৩০) সহ অজ্ঞাত ১৫-২০ জন লাঠিসোটা নিয়ে বেরকী গ্রামবাসীর উপর অতর্কিতভাবে হামলা করলে, মফিজুল ইসলামের পুত্র ইমাম হোসেন (২৫), জাহাঙ্গীর আলমের পুত্র ইয়াছিন (২১), ইদ্রিছ মিয়ার পুত্র তাজুল ইসলাম (৩৫), আলী হোসেনের পুত্র হেদায়েত উল্লাহ (৫০), জাহাঙ্গীর আলম (৪৮), হেদায়েত উল্লাহর পুত্র রিপন (২২), আবুল বাসারের পুত্র আক্তার (২৪), আবুল কালামের পুত্র শরীফ (২২), মোঃ শহীদুলের পুত্র সোহেল (২২), তাজুল ইসলামের পুত্র স্বপন (২৩) ও মোঃ হোসেনের (২০) আহত হয়। হামলার পূর্বে বেরকী গ্রামের আহত যুবকরা বেরকী কৃষি মাঠে মাটি কাটার কাজ করছিল। অতঃপর স্থানীয় এলাকাবাসীর সহযোগিতায় পরিস্থিতি শান্ত হয়। রাতে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আহতদের উদ্ধার করে শাহরাস্তি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত মফিজুল ইসলামের পুত্র ইমাম হোসেনকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থার অবনতি দেখে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করে। এ বিষয়ে বেরকী গ্রামের জাহাঙ্গীর আলমের পুত্র ইয়াছিন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখ সহ অজ্ঞাত নামা আরও ১০/১৫ জনের বিরুদ্ধে শাহরাস্তি মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করে।
