চাঁদপুর-৫ হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তি
ভোটারদের সমীকরণে ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক সবার চেয়ে এগিয়ে
মোহাম্মদ কামাল হোসেন
জেলার হাজীগঞ্জ ও শাহরাস্তি দুটি উপজেলা নিয়ে গঠিত চাঁদপুর-৫ সংসদীয় আসন। এ আসনে বিএনপি’র মনোনয়ন পেলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র নির্বাহী কমিটির সদস্য ও চাঁদপুর জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক। এর আগেও তিনি ২০০৮ সাল ও ২০১৮ সাল অনুষ্ঠিত নির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন পেয়ে নির্বাচনের অংশগ্রহণ করেছিলেন। ২০০৮ ও ২০১৮ সালের নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হেভিওয়েট প্রার্থী মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তমের কাছে পরাজিত হন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামীলীগের রাজনীতিক দল নিষিদ্ধ থাকায় আওয়ামলীগের কোন প্রার্থী নির্বাচনে অংশ গ্রহণ না করায় এবার মমিনুল হক বিজয়ী হওয়া এবং নতুন ইতিহাস গড়ার সময় এসেছে। বিশেষ করে নদীর দক্ষিন অঞ্চলের মানুষের জন্য সুভাগ্য। ইতিহাসের প্রথম এমপি পেতে যাচ্ছেন। এজন্য নদীর দক্ষিন অঞ্চলের ভোটাররা দলের উর্ধে ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হককে ভোট দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির থেকে ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক কে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়। এতে দলীয় নেতাকর্মীরা খুবেই আনন্দিত। তৃনমুল থেকে উপজেলা পর্যন্ত সবাই দলের হয়ে দলীয় প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য ঐক্যবদ্ব।
নেতাকর্মীরা তাকে তুলনা করেন “গাছের ডালের মতো আশ্রয়” কিংবা “শীত-গরমে গাঁয়ের চাদরের মতো ছায়া” হিসেবে। একজন প্রকৃত অভিভাবকের মতো তিনি তৃণমূলের সুখ-দুঃখে পাশে দাঁড়িয়েছেন। এ কারণেই সাধারণ মানুষ ও কর্মীরা তাকে জনবান্ধব নেতৃত্বের প্রতীক হিসেবে দেখেন। উপজেলা বিএনপির সমর্থিত নেতাকর্মীরা জানান,ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক শুধু একজন রাজনীতিবিদ নন, তিনি কর্মীবান্ধব, সৎ ও ত্যাগী নেতা হিসেবে হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তির মানুষের কাছে এক নির্ভরতার প্রতীক। ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক আজ এলাকার রাজনীতিতে একটি আলাদা অবস্থান গড়ে তুলেছেন। স্থানীয় নেতাকর্মীদের ভাষায়, তিনি কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নন-ববরং দায়িত্ববান একজন অভিভাবক, যিনি প্রতিনিয়ত দলের কর্মীদের পাশে থেকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
পাতানিশের মানুদ খান বলেন, স্বৈরাচারী শাসনের কঠিন সময়ে গত ১৭ বছর ধরে ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের ছায়া হয়ে পাশে ছিলেন। কেউ নিপীড়নের শিকার হলে তিনি যেমন আইনি সহায়তা দিয়েছেন, তেমনি আর্থিক সহায়তা ও মানসিক সাহস যুগিয়েছেন। অনেকের মতে, তিনি এমন এক নেতা যিনি পিতা-মাতার পরই কর্মীদের কাছে আস্থার প্রতীক ও ভাগ্যনির্মাতা হিসেবে বিবেচিত। এমপি পদপ্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক ছাত্রজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত। দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে তিনি মাঠের নেতাকর্মীদের সঙ্গে ছিলেন নিবিড়ভাবে যুক্ত। রাজনীতির শ্রম, ঘাম ও ত্যাগের বিনিময়ে গড়ে তুলেছেন কর্মীবান্ধব ও সৎ নেতৃত্বের দৃঢ় অবস্থান।
স্বৈরাচার সরকারের সময় থেকে শুরু করে বর্তমান আওয়ামী লীগ শাসনামল— প্রতিটি আন্দোলন-সংগ্রামে মমিনুল হক ছিলেন দলের কর্মীদের পাশে। মামলা-হামলার শিকার হয়েছেন বহুবার; আদালতের বারান্দায় হাজিরা দিতেও হয়েছে তাকে। তবুও তিনি কখনোই বিজয়ের পথ থেকে সরে যাননি।
আমার কণ্ঠ পত্রিকার পক্ষ থেকে গত দশ দিন হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তির বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষের ভোটারদের সাথে ভোট নিয়ে মতামত বা অভিব্যাক্ত নিয়েছেন। এর মধ্যে শিক্ষক,রাজনৈতিক ব্যক্তি, সাংবাদকি,দিনমজুর,ব্যবসায়িসহ বিভিন্ন ধরনে মানুষের।
শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সভাপতি সাংবাদিক মঈনুল ইসলাম কাজল বলেন, ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক দীর্ঘ বছর বিএনপির রাজনীতির সাথে জড়িত। তিনি তৃনমুলের দলীয় নেতাকর্মী ছাড়াও অন্যদল বা সকল শ্রেনীর মানুষের সাথে ব্যবসায়ি হিসেবে জড়িত। তাই আগামী নির্বাচনের তিনি ইতিহাসের সব চেয়ে বেশি ভোটে জয়ী হবেন।
শাহরাস্তি প্রেসক্লাবের সহ-সভাপতি ও প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি: শাহরাস্তি অপরূপা নাট্যগোষ্ঠী সাংবাদিক জাহাঙ্গীর আলম হৃদয় বলেন,দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে, ৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ দেশের স্বাধীনতা ও ২৪ জুলাই চেতনাকে সামনে রেখে দেশের সাধারণ মানুষের কথা যারা ভাববে তাদের পক্ষে ভোট দেওয়া উচিত সাধারণ মানুষের।
বিশেষ করে স্বচ্ছতা, সততা, আন্তরিকতা ,জবাবদিহিতা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজ, মাদক, বাল্যবিবাহ ,যৌতুক প্রথা বন্ধ করা, যুব শ্রেণীকে বিপদগামী থেকে শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনতে ইসলামী মূল্যবোধের মাধ্যমে যারা কাজ করবে সেইসব ব্যক্তিদের সাধারণ ভোটাররা বেছে নেওয়া উচিত। কৃষক থেকে শুরু করে সাধারণ খেটে খাওয়া মানুষের কল্যাণে কাজ করবে যারা তাদের নির্বাচিত করা উচিত।
মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে নিম্নবিত্ত মানুষের কথা ভাবতে হবে, রাস্তাঘাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ, মাদ্রাসা, গির্জা, মন্দির এর উন্নয়ন ক্ষেত্রে দুর্নীতি মুক্ত পরিবেশ গড়ে তুলতে হবে , সরকারের দেওয়া যে বাজেট করা হয় সে অর্থ সঠিকভাবে কাজে লাগাতে হবে।
২০২৪ জুলাই যে আন্দোলন হয়েছিল মেধা না কোটা , বৈষম্যমুক্ত বাংলাদেশতা শতভাগ বাস্তবায়ন করতে হবে। দেশে শিক্ষিত বেকার যেন সমাজের বোঝা হয়ে না থাকে, তাদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
প্রবাসী রেমিটেন্স যোদ্ধা পরিবার যারা দেশে থাকে যে এলাকায় থাকে তাদের আইনি নিরাপত্তা, সন্তানদের শিক্ষার পরিবেশ সহ যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদান করতে হবে। প্রবাসীদের সম্পদ যাতে করে নিজের পরিবার বা সমাজের কেউ নিয়ে যেতে না পারে ,দখল করতে না পারে, সে বিষয়ে আইনি সহায়তা সহ নিরাপত্তা প্রদান করার দায়িত্ব নিতে হবে স্থানীয় সংসদ সদস্য সহ প্রশাসনের ।
নির্বাচন এলেই সকল দলকেই সুন্দর সুন্দর কথা বলতে দেখা যায় কিন্তু নির্বাচিত হওয়ার পরে সেই ব্যক্তির কাছে সাধারণ মানুষ পৌঁছাতে পারেনা। তাদের মনের কথা বলতে পারেনা।
যার পরিপ্রেক্ষিতে নির্বাচিত সংসদ সদস্যের সঙ্গে মানুষের দূরত্ব বেড়ে যায়।
নির্বাচিত কিছু ব্যক্তি থাকেন তাদের কাছে সাধারণ মানুষ তাদের মনের ভাষা, স্বপ্ন, প্রত্যাশা সেগুলো লিখিত আকারে দিয়ে আসেন সেখানেও সঠিকভাবে মূল্যায়ন করে নির্বাচিত সংসদ সদস্য পর্যন্ত পৌঁছানো হয় না।
আত্মীয়করণ ,স্বজনপ্রীতি, দুর্নীতি সেগুলো থেকে বেরিয়ে আসতে না পারলে সাধারণ মানুষ সারা জীবন তাদের যে স্বপ্ন, সে স্বপ্ন বাস্তবায়ন হবে না। যদি তাদের কথাগুলো নির্বাচিত সংসদ সদস্য পর্যন্ত না পৌঁছায়।
নির্বাচিত সংসদ সদস্য যে ব্যক্তিকে দায়িত্ব দিবেন তিনি কতটা স্বচ্ছ, সৎ এবং আন্তরিক সেই বিষয়টি আগে দেখা উচিত।
জীবনে প্রতিটি দলের পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ সহ দৈনন্দিন যে কার্যক্রম আছে সেটি বাস্তবায়ন করার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে হবে। ভালো কাজের মাধ্যমে মানুষের মাঝে ক্ষণিকের দুনিয়ায় বেঁচে থাকা যায় সারা জীবন।
রাজনৈতিক মাঠে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে এসে
একে অপরের সমালোচনা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সম্প্রীতিময় রাজনীতির পরিবেশ তৈরি করার ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের ভূমিকা রাখতে হবে, যাতে করে তাদের আচরণের মধ্য দিয়ে রাজনৈতিক নেতাকর্মীরা শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে।
নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা মূলক আচরণ থাকবে, প্রতিহিংসা থেকে দূরে থাকতে হবে। গণতান্ত্রিক দেশে সকলের নির্বাচন করার অধিকার রয়েছে, সেই পরিবেশ রক্ষার্থে প্রশাসন থেকে শুরু করে সবাইকে কাজ করা উচিত।
বর্তমানে চাঁদপুরে পাঁচটি আসনে যে যেই দলের প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করছেন কিংবা স্বতন্ত্র প্রার্থীরা নির্বাচন করছে তাদের সকলের উচিত সুন্দর সুশৃঙ্খ পরিবেশের মধ্য দিয়ে নির্বাচন প্রচারণায় নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দেয়া ,
যাতে করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি না হয়।
এদেশ আমার, আপনার, সকলের।রাজনৈতিক ব্যক্তিদের দেশের স্বার্থে, মানুষের স্বার্থে কাজ করা উচিত। দেশের অর্থ সম্পদ বিদেশে পাচার করা থেকে দূরে থাকতে হবে। যারা দুর্নীতি এবং অপরাধের সাথে জড়িত তাদের থেকে সাধারণ মানুষ দূরে থাকা । প্রতিটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকে ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবেলা করতে হবে।
দেশের স্বার্থে, ব্যক্তি স্বার্থকে জলাঞ্জলি দিতে পারবে যারা, দেশের উন্নয়নে কাজ করবে যারা নিজে সৎ, আদর্শবান, দুর্নীতিমুক্ত , মুখেই নীতি কথা বলে না, কাজের মাধ্যমে তা বাস্তবায়ন করে সে সব ব্যক্তিকেই নির্বাচিত করা উচিত বলে মনে করছি একজন গণমাধ্যম ও সংস্কৃতি কর্মী হিসাবে।
শাহরাস্তির বিজয়পুর গ্রামের একজন শিক্ষক মনিরুজ্জামন বলেন নির্বাচনে সকল দল অংশগ্রহন করলে নির্বাচন যেমন জমজমাট হতো কিন্তু এখানতো তা হচ্ছে না। কিন্তু হাজীগঞ্জ শাহরাস্তিতে বর্তমানে বিএনপির ভোট সব চেয়ে বেশি। তাই মমিনুল হক সাহেব বেশি ভোটে জয়লাভ করবে।
ঠাকুর বাজারের ব্যবসায়ি জয়নাল বলেন আমরা ব্যবসায়ি হিসেবে অনেক ক্ষতিগ্রস্ত। রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় না থাকলে দেশ শেষ হয়ে যায়। তাই শান্তিপূর্ণ ভাবে নির্বাচন শেষ হয়ে রাজনৈতিক দল ক্ষমতায় আসলে দেশ ভালো চলবে। আমাদের হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তিতে বিএনপির যে প্রার্থী হয়েছে তিনি রাজনৈতিক নেতা এবং ব্যবসায়িক হিসাবে ভালো। তাই তিনিই এমপি হবেন। এমপি হয়ে এম এ মতিন সাহেবের মতো যদি শান্তি শৃঙ্খলা ভাবে সব কিছু করেন তাহলে তিনি বার বার নির্বাচিত হবে। বিশেষ করে কোন চাঁদাবাজ বা কোন সন্ত্রাসীকে লালন পালন করতে পারবেন না। শান্তির হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তিকে শান্তিতে রাখতে হবে।
ওয়ারুক বাজারের ফার্নিচার ব্যবসায়ি রবিউল বলেন আমদের ওয়ারুক এলাকায় বিএনপির ভোট অন্য জায়গার তুলনায় কম। তার পরেও এলাকার মানুষ ধানের শীষকে ভোট দিবেন। আমরা চাই ওয়ারুক থেকে যেনো বেশি ভোট মমিন ভাই পেয়ে এমপি নির্বাচিত হউক।
দিনমজুর রফিক বলেন ১৫ বছর ভোট দিতে পারিনেই। এবার ধানের শীষে ভোট দিবো সকালেই গিয়ে। আমার মনে হয় ধানের শীষ পাস করবে।
হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি খালেকুজ্জামান শামীম বলেন, আমাদের আসনে দীর্ঘ দিনে পরিক্ষিত ও দলের কর্মী বান্ধব ব্যক্তি হিসাবে ধানের শীষের প্রার্থীর গ্রহণ যোগ্যতা বেশি। তিনি আগেও নির্বাচনে গিয়েছেন সে ক্ষেত্রে তাঁর পূর্ণ অভিজ্ঞতা বিজয় তার পক্ষেই আশার সম্ভাবনা বেশি।
হাজীগঞ্জের একটি কলেজের শিক্ষক কামরুল ইসলাম বলেন, যেহেতু এবারের নির্বাচনে হাজীগঞ্জ শাহরাস্তিতে শক্ত প্রার্থী নেই যেহেতু বিএনপির প্রার্থী ইঞ্চিনিয়ার মমিনুল হকই এমপি হবেন। আর আমরা অনেকের শাসান দেখেছি। এখন মমিন সাহবের শাসন দেখার অপেক্ষায়। তিনি ভালো করলে আমৃত্যু তিনিই হবেন হাজীগঞ্জ-শাহরস্তির কান্ডারি। তিনি একজন ব্যবসায়ি হিসেবে ভালো করবেন এটা আমাদের বিশ^াস। তিনি একজন শিক্ষিত এবং মার্জিত।
ব্যবসায়ি শাহপরান মিয়াজি বলেন শক্ত প্রার্থী না থাকার কারণে ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক বিশাল ভোটে ব্যবধানের জয়ী হবেন।তিনি আগামীর হাজীগঞ্জ শাহরাস্তি কান্ডারি। তিনি অতীতের এম এম মতিন ও রফিক সাহেবের মতো হাজীগঞ্জ শাহরাস্তিকে শান্তিতে রাখলেই তিনি থাকবেন সকল শ্রেনীর মানুষে মাথার মুকট।
দিনমজুর রফিক বলেন আমরা চাই শান্তি। এ জন্য মমিন ভাইয়ে জিতে যাবেন। আমরাও চাই তিনি আমাদের ভোটে নির্বাচিত হয়ে এলাকার জন্য কিছু করুক।
পৌর বিএনপি যুগ্ম আহবায়ক কবির হোসেন মুন্সী বলেন বলেন,“হাজীগঞ্জের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো আমাদের রাজনৈতিক প্রোগ্রাম গুলোতে ক নেতাকর্মীর সমাগম ঘটেছিল ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হকের নেতৃত্বে। রাজপথে সেই বিশাল জনসমাবেশ একটি নজির হয়ে থাকবে। গত ৫ আগস্টে বিএনপির আন্দোলনের চূড়ান্ত পর্বে হাজীগঞ্জ-শাহারাস্তীর সাধারণ মানুষ ও প্রশাসনের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যেভাবে ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক ভূমিকা রেখেছেন, তা সত্যিই প্রশংসনীয়।” তাই সকল শ্রেনীর মানুষ ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হককেই এমপি নির্বাচিত করবেন।
যুবনেতা ফয়েজ আহমেদ বলেন,“আমার বিশ্বাস, সারা দেশের মধ্যে যদি ১০ জন আস্থাভাজন জননেতার নাম করা হয়, তাহলে ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক অবশ্যই আমাদের একজন হবেন।” দলীয় নেতাকর্মীরা দিনরাত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন ধানের শীষ প্রার্থী মমিনুল হককে বিজয়ী করার জন্য।
কবির হোসেন মজুমদার(টোরাগড়) বলেন,“ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক নেতা-কর্মীদের মধ্যে এমন এক বন্ধনের সৃষ্টি করেছেন, যার ফলে হাজীগঞ্জে এখন আর বিভক্তির কোনো সুযোগ নেই। তিনি আমাদের ঐক্যবদ্ধ করেছেন, দিকনির্দেশনা দিয়েছেন, একজন প্রকৃত অভিভাবকের মতো গড়ে তুলেছেন।”
এছাড়াও আরো অনেকের সাথে কথা হলে তারা জানান,ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হক রাজনীতিতে নতুন এক ধারা প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি শিখিয়েছেন—রাজনীতি কেবল মঞ্চে বক্তৃতা নয়, বরং মানুষের সঙ্গে বসে তাদের কথা শোনা, সমস্যার সমাধানে পাশে থাকা। এই শিক্ষার মাধ্যমেই তিনি দুই উপজেলায় এমন এক সাংগঠনিক ঐক্য সৃষ্টি করেছেন, যা আগে কখনও দেখা যায়নি।
সবশেষে নেতাকর্মীরা সাধারণ ভোটারদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে ভোট দিয়ে ইঞ্জিনিয়ার মমিনুল হককে বিজয়ী করতে, যাতে তিনি জনগণের সেবা ও দলের আদর্শ আরও শক্তভাবে বাস্তবায়ন করতে পারেন।

