অনলাইন ডেস্ক
রক্তশূন্যতা আপাত দৃষ্টিতে বড় কোনো রোগ মনে না হলেও এটা থেকেই বড় কোনও অসুখের শুরু হতে পারে। পুষ্টিবিদদের মতে, বিশ্বের সবেচেয়ে বড় অপুষ্টিজনিত সমস্যা হচ্ছে রক্তশূন্যতা। সাধারণত গর্ভবতী নারী এবং শিশু-কিশোরদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।
রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে নীচে নেমে গেলে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়। তখন কিছু উপসর্গের মাধ্যমে তা প্রকাশও পায়। যেমন-
১. রক্তশূন্যতা হলে আক্রান্ত ব্যক্তি অল্পতেই হাঁপিয়ে ওঠেন, ক্লান্ত বোধ করেন।
২. অনেক সময় রক্তস্বল্পতা হলে শরীরের বিভিন্ন অংশের ত্বক ফ্যাকাশে হতে শুরু করে।
৩. শরীরে আয়রনের ঘাটতি হলে রক্তশূন্যতা হতে পারে। তখন চুল পড়া অনেক বেড়ে যায়।
৪. রক্তাস্বল্পতায় ভূগলে বিষন্নতা দেখা দেয়। সারাক্ষণ দুর্বলতা আর মাথাব্যথার কারণে রোগী ক্রমশ বিষন্ন হয়ে যায়।
৫. রক্তশূন্যতা হলে হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়।কারণ এসময় হৃৎপিণ্ড পর্যাপ্ত পরিমাণে রক্ত শরীরে সঞ্চালনের জন্য পাম্প করতে পারে না। ফলে হৃৎস্পন্দন স্বাভাবিকের তুলনায় অনেকটাই বেড়ে যায়।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরে আয়রনের ঘাটতির কারণে রক্তাল্পতা হলে আয়রনযুক্ত খাবার খাওয়া প্রয়োজন।সেই সঙ্গে কিছু পুষ্টিকর খাবার আছে যেগুলি খেলে রক্তস্বল্পতার সমস্যা দূর করা যায়। যেমন, শাক-সবজি, দুধ, মধু, বিভিন্ন ফল ইত্যাদি।
এছাড়া নারীদের গর্ভাবস্থায় এবং শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময় শরীরে আয়রনের ঘাটতি হওয়ার আশঙ্কা থাকে। এ কারণে এই সময়গুলিতে আয়রনসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া খুবই জরুরি। সূত্র : জি নিউজ