নিজস্ব প্রতিনিধি ॥
হাজীগঞ্জ উপজেলার ৫নং হাজীগঞ্জ সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান রোটা. মামুনুর রহমান মজুমদারের অফিসে আবারো সংবদ্ধ একদল চোর পূর্বের ন্যায় অফিসের তালা ভেঙ্গে চুরি করার শ্রেষ্টা। সংঘবদ্ধ চোরেরদল পূর্বের ন্যায় এবারো অফিসের তালা ভাঙ্গার সময় বিকট শব্দ হলে ইউপি ভবনের নৈশপ্রহরী টের পেয়ে বাঁশি বাজালে তারা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।
গত ৬/৭ মাস পূর্বে এই ভবনে একই কায়দায় দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে গেছে। এতে প্রায় অনেক টাকার কম্পিউটার সামগ্রীসহ মূল্যবান কাগজপত্র নিয়ে গেছে। আদ্যে পর্যন্ত কোন হদিস পাওয়া যায়নি ওই মালামালের। ওই বিষয়ে হাজীগঞ্জ থানায় একটি ডায়েরী করাও হয়েছে। অভিযোগের ভিত্তিতে থানা পুলিশ ৪/৫ জন আসামীকে গ্রেফতার করলেও তারা চুরি হওয়া এ মালামালের বিষয়ে কোন মুখ খুলেনি পুলিশের কাছে।
ছয়, সাত মাস পর আবার এই অফিসে সংঘবদ্ধ চোরের দল গত ১ ডিসেম্বর দিবাগত রাতে চুরি করার চেষ্টা করে। নৈশপ্রহরী তৎপর থাকার কারণে চোরের দল চুরি করতে ব্যর্থ হয়। এ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন জেগেছে। পূর্বেও এই ভবনের তালাগুলো ভাঙ্গার যে বিকট শব্দ হয়েছিল তাকি ২ গজ পাশে থাকা বাসা বাড়ির লোকজন শুনতে পায়নি? না কি তারা শুনেও না শুনার ভান করে ছিলো। এ রহস্যের উদ্ঘাটন আজও মিলেনি। সাধারণ মানুষ বিভিন্ন মন্তব্য করে বলে এ ঘটনার সাথে কে মূলত জড়িত? পুলিশ কেন তাদের খুঁজে পাচ্ছেনা? নাকি সরিষার ভিতরে ভূত লুকিয়ে আছে।
