মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া থানা পুলিশ শুক্রবার রাতে মেঘনা নদীতে অভিযান চালিয়ে চোরাকারবারিদের পাচার করা ৪৭ ব্যারেল অপরিশোধিত ভোজ্য তেল রেপসিট সহ একটি ট্রলার জব্দ করেছে। এ সময় ট্রলারে থাকা ৭ চোরাচালানীকেও আটক করা হয়। পুলিশ ও এলাকা সূত্রে জানা যায়, ওই রাতে টিকে গ্রুপের সয়াবিন তেল উৎপাদনকারী ফ্যাক্টরীতে সরবরাহ করা চট্টগ্রাম-নারায়নগঞ্জ রুটের ট্যাংকার জাহাজ এমটি মানোয়ারা জাহাজ থেকে একটি সংঘবদ্ধ চোরাচালানি চক্র ৪৭ ব্যারেল ভোজ্য তেল রেপসিট পাচারের উদ্দেশ্যে নামিয়ে আনে। ইঞ্জিনচালিত ট্রলারযোগে চোরাই ওই তেল নারায়নগঞ্জ রূপসী ঘাটে বিক্রি করার জন্য নিয়ে যাবার সময় গজারিয়া থানা পুলিশ গোপন সংবাদের খবর পেয়ে নদীতে চোরাচালান বিরোধী অভিযান পরিচালনা করে। গজারিয়া থানার মেঘনা নদীর লাল বয়ার উপর থেকে রেপসিট বোঝাই ট্রলারটি আটক করে। ট্রলারের মালিক চাঁদপুর জেলার আমিরাবাদ নাছির মিয়া। পুলিশ চোরাই রেপসিটের মালিক চাঁদপুর বড় স্টেশনের কাদের ডাক্টারের ছেলে বিল্লাল, নারায়নগঞ্জের বারেক, হেলাল, চাঁদপুর আমিরাবাদের কানা বাচ্চু, সিরাজ সহ ৭জনকে আটক করতে সক্ষম হয়। চোরাচালানী বিরোধী অভিযানে র নেতৃত্ব দেন মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশের এএসপি সার্কেল সহ সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স। উল্লেখ্য, চাঁদপুর মতলব উত্তর মোহনপুর থেকে গজারিয়া থানার লাল বয়া পর্যন্ত মেঘনা নদীতে সংঘবদ্ধ একটি চোরা কারবারি চক্র দীর্ঘ দিন যাবত সিটি, মেঘনা, টিকে গ্রুপ সহ অন্যান্য কোম্পানীর ফ্যাক্টরীর বিপুল পরিমান ভোজ্য তেল (অপরিশোধিত) সরবরাহ করার সময় নির্দিষ্ট জাহাজগুলো থেকে তেল পাচার হয়ে আসছে।
