মোঃ জাবেদ হোসেন॥ নিজেদের পৈত্রিক ডোবায় মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে আপন ভাতিজা চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে চাচাকে গুরুতর রক্তাক্ত জখম করে। ঘটনাটি ঘটেছে ৩০ জানুয়ারি দুপুর ০২ টায় চাঁদপুর সদর উপজেলাধীন ১নং বিষ্ণপুর ইউনিয়নস্থ হাসাদী গ্রামের প্রধানীয়া বাড়িতে। ওই দিন দুপুরে মৃত আব্দুল হাফেজ প্রধানীয়ার ছোট ছেলে মোঃ মিজানুর রহমান প্রধানীয়া (৫০)কে সুলতান প্রধানীয়ার বখাটে ছেলে এলাকার চিহ্নিত শীর্ষ সন্ত্রাসী ও ভূমিদস্যু সবুজ প্রধানীয়া (২৩) এবং তার বাহিনীর মেহদী হাসান প্রধানীয়া (২৪), পিতা- রফিক প্রধানীয়া, মারুফ গাজী (২৪), পিতা- মিজানুর রহমান গাজীকে নিয়ে মিজানুর রহমানের চাষকৃত ডোবা থেকে জোরপূর্বক মাছ ধরে নিয়ে যায়। এ সময় মিজানুর রহমান প্রধানীয়া দেখতে পেয়ে তাদের বাঁধা দিলে সবুজের কোমরে থাকা চাপাতি দিয়ে মিজানুর রহমানের মাথায় আঘাত করলে মিজান মাটিতে লুটিয়ে পড়ে। সেই সুযোগে সবুজ প্রধানীয়া পূর্ব শত্র“তার জের ধরে মিজানুর রহমানকে শুইয়ে জবাই করার চেষ্টা করলে তার ডাকচিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে সবুজ বাহিনীর সন্ত্রাসীরা দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন মিজানুর রহমান প্রধানীয়াকে চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে। এ ব্যাপারে চাঁদপুর মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয় বলে মিজানুর রহমানের পরিবারের পক্ষ থেকে জানা যায়। ঘটনার বিবরণে জানা যায়, আহত মিজানুর রহমানের পিতা আব্দুল হাফেজ প্রধানীয়া জীবিত থাকাকালে সুলতান প্রধানীয়াকে বিদেশে পাঠানোর জন্য মিজানুর রহমানের জমি বিক্রি করে দিয়ে নগদ অর্থের মাধ্যমে সুলতান প্রধানীয়াকে বিদেশে পাঠায় এই শর্তে যে, বিদেশ থেকে ফিরে আসলে সুলতান প্রধানীয়া টাকা দিয়ে দিবে। সেই সুবাদে মিজানুর রহমান পিতার কথামত নিজের ক্রয়কৃত জমি বিক্রি করে আপন বড় ভাই সুলতান প্রধানীয়াকে টাকা দিয়ে বিদেশে পাঠান। কিন্তু দুঃখের বিষয় সুলতান প্রধানীয়া বিদেশ থেকে এসে তার ছোট ভাইকে কোনো পরিচয়ই দেয়না। বরং প্রতিনিয়ত কথায় কথায় তাকে মেরে ফেলার হুমিক ধমকি দিয়ে থাকে । অন্যদিকে সুলতান প্রধানীয়ার কু-সন্তান এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী সবুজ প্রধানীয়ার অত্যাচার দিনের পর দিন বেড়েই চলেছে। নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক এলাকার জনৈক ব্যক্তি জানায়, সবুজ প্রধানীয়া স্থানীয় এক যুবদল নেতার ছত্রছায়ায় এলাকায় এসব সন্ত্রাসী কর্মকান্ড অব্যাহত রেখে চলেছে এবং সবুজ প্রধানীয়া নিজেও একজন যুবদল কর্মী।
