এ আসনটি লোহাগড়া উপজেলার ১২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এবং নড়াইল পৌরসভা ও সদরের আটটি ইউনিয়ন নিয়ে গঠিত। আর তাই জেলার দুটি আসনের মধ্যেও এ আসনটি গুরুত্বপূর্ণ।
ফরিদুজ্জামানের বাড়ি লোহাগড়া পৌর এলাকার কুন্দশী গ্রামে। তিনি ২০-দলীয় জোটের শরিক ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) চেয়ারম্যান। হাইকোর্ট বিভাগের আইনজীবী হিসেবে কর্মরত। একসময়ে ছিলেন তিনি জাতীয় পার্টিতে (এরশাদ)। তখন জাতীয় পার্টির নড়াইল জেলার সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। সেখান থেকে বের হয়ে ২০০৭ সালে তিনি গঠন করেন এনপিপি। তখন থেকে দলের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে। যোগ দেন ২০–দলীয় জোটে।
প্রতিদ্বন্দ্বী মাশরাফিকে নিয়ে কী ভাবছেন, এ প্রশ্নের উত্তরে ফরিদুজ্জামান বলেন, ‘মাশরাফি দেশের সম্পদ। আমি তাঁকে পছন্দ করি। সবাই পছন্দ করে। কিন্তু খেলার মাঠ আর ভোটের মাঠ এক নয়। এখানে নির্বাচন হবে নৌকার সঙ্গে ধানের শীষের। আমি মনে করি, যদি মানুষ ভোট দেওয়ার সুযোগ পায়, তবে ধানের শীষ এ আসনে জিতবে ইনশা আল্লাহ।’
নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ওয়েবসাইট ঘেঁটে দেখা গেছে, নবম সংসদ নির্বাচনে ফরিদুজ্জামান এ আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আম প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেছিলেন। সেবার তিনি ২৯২ ভোট পান। আওয়ামী লীগের প্রার্থী এস কে আবু বাকের পেয়েছিলেন ১ লাখ ২৫ হাজার ৫৫৮ ভোট। প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষের প্রার্থী শরীফ খসরুজ্জামান পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৬৭৪ ভোট।
এর আগে ফেসবুকে তিনি মন্তব্য করেন, ‘কোনো ব্যক্তি বা কোনো দলকে আঘাত করতে আমি রাজনীতিতে আসছি না। পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধে সহনশীল ও সহযোগিতাপূর্ণ রাজনৈতিক সংস্কৃতি বিরাজ করবে, সেটিই আমার চাওয়া।’
ওই দুজন ছাড়াও এ আসনে লড়বেন জাতীয় পার্টির খন্দকার ফায়েকুজ্জামান, জেএসডির (রব) ফকির শওকত আলী, ইসলামী আন্দোলনের এস এম নাসির উদ্দিন, ইসলামী ঐক্যজোটের মো. মাহবুবুর রহমান ও এনপিপি (ছালু) মো. মনিরুল ইসলাম।

