আমার কণ্ঠ রিপোর্ট
২০১৭ সালের এইচ এস সি ও সমমান পরীার ৩য় দিনে হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের পরীার্থীদের পরীার হলে নকল করতে না দেয়ায় বলাখাল জে এন হাই স্কুল এন্ড কারিগরি কলেজ কেন্দ্রে ভাংচুর চালিয়েছে এবং সড়ক অবরোধ করে যানচলাচল বন্ধ করে দেয় হাজীগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের শিার্থীরা। ওই সময় কলেজের বিভিন্ন করে জানালার গ্লাস, দরজা ও আসবাবপত্র ভেংগে পেলে উশৃঙ্খল শিার্থীরা।
এসময় সংবাদ প্রকাশ হলে গতকাল হাজীগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের অধ্য মোঃ মাসুদ আহমেদ হাজীগঞ্জে সিনিয়র সাংবাদিকদের সাথে পুরো বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন আমাদের ছেলে-মেয়েরা যে কে পরীা দেয় ঐ কে দেশগাও কলেজ ও নাসির কোট ডিগ্রী কলেজের দুজন শি ডিউটি করেছে। তারা আমাদের ছাত্রছাত্রীদের সামনে হাজীগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের অধ্যসহ শিদের বিরুদ্ধে অশালীল কথাবার্তা বলেন। আমাদেরকে হেয় করে নানা কথা মন্তব্য করেন। আমাদের শিার্থীরা আমাদেরকে জানিয়েছে। পরে আমার খবর নিয়ে দেখলাম বলাখাল জেএন স্কুল এন্ড কলেজের দুটি গ্লাস ভাংগা। আমি অধ্য সাহেবকে বলেছি আপনার যা য়তি হয়েছে তা আমি দিয়ে দিবো। অধ্য সাহেব বলেন আপনি এটা বলে আমাকে ছোট করেছেন। দুটা গ্লাস এর দাম কত আর। আপনি দেয়া লাগবে না। তার পরেও আমি পুরো প্রতিষ্ঠানে যত গ্লাস ভাঙ্গা ছিল সবগুলো ঠিক করে দেয়ার জন্য আমার লোক পাঠিয়েছি। পরে বলাখাল জেএন স্কুলের অধ্য সাহেব বলেন আপনি এগুলো রেখে যান আমি ঠিক করে দেবো।
কথাহলো আমাদের শিার্থীদেরকে আমরা সুশিা দিয়েছি। সকল করে পাস করার জন্য শিা দেইনি। নকলের জন্য সেখানে কোন ঘটনা ঘটে নি। ঘটান ছোট খাটো যে ঘটেছে অন্য শিা প্রতিষ্ঠানের শিদের বিরুপ মন্তব্যর কারণে। যদি ঐ শিকরা শিার্থীদের সাথে এ আচরণ না করতেন তাহলে তো আর কোন ঘটনা ঘটতো না। আমরা খবর নিয়েছি এ এক শিক পাটটাইম অন্য একটি শিা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত আছেন এবং একজন হাজীগঞ্জ ডিগ্রী কলেজের অধ্য হওয়ার জন্য ইন্ডারভিউ দিয়েছে। কিন্তু তিনি অধ্য নিয়োগ পরীায় সব চেয়ে কম নাম্বার পেয়েছে এবং অধ্য হওয়ার যোগ্যতা হারিয়েছেন। এ কারণে তার মধ্যে একটা ােভ রয়েঠে এ ােভের কারণে তিনি আমাদের শিার্থীরা সাথে আমাদের শিক ও প্রতিষ্ঠান এবং গভর্নি বডির নামে নানা কথা বলেছেন। দেশগাও কলেজের শিক নুরুল ইসলাম ও নাসিরকোট কলেজের শিক আমিনুল ইসলাম। তারাই এ ঘটনার জন্য অপরাধী।
