মসজিদ নির্মাণ কাজে অংশগ্রহণ করে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করছি। মসজিদ আল্লাহর ঘর, এই ঘর রণাবেণ করা আমাদের সকলের দায়িত্ববোধের অংশ। মসজিদ নির্মাণ কাজ একজনের অংশগ্রহণে সম্ভব নয়। শুক্রবার হাজীগঞ্জ পৌর এলাকার ১নং ওয়ার্ডের বলাখাল কাজী বাড়িতে বায়তুল মামুর মসজিদের নূতন ভবন নির্মাণ কাজের শুভ সূচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখতে গিয়ে এসব কথা বলেন হাজীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আ স ম মাহবুব উল আলম লিপন।
বায়তুল মামুর মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি কাজী রফিকুল ইসলামের সভাপ্রধানে অনুষ্ঠানে মেয়র আরো বলেন, এই মসজিদের জন্য আমি দুই লাখ টাকা অনুদান দেবো। এছাড়া এ বাড়ির রাস্তার বাকি অংশ পাকাকরণের কাজও শেষ করবো। এই বলাখাল এলাকার জন্যে আমার দুর্বলতা সবসময় থাকে। আমি মেয়র হবার পর ১শ’ দিনের কর্মসূচির কাজ শুরু করেছি ১নং ও ২নং ওয়ার্ড থেকে। সর্বশেষ কথা হচ্ছে : আমি জনগণের ভোটে পৌর মেয়র নির্বাচিত হয়েছি। পৌর সম্পদ পৌর নাগরিকদের, আর এই সম্পদ আমার কাছে আমানত স্বরূপ।
বলাখাল কাজী বাড়ির সন্তান দৈনিক চাঁদপুর কণ্ঠের প্রধান সম্পাদক কাজী শাহাদাতের স্বাগত বক্তব্যের পর অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন প্র্যাক্টিক্যাল হজ্ব প্রশিক চাঁদপুর শহরস্থ চৌধুরী জামে মসজিদের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ ফারুকুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন চাঁদপুর বড় স্টেশন জামে মসজিদের খতিব মুফতি মোঃ সিরাজুল ইসলাম। মসজিদ পরিচালনা কমিটির আয়োজনে বলাখাল মকবুল আহম্মেদ ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক ও কাজী বাড়ির সন্তান কাজী নাসিরের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন হাজীগঞ্জ শহর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আবু নাসের আদনান। উপস্থিত ছিলেন বলাখাল জেএন উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ফরিদুল আলম, মিজানুর রহমান, শহর আওয়ামী লীগ নেতা রাধাকান্ত দাস রাজু, মসজিদ কমিটির কাজী সামছুল আলম, কাজী আশরাফুজ্জামান সুমন, কাজী নিজাম উদ্দিন, কাজী নজরুল ইসলাম, কাজী মাঈনউদ্দিন ও কাজী মনিরুজ্জামান সুজন। অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কাজী খোরশেদ আলম, কাজী মামুনুর রশিদ মাসুদ, কাজী মালুম ইসলাম, কাজী সবুজসহ এলাকার ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ।
উল্লেখ্য, মসজিদটি নির্মাণে মূল অর্থায়নে রয়েছে শারজাহ চ্যারিটি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ অফিস, যার সহযোগিতায় আছেন একই প্রতিষ্ঠানের কান্ট্রি ডিরেক্টর গাজী মোঃ জহিরুল ইসলাম। এছাড়া শর্ত মোতাবেক মসজিদ কমিটিও আংশিক অর্থায়নে রয়েছে।
