মোঃ কামাল হোসেন
হাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন সম্ভাব্য নতুন প্রার্থীদেও প্রচারনা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে করে জমে উঠতে শুরু করেছে নির্বাচন। তফসিল ঘোষণার সময় যত ঘনিয়ে আসছে প্রার্থীদের প্রচার প্রচারণ বেড়েই চলেছে। ইতিমধ্যে সম্ভাব্য প্রার্থীরা ব্যবসায়ীদের সাথে কুশল বিনিময় বাড়িয়ে দিয়ে প্রচারনাও বৃদ্ধি করেছেন।
অনুসন্ধানে দেখা যায়, গত ১৫ ফেব্র“য়ারী সাপ্তাহিক আমার কন্ঠ পত্রিকায় হাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচন সংক্রান্ত সম্ভাব্য প্রার্থীদেও ছবি সম্বলিত একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ও ব্যবসায়ী ভোটারদের মাঝে ব্যপক সাড়া পড়ে। এ নিয়ে পুরো ব্যবসায়ী ও সম্ভাব্য প্রার্থীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু। অনেক সম্ভাব্য প্রার্থী ও ব্যবসায়ী ভোটাররা এ সংবাদকে টপ অব দ্যা হাজীগঞ্জ বলেও আখ্যায়িত করেন। অনেকেই এ সংবাদের জন্য পত্রিকার সম্পাদক ও প্রতিবেদককে মোবাইল ফোনে ও ব্যক্তিগতভাবে ধন্যবাদ জানান। গত এক সপ্তাহ জুড়ে হাজীগঞ্জ বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনকে সামনে রেখে ওয়ার্ড ভিত্তিক যে সকল সম্ভাব্য প্রার্থীরা রয়েছেন তারা ব্যবসায়ী ভোটারদের সাথে আগের তুলনায় খোজ-খবর এবং গণসংযোগ শুরু করেছেন। ওয়ার্ড ভিত্তিক সদস্য পদে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনার কারণে ব্যবসায়ীদের কাছে ঘুরেফিরে সকলেই যাচ্ছেন। এতে করে ব্যবসায়ীদের মধ্যেও একটি উৎসব মূখর পরিবেশ সৃষ্টি হচ্ছে।
এ ব্যপারে অনেক ব্যবসায়ীর সাথে কথা হলে তারা আমার কন্ঠকে বলেন, হরতাল অবরোধের মঝে বেচা-কেনা কম হলেও হাজীগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী সমিতির নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রার্থীরা আমাদের সাথে দেখা করতে আসলে তাদের সাথে সুখ-দুঃখ শেয়ার করতে পারছি। এতে করে নিজেদের মধ্যে সম্পর্ক আরো সু-ঘনিষ্ট হচ্ছে। তারা আরো বলেন, ব্যবসায়ী সমিতির এবারের নির্বাচনে প্রার্থীদের সংখ্যা আগের তুলনায় অনেক বেশি মনে হয়। এতে করে নির্বাচনও জমে উঠবে বলে আমাদের ধারণা। তবে যোগ্যপ্রার্থীকে নির্বাচিত করতে আমরা ব্যবসায়ীরা ভুল করবো না। কারণ হাজীগঞ্জ বাজার একটি ঐতিহ্যবাহী বাণিজ্যিক কেন্দ্র। যে প্রার্থী দ্বারা এ বাজারের শান্তি সৃঙ্খলা ও ব্যবসায়ীদের স্বার্থ রক্ষা হবে আমরা সে প্রার্থীকেই নির্বাচিত করবো।
সম্ভাব্য অনেক প্রার্থীদের সাথে আমার কন্ঠের এই প্রতিবেদক কথা বললে তারা বলে, গত নির্বাচনে আমরা যারা পরাজিত হয়েছি এবং নতুন যারা প্রার্থী হবো তারা সবাই নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার জন্য শতভাগ প্রস্তুতি নিয়েছি এবং আমরা এ নির্বাচনকে উৎসবমুখর পরিবেশে দেখতে চাই। যার জন্য আমরা সম্ভাব্য প্রার্থীরাও এখন থেকেই ব্যবসায়ী ভোটারদের কাছে আসা-যাওয়া শুরু করেছি। আমরা ব্যবসায়ীদের সাথে দেখা করতে গেলে ব্যবসায়ীরাও আমাদের সাথে আন্তরিকতার সাথে সময় দিয়ে কথা বলছেন। তারা আরো বলেন, হরতাল অবরোধের কারণে ব্যবসায়ীদের ব্যবসা অনেক মন্দা। অনেক ব্যবসায়ী নিরিবিলি দোকানে বসে আছেন। আমরা এই সুযোগে আমাদের মনের কথাগুলো বলার সুযোগ পাচ্ছি। এতে করে প্রার্থী সম্পর্কেও ব্যবসায়ীদের ধারণা পাল্টে যাচ্ছে।
