মোহাম্মদ হাবীব উল্যাহ
বিজয়ের ৪৩ তম বার্ষিকীতে বিনম্র শ্রদ্ধায় শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণ এবং জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের হাজীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত সংবর্ধনা প্রদান এবং সুখী সমৃদ্ধ ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত বাংলাদেশ গঠনের লক্ষে ডিজিটাল প্রযুক্তির সার্বজনীন ব্যবহার শীর্ষক আলোচনা সভায় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক আ: রশিদ মজুমদার বলেন ২০২১ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে মধ্যম আয়ের দেশ এবং ২০৪১ সালে মধ্য উন্নত রাষ্ট্রের তালিকা নিয়ে যাওয়ার জন্য জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর কন্যা প্রধানমন্ত্রি শেখ হাসিনা যে ঘোষনা দিয়েছেন ্এবং সে ঘোষনা অনুযায়ী বিশাল কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। সেই কর্মপরিকল্পনার বাস্তবায়নের জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রি কাজও শুরু করে দিয়েছেন । আর তা সফলভাবে সমাপ্তের জন্য দেশের সকল মানুষের সাথে সাথে জীবিত বীরমুক্তিযোদ্ধাদের একান্ত সহযোগিতার প্রয়োজন। তিনি বলেন বর্তমান সরকার মুক্তিযুদ্ধ স্বপক্ষের সরকার । আর তাই মক্তিযোদ্ধাদের ভাতা ৩০০ টাকা থেকে ৫০০০ টাকা করা হয়েছে ্এবং এই ভাতা দশ হাজার টাকা করার ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন। তাছাড়া মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য উপজেলা স্থায়ী কমিটির ব্যবস্থা করা আছে। প্রতিমাসে স্থায়ী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। তাই সকল মুক্তিযোদ্ধাদের উক্ত সভায় অংশগ্রহন করে তাদের সমস্যা ও মতামত প্রকাশের জন্য বিনীত অনুরোধ করেন। অন্যদিকে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ মুশিদুল ইসলাম বলেন,মুক্তিযোদ্ধারা আমাদের অহংকার। যারা নিরস্ত্র হয়েও সমরাস্ত্র পাকিস্তানী ও তাদের দোসরদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ নয় মাস যুদ্ধ করেছেন। যাতে করে ৩০ লক্ষ শহীদ আর দুই লক্ষ মা বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে এবং বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্বের কারণে আমরা বাংলাদেশ উপহার পেয়েছি। যতদিন বাংলাদেশ থাকবে ততদিন বীর মুক্তিযোদ্ধাদের বীরত্ব আমাদের মাথারমুকুট হয়ে থাকবে এবং বাংলাদেশের মানুষ শ্রদ্ধা ভরে স্মরণ করবে। এ ছাড়া তিনি আরো বলেন আমাদের সীমিত সম্পদ এই সীমিত সম্পদের মধ্যেও আমাদের যতটুকু সম্ভব সরকারি ভাবে এবং হাজীগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন কর্তৃক যথাসাধ্য চেষ্টা করবো মুক্তিযোদ্ধাদের সমস্যা বা চাওয়া গুলো পূরন করতে।
এছাড়াও হাজীগঞ্জ উপজেলা আ’লীগের সভাপতি জনাব মো: হেলাল উদ্দিন মিজি বলেন- মুক্তিযোদ্ধাদের তালিকা আজ ও সঠিকভাবে হয়নি। সরকার সঠিক মুক্তিযোদ্ধা চিহ্নিত করার ব্যবস্থা হাতে নিয়েছে। তাই তিনি হাজীগঞ্জ মুক্তিযোদ্ধা সাংসদকে অনুরোধ করেন। হাজীগঞ্জ উপজেলায় সঠিক মুক্তিযোদ্ধা চিহ্নিত করতে এবং এই কাজে যত ধরনের সহযোগিতা লাগে সব ধরনের সহযোগিতা করতে হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ প্রস্তুত।
এছাড়া ও আলোচনা সভ্ায় আরো বক্তব্য রাখেন জ্বালানী মন্ত্রনালয়ের পাওয়ার সেল এর ডিজি প্রকোশলী মোহাম্মদ হোসেন, হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক গাজী মোঃ মাঈনুদ্দিন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোঃ মজিবুর রহমান মজুমদার, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও মুক্তিযোদ্ধা হারুনুর রশিদ মুন্সি। কৃষকলীগের যুগ্ন আহবায়ক ও মুক্তিযোদ্ধা হাসমত উল্যাহ হাসু, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন বতু, উপজেলা আওয়ামীলীগের অর্থ বিষয়ক সম্পাদক আশফাকুল আলম চৌধুরী,আওয়ামী লীগ নেতা সৈয়দ আহমেদ খসরু,মুক্তিযোদ্ধা সাংসদ ডেপুটি কমান্ডর হাতেম আলী, মুক্তিযোদ্ধা আবুল কালাম ,আলাউদ্দিনমিয়া ও মোজাম্মেল হায়দার চৌধুরী প্রমুখ।
