বিএনপি-জামায়াত সরকাররে পুরো সময়ইে ছলি জঙ্গদিরে পৌষ মাস
।।সয়ৈদ ইশতয়িাক রজো।।
র্দুবৃত্তরে রাজনীতকিায়নে বাংলাদশেরে ছোটখাট পরচিতিি সবসময়ই ছলি। কন্তিু ২০০১-সালরে নর্বিাচনে জামায়াতকে সঙ্গে নয়িে বএিনপরি ক্ষমতার মঞ্চে আবর্ভিাব দশেে রাজনতৈকি র্দুবত্তায়নরে এক নতুন মাত্রা এনে দয়িছেলি। লাগাতার র্ধষণ, সংখ্যালঘুদরে উপর আক্রমণ, ২১ আগস্ট গ্রনেডে হামলা, জজ ময়িা নাটক, প্রধানমন্ত্রীর পুত্ররে হাওয়া ভবন নামরে বসেরকারি সচবিালয় গঠন, ১০ ট্রাক অস্ত্র আর তালবোন স্টাইলরে জঙ্গি সংগঠন জএেমব’ির আত্মপ্রকাশ বাংলাদশেকে বশ্বিরে বুকে এক নতুন তালকিায় নয়িে গয়িছেলি।
বাংলাদশেরে মানুষরে রাজনতৈকি সচতেনতা নয়িে অনকে কথা প্রচলতি আছ।ে অতরিক্তি রাজনীতসিচতেনতা থকেইে আমরা যুগ যুগ ধরে বরিুদ্ধবাদী বা প্রতপিক্ষরে ঘরে আগুন দয়ো, লুটপাট চালানো, ধারালো অস্ত্রাঘাতে খুন করা দখেে এসছে।ি তবে জামায়াত-বএিনপি জোট সরকারই প্রথম দখোলো সংসদরে প্রধান বরিোধী দলরে পুরো নতেৃত্বকে কভিাবে নশ্চিহ্নি করে ফলোর চষ্টো করা যায়।
সইে রোমর্হষক ঘটনার বচিার হলো আজ। আওয়ামী লীগরে সভানত্রেী শখে হাসনিাকে হত্যার উদ্দশ্যেে ২১ আগস্ট চালানো গ্রনেডে হামলা মামলায় সাবকে স্বরাষ্ট্র প্রতমিন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পন্টিুসহ ১৯ জনরে মৃত্যুদণ্ড দয়িছেনে আদালত। এই মামলায় বএিনপরি ভারপ্রাপ্ত চয়োরম্যান তারকে রহমান, হারসি চৌধুরী, সাবকে সাংসদ কায়কোবাদসহ ১৯ জনরে যাবজ্জীবন দওেয়া হয়ছে।ে এছাড়া এ মামলার আসামি ১১ পুলশি ও সনো র্কমর্কতাকে বভিন্নি ময়োদে কারাদণ্ড দওেয়া হয়ছে।ে
২০০৪ সালরে ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগরে সমাবশেে ভয়াবহ গ্রনেডে হামলায় তৎকালীন বরিােধীদলীয় নত্রেী শখে হাসনিা ও আওয়ামী লীগরে নতোরা অলৌককি ভাবে বঁেচে গয়িছেলিনে। আইভি রহমানসহ আওয়ামী লীগরে ২৪ নতো-র্কমী নহিত হয়ছেলিনে। আহত হয়ছেলিনে শতাধকি। অনকেইে চরিতরে পঙ্গু হয়ে গছেনে। তাদরে অনকেইে আর স্বাভাবকি জীবন ফরিতে পারনেন।ি সদেনি বকিলেে সরকারী মদদে ইসলামি জঙ্গগিােষ্ঠী হরকাতুল জহিাদরে গ্রনেডে হামলায় আওয়ামী লীগরে সভানত্রেী শখে হাসনিাসহ দলরে মূল নতেৃত্ব নশ্চিহ্নি হয়ে গলেে কি হত তা ভবেে কুল পাওয়া যায়না।
তারকে রহমানসহ তৎকালীন বএিনপি নতেৃত্ব হয়তো ভবেছেলিনে আওয়ামীলীগকে নতেৃত্বশূণ্য করে তাদরে ক্ষমতায় থাকা চরিস্থায়ী করবনে। কন্তিু হুজরি মতো একটি ভয়ংকর জঙ্গি গোষ্ঠকিে দয়িে এমন কাজ করালে যে পরণিাম অপক্ষো করছলি তা নয়িে হয়তো তাদরে বড় ভাবনা ছলি না। প্রকৃতপক্ষে তারা নজিরোও ক্ষমতায় থাকতে পারতনে না, ক্ষমতা ছড়েে দতিে হতো জঙ্গদিরে হাতইে। জঙ্গদিরে শাসন চলতো। শখে হাসনিা সদেনি না বাঁচলে বাংলাদশে হয়ে উঠতো আরকে আফগানস্তিান বা পাকস্তিান।
২০০৪ থকেে ২০০৬ সাল র্পযন্ত বএিনপ-িজামায়াত জােট সরকাররে পক্ষ থকেে এমন অবশ্বিাস্য কথাও প্রচার করা হয়ছেলি যে আওয়ামী লীগ নজিরোই জনগণরে সহানুভূতি ও সর্মথন পতেে সইে গ্রনেডে হামলা চালয়িছেলি। ২০০৪ সালরে ১৫ সপ্টেম্বের জাতীয় সংসদওে জােট সরকাররে সাংসদরো ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগরে সমাবশেে গ্রনেডে হামলার জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করে বক্তৃতা দয়িছেলিনে। বএিনপি সইে নৃশংস হত্যাকাণ্ডরে জন্য আওয়ামী লীগ ছাড়াও প্রতবিশেী দশে ভারতকওে দায়ী করছেলি।
বএিনপ-িজামায়াত জােট সরকাররে সর্মথক বুদ্ধজিীবী চক্রও সভা-সমেনিারে একই সুরে বক্তব্য দয়ি,ে পত্রকিায় কলাম লখিে সইে মথ্যিা প্রচারে সহায়তাও করছেলিনে। কন্তিু ২১ আগস্ট গ্রনেডে হামলার সত্য প্রকাশ পয়েছে।ে জােট সরকাররে আমলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় নরিাপত্তা গােয়ন্দো সংস্থার তখনকার গুরুত্বর্পূণ ব্যক্তরিা প্রত্যক্ষ ও পরােক্ষভাবে এ ধরনরে মথ্যিা তথ্য সরবরাহ করছেলিনে, প্রচার করছেলিনে। চারদলীয় জােট সরকাররে গঠতি এক সদস্যরে বচিার বভিাগীয় কমশিনরে প্রধান বচিারপতি জয়নুল আবদেীন তার প্রতবিদেনে প্রায় একই কথা বলছেলিনে।
আদালতে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণতি হয়ছে,ে বএিনপি নতেৃত্বাধীন চারদলীয় জােট সরকার জনেশেুনে সর্ম্পূণ উদ্দশ্যেপ্রণােদতিভাবে ঘটনা এবং উগ্র জঙ্গগিােষ্ঠী ও প্রকৃত আসামদিরে আড়াল করার চষ্টো করছেলি। তৎকালীন জােট সরকাররে উচ্চর্পযায়রে পরার্মশইে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জাতীয় নরিাপত্তা গােয়ন্দো সংস্থা, সআিইডি ও পুলশিরে তখনকার উচ্চপদস্থ র্কমর্কতারা হুজকিে দয়িে এই ঘটনা ঘটয়িে পরর্বতীতে আবার গ্রনেডে হামলার তদন্তকে ভন্নি খাতে প্রবাহতি করার চষ্টো করছেলিনে।
জােট সরকাররে সাবকে প্রধানমন্ত্রী বগেম খালদো জয়িা প্রতরিক্ষা গােয়ন্দো মহাপরদিপ্তরকে সে সময়ে ২১ আগস্টরে গ্রনেডে হামলা সর্ম্পকে কােনাে তদন্ত করতে নষিধে করছেলিনে। বগিত সময়কালে যখন শখে হাসনিা ও আওয়ামী লীগরে নতেৃত্বকে হত্যা করতে ২১ আগস্টরে গ্রনেডে হামলার মতাে অবশ্বিাস্য ভয়াবহ ঘটনাবলরি সব তথ্য বরে হয়ে এসছে,ে তখন এটা সত্যি বশ্বিাস করা কঠনি হয়ে পড়ে যে একটি নর্বিাচতি সরকার ও নতেৃত্ব কীভাবে তাদরে প্রতপিক্ষ শক্তকিে ধ্বংস করতে কী নর্লিজ্জভাবে সত্যকে উল্টােপথে পরচিালতি করতে পার!ে
রাষ্ট্রপক্ষরে আইনজীবী মোশাররফ হোসনে কাজল বলছেনে, ২০০৪ সালরে ২১ আগস্ট গ্রনেডে হামলার ‘প্রধান রূপকার’ তারকে রহমান। তনিি পছেন থকেে সব কল কাঠি নড়েছেনে। মুক্তযিুদ্ধরে পক্ষরে শক্তকিে নশ্চিহ্নি করতইে গ্রনেডে হামলার পরকিল্পনা করা হয়। আর এ পরকিল্পনার অংশ হসিবেে পাকস্তিান থকেে গ্রনেডে, র্অথ ও প্রশক্ষিতি লোক আনা হয়।
২১ আগস্ট গ্রনেডে হামলা মামলা কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। সাধারণ কোনো প্রক্ষোপট নয়। এটি অনকে বড় চক্রান্তরে একটি অংশ। এ মামলার আসামরিাও কোনো সাধারণ ব্যক্তি নন। তারা প্রত্যকেইে গুরুত্বর্পূণ ব্যক্ত।ি এ ঘটনায় প্রত্যকে ব্যক্তইি জড়তি ও অপরাধী।
২১ আগস্টরে গ্রনেডে হামলা চালানো হয় মুলত দুটি কারণ।ে প্রথমটি হচ্ছ-ে বঙ্গবন্ধু কন্যা শখে হাসনিাসহ মুক্তযিুদ্ধরে পক্ষরে নতেৃত্বকে হত্যা করা, দ্বতিীয়তটি হচ্ছ-ে বাংলাদশেকে পাকস্তিান রাষ্ট্র বানানো। পৃথবিীর অনকে দশেইে রাজনতৈকি দাঙ্গা বা গোলামাল হয়ে থাক।ে কন্তিু ২১ আগস্টরে হামলা এটি কোনো সাধারণ ঘটনা নয়।
সন্ত্রাসী রাজনীতকি যখন যাবতীয় রাজনতৈকি মতার্দশ হতে বযিুক্ত হয়ে পড়,ে তখন জঙ্গি হামলাই আর্দশ হয়ে উঠ।ে সইে সময়রে বএিনপরি নতেৃত্বরও সে অবস্থাই হয়ছেলি। জামাতসহ জঙ্গদিরে সাথে নানা সমীকরণ মলোতে মলোতে এক সময় তারা বুঝতে শুরু করলনে দশেরে রাজনীততিে প্রাসঙ্গকি থাকতে হলে তাদরে জঙ্গদিরে আরও কাছে টানতে হব।ে আর সে কারণইে জামাত-বএিনপি সরকাররে পুরো সময়টইি ছলি জঙ্গদিরে পৌষ মাস। হংিসা, সন্ত্রাস ও সশস্ত্র হামলার প্রতি আর্কষণ কবেল বড়েইে চলছেলি।
আওয়ামীলগিরে পক্ষে জঙ্গি জহোদি মতার্দশ ও র্কমসূচি সর্মথন করার প্রশ্ন নইে। তাই জঙ্গদিরে সাথে তার বরৈতিা চলবইে। আওয়ামীলগিকে দমাত,ে তথা অসাম্প্রদায়কি আর্দশকে ঠকোতে বএিনপকিে বছেে নতিে হয়ছেলি তালবিানি দাওয়াই। আর তার পথ ধরইে একুশে আগস্টরে হামলা।
আজ বচিার হলো। কন্তিু আমরা জানি বচিার শষে হয়ন।ি উচ্চ আদালত হয়ে বচিার সর্ম্পূণ হতে সময় লাগব।ে অপরাধীদরে শাস্তি নশ্চিতি হোক। বচিার র্প্রাথীর র্দীঘশ্বাস আর যনে র্দীঘায়তি না হোক।বএিনপ-িজামায়াত সরকাররে পুরো সময়ইে ছলি জঙ্গদিরে পৌষ মাস
অক্টোবর ১০, ২০১৮ । ৪:১৮ অপরাহ্ণ
৫৩৮ ঝযধৎবং
।।সয়ৈদ ইশতয়িাক রজো।।
র্দুবৃত্তরে রাজনীতকিায়নে বাংলাদশেরে ছোটখাট পরচিতিি সবসময়ই ছলি। কন্তিু ২০০১-সালরে নর্বিাচনে জামায়াতকে সঙ্গে নয়িে বএিনপরি ক্ষমতার মঞ্চে আবর্ভিাব দশেে রাজনতৈকি র্দুবত্তায়নরে এক নতুন মাত্রা এনে দয়িছেলি। লাগাতার র্ধষণ, সংখ্যালঘুদরে উপর আক্রমণ, ২১ আগস্ট গ্রনেডে হামলা, জজ ময়িা নাটক, প্রধানমন্ত্রীর পুত্ররে হাওয়া ভবন নামরে বসেরকারি সচবিালয় গঠন, ১০ ট্রাক অস্ত্র আর তালবোন স্টাইলরে জঙ্গি সংগঠন জএেমব’ির আত্মপ্রকাশ বাংলাদশেকে বশ্বিরে বুকে এক নতুন তালকিায় নয়িে গয়িছেলি।
বাংলাদশেরে মানুষরে রাজনতৈকি সচতেনতা নয়িে অনকে কথা প্রচলতি আছ।ে অতরিক্তি রাজনীতসিচতেনতা থকেইে আমরা যুগ যুগ ধরে বরিুদ্ধবাদী বা প্রতপিক্ষরে ঘরে আগুন দয়ো, লুটপাট চালানো, ধারালো অস্ত্রাঘাতে খুন করা দখেে এসছে।ি তবে জামায়াত-বএিনপি জোট সরকারই প্রথম দখোলো সংসদরে প্রধান বরিোধী দলরে পুরো নতেৃত্বকে কভিাবে নশ্চিহ্নি করে ফলোর চষ্টো করা যায়।
সইে রোমর্হষক ঘটনার বচিার হলো আজ। আওয়ামী লীগরে সভানত্রেী শখে হাসনিাকে হত্যার উদ্দশ্যেে ২১ আগস্ট চালানো গ্রনেডে হামলা মামলায় সাবকে স্বরাষ্ট্র প্রতমিন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পন্টিুসহ ১৯ জনরে মৃত্যুদণ্ড দয়িছেনে আদালত। এই মামলায় বএিনপরি ভারপ্রাপ্ত চয়োরম্যান তারকে রহমান, হারসি চৌধুরী, সাবকে সাংসদ কায়কোবাদসহ ১৯ জনরে যাবজ্জীবন দওেয়া হয়ছে।ে এছাড়া এ মামলার আসামি ১১ পুলশি ও সনো র্কমর্কতাকে বভিন্নি ময়োদে কারাদণ্ড দওেয়া হয়ছে।ে
২০০৪ সালরে ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগরে সমাবশেে ভয়াবহ গ্রনেডে হামলায় তৎকালীন বরিােধীদলীয় নত্রেী শখে হাসনিা ও আওয়ামী লীগরে নতোরা অলৌককি ভাবে বঁেচে গয়িছেলিনে। আইভি রহমানসহ আওয়ামী লীগরে ২৪ নতো-র্কমী নহিত হয়ছেলিনে। আহত হয়ছেলিনে শতাধকি। অনকেইে চরিতরে পঙ্গু হয়ে গছেনে। তাদরে অনকেইে আর স্বাভাবকি জীবন ফরিতে পারনেন।ি সদেনি বকিলেে সরকারী মদদে ইসলামি জঙ্গগিােষ্ঠী হরকাতুল জহিাদরে গ্রনেডে হামলায় আওয়ামী লীগরে সভানত্রেী শখে হাসনিাসহ দলরে মূল নতেৃত্ব নশ্চিহ্নি হয়ে গলেে কি হত তা ভবেে কুল পাওয়া যায়না।
তারকে রহমানসহ তৎকালীন বএিনপি নতেৃত্ব হয়তো ভবেছেলিনে আওয়ামীলীগকে নতেৃত্বশূণ্য করে তাদরে ক্ষমতায় থাকা চরিস্থায়ী করবনে। কন্তিু হুজরি মতো একটি ভয়ংকর জঙ্গি গোষ্ঠকিে দয়িে এমন কাজ করালে যে পরণিাম অপক্ষো করছলি তা নয়িে হয়তো তাদরে বড় ভাবনা ছলি না। প্রকৃতপক্ষে তারা নজিরোও ক্ষমতায় থাকতে পারতনে না, ক্ষমতা ছড়েে দতিে হতো জঙ্গদিরে হাতইে। জঙ্গদিরে শাসন চলতো। শখে হাসনিা সদেনি না বাঁচলে বাংলাদশে হয়ে উঠতো আরকে আফগানস্তিান বা পাকস্তিান।
২০০৪ থকেে ২০০৬ সাল র্পযন্ত বএিনপ-িজামায়াত জােট সরকাররে পক্ষ থকেে এমন অবশ্বিাস্য কথাও প্রচার করা হয়ছেলি যে আওয়ামী লীগ নজিরোই জনগণরে সহানুভূতি ও সর্মথন পতেে সইে গ্রনেডে হামলা চালয়িছেলি। ২০০৪ সালরে ১৫ সপ্টেম্বের জাতীয় সংসদওে জােট সরকাররে সাংসদরো ২১ আগস্ট আওয়ামী লীগরে সমাবশেে গ্রনেডে হামলার জন্য আওয়ামী লীগকে দায়ী করে বক্তৃতা দয়িছেলিনে। বএিনপি সইে নৃশংস হত্যাকাণ্ডরে জন্য আওয়ামী লীগ ছাড়াও প্রতবিশেী দশে ভারতকওে দায়ী করছেলি।
বএিনপ-িজামায়াত জােট সরকাররে সর্মথক বুদ্ধজিীবী চক্রও সভা-সমেনিারে একই সুরে বক্তব্য দয়ি,ে পত্রকিায় কলাম লখিে সইে মথ্যিা প্রচারে সহায়তাও করছেলিনে। কন্তিু ২১ আগস্ট গ্রনেডে হামলার সত্য প্রকাশ পয়েছে।ে জােট সরকাররে আমলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় নরিাপত্তা গােয়ন্দো সংস্থার তখনকার গুরুত্বর্পূণ ব্যক্তরিা প্রত্যক্ষ ও পরােক্ষভাবে এ ধরনরে মথ্যিা তথ্য সরবরাহ করছেলিনে, প্রচার করছেলিনে। চারদলীয় জােট সরকাররে গঠতি এক সদস্যরে বচিার বভিাগীয় কমশিনরে প্রধান বচিারপতি জয়নুল আবদেীন তার প্রতবিদেনে প্রায় একই কথা বলছেলিনে।
আদালতে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণতি হয়ছে,ে বএিনপি নতেৃত্বাধীন চারদলীয় জােট সরকার জনেশেুনে সর্ম্পূণ উদ্দশ্যেপ্রণােদতিভাবে ঘটনা এবং উগ্র জঙ্গগিােষ্ঠী ও প্রকৃত আসামদিরে আড়াল করার চষ্টো করছেলি। তৎকালীন জােট সরকাররে উচ্চর্পযায়রে পরার্মশইে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, জাতীয় নরিাপত্তা গােয়ন্দো সংস্থা, সআিইডি ও পুলশিরে তখনকার উচ্চপদস্থ র্কমর্কতারা হুজকিে দয়িে এই ঘটনা ঘটয়িে পরর্বতীতে আবার গ্রনেডে হামলার তদন্তকে ভন্নি খাতে প্রবাহতি করার চষ্টো করছেলিনে।
জােট সরকাররে সাবকে প্রধানমন্ত্রী বগেম খালদো জয়িা প্রতরিক্ষা গােয়ন্দো মহাপরদিপ্তরকে সে সময়ে ২১ আগস্টরে গ্রনেডে হামলা সর্ম্পকে কােনাে তদন্ত করতে নষিধে করছেলিনে। বগিত সময়কালে যখন শখে হাসনিা ও আওয়ামী লীগরে নতেৃত্বকে হত্যা করতে ২১ আগস্টরে গ্রনেডে হামলার মতাে অবশ্বিাস্য ভয়াবহ ঘটনাবলরি সব তথ্য বরে হয়ে এসছে,ে তখন এটা সত্যি বশ্বিাস করা কঠনি হয়ে পড়ে যে একটি নর্বিাচতি সরকার ও নতেৃত্ব কীভাবে তাদরে প্রতপিক্ষ শক্তকিে ধ্বংস করতে কী নর্লিজ্জভাবে সত্যকে উল্টােপথে পরচিালতি করতে পার!ে
রাষ্ট্রপক্ষরে আইনজীবী মোশাররফ হোসনে কাজল বলছেনে, ২০০৪ সালরে ২১ আগস্ট গ্রনেডে হামলার ‘প্রধান রূপকার’ তারকে রহমান। তনিি পছেন থকেে সব কল কাঠি নড়েছেনে। মুক্তযিুদ্ধরে পক্ষরে শক্তকিে নশ্চিহ্নি করতইে গ্রনেডে হামলার পরকিল্পনা করা হয়। আর এ পরকিল্পনার অংশ হসিবেে পাকস্তিান থকেে গ্রনেডে, র্অথ ও প্রশক্ষিতি লোক আনা হয়।
২১ আগস্ট গ্রনেডে হামলা মামলা কোনো সাধারণ ঘটনা নয়। সাধারণ কোনো প্রক্ষোপট নয়। এটি অনকে বড় চক্রান্তরে একটি অংশ। এ মামলার আসামরিাও কোনো সাধারণ ব্যক্তি নন। তারা প্রত্যকেইে গুরুত্বর্পূণ ব্যক্ত।ি এ ঘটনায় প্রত্যকে ব্যক্তইি জড়তি ও অপরাধী।
২১ আগস্টরে গ্রনেডে হামলা চালানো হয় মুলত দুটি কারণ।ে প্রথমটি হচ্ছ-ে বঙ্গবন্ধু কন্যা শখে হাসনিাসহ মুক্তযিুদ্ধরে পক্ষরে নতেৃত্বকে হত্যা করা, দ্বতিীয়তটি হচ্ছ-ে বাংলাদশেকে পাকস্তিান রাষ্ট্র বানানো। পৃথবিীর অনকে দশেইে রাজনতৈকি দাঙ্গা বা গোলামাল হয়ে থাক।ে কন্তিু ২১ আগস্টরে হামলা এটি কোনো সাধারণ ঘটনা নয়।
সন্ত্রাসী রাজনীতকি যখন যাবতীয় রাজনতৈকি মতার্দশ হতে বযিুক্ত হয়ে পড়,ে তখন জঙ্গি হামলাই আর্দশ হয়ে উঠ।ে সইে সময়রে বএিনপরি নতেৃত্বরও সে অবস্থাই হয়ছেলি। জামাতসহ জঙ্গদিরে সাথে নানা সমীকরণ মলোতে মলোতে এক সময় তারা বুঝতে শুরু করলনে দশেরে রাজনীততিে প্রাসঙ্গকি থাকতে হলে তাদরে জঙ্গদিরে আরও কাছে টানতে হব।ে আর সে কারণইে জামাত-বএিনপি সরকাররে পুরো সময়টইি ছলি জঙ্গদিরে পৌষ মাস। হংিসা, সন্ত্রাস ও সশস্ত্র হামলার প্রতি আর্কষণ কবেল বড়েইে চলছেলি।
আওয়ামীলগিরে পক্ষে জঙ্গি জহোদি মতার্দশ ও র্কমসূচি সর্মথন করার প্রশ্ন নইে। তাই জঙ্গদিরে সাথে তার বরৈতিা চলবইে। আওয়ামীলগিকে দমাত,ে তথা অসাম্প্রদায়কি আর্দশকে ঠকোতে বএিনপকিে বছেে নতিে হয়ছেলি তালবিানি দাওয়াই। আর তার পথ ধরইে একুশে আগস্টরে হামলা।
আজ বচিার হলো। কন্তিু আমরা জানি বচিার শষে হয়ন।ি উচ্চ আদালত হয়ে বচিার সর্ম্পূণ হতে সময় লাগব।ে অপরাধীদরে শাস্তি নশ্চিতি হোক। বচিার র্প্রাথীর র্দীঘশ্বাস আর যনে র্দীঘায়তি না হোক।

