শাহরাস্তি প্রতিনিধি ঃ
শাহরাস্তির উপজেলার মেহের উত্তর ইউনিয়নে অবস্থিত বানিয়াচোঁ গুচ্ছগ্রাম (আর্দশ গ্রাম) তদন্ত শেষে সীমানা নির্ধারনের কাজ চলছে । অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ১৯৮৮ সালে তৎকালীন মহামান্য রাষ্ট্রপতি জেনারেল হুসাইন মুহাম্মদ এরশাদ শাহরাস্তি উপজেলার কৃতি সন্তান ড. আবদুস সাত্তার এর সার্ভিক সহযোগিতায় বানিয়াচোঁ গুচ্ছ গ্রামে ১৫টি ভূমিহীন পরিবারের জন্য খাস জমিতে গুচ্ছ গ্রাম প্রতিষ্ঠিত করেন। সর্বমোট ৪ একর ৭২ শতক জায়গা গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অধিগ্রহন করেন ২৯-১২-১৯৮৬ইং সালে, যার কেস নথি নং- ১৬৭ ও ১৬৮/৭৩-৭৪, ৫/৮৫-৮৬ এবং জেএল নং ৩৬৩ । ১৫টি পরিবারের মাঝে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষে চাঁদপুর জেলা প্রশাসককে ক্ষমতা প্রদানের মাধ্যমে ১৫টি আবাস উপযোগী ঘর নির্মাণ এবং ভূমিহীনদের ব্যবহারের স্বার্থে ১টি পুকুর খনন করে দেওয়া হয়। এর ফলে ভূমিহীন সকল সদস্যগণ বাংলাদেশ সরকারের পোষ্য হিসাবে ১৪/১১/১৯৯২ইং তারিখে উক্ত ভূমিহীনদেরকে ৪ একর ৭২ শতক জায়গা স্থায়ীভাবে ভোগদখল বুঝিয়ে দেওয়া হয়।
উক্ত সম্পত্তি দাবী করে মেহের উত্তর ইউনিয়নের নায়নাগর গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের পুত্র মোঃ জাকারিয়া আল মাহমুদ হেলাল ভূমিহীনদেরকে বিভিন্ন মামলা মোকদ্দমা দিয়ে দীর্ঘদিন যাবত হয়রানি করে আসছে। ভূমিহীনরা একজোট হয়ে উক্ত ব্যক্তি হতে মুক্তিপেতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের অভিযোগ প্রেরন করেন। উক্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত ১৮ জানুয়ারী শাহরাস্তির সহকারী কমিশানার ভূমি মোছাঃ জেসমিন আকতার বানু স্বরজমিনে তদন্ত করেন। তদন্ত শেষে গত ১১ ফেব্র“য়ারী গুচ্ছগ্রামের সীমানা নির্ধারনের কাজ শুরু হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ভূমি কার্যালয়ের কানুনগো মোঃ মিজানুর রহমান, ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা মোঃ আব্দুল মান্নান, উপজেলা ভূমি অফিসের সার্ভেয়ার মোঃ শহীদ উল্যাহ, গুচ্ছ গ্রামের পক্ষে চট্রগ্রাম বিভাগ চেয়ারম্যান, কেন্দ্রীয় ভাইস চেয়ারম্যান মানবাধিকার সংস্থা (ইউনিটি ফর ইউনিভার্স হিউম্যান রাইটার্স অফ বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন) ও প্রভাষক ডাঃ খন্দকার শামছুল আলম সুজন, মানবাধিকর সংস্থার শাহরাস্তি উপজেলা শাখার চেয়ারম্যান মোঃ শাহাদাত হোসেন ও সাংবাদিকসহ এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
ক্যাপসন ঃ শাহরাস্তির বানিয়াঁেচৗ গুচ্ছগ্রামের সীমানা নির্ধারনের কাজ চলছে। ছবিঃ শাহরাস্তি প্রতিনিধি।
