
জেলা বিএনপির আহ্বায়খ শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের সভাপতিত্বে ও যুগ্ম আহহ্বায়ক মনির চৌধুরীর পরিচালনায় বক্তারা বলেন, আমরা পদের জন্য রাজনীতি করি। কিন্তু শফিকুর রহমান ভূইয়া পদের চেয়ে বড় মাপের নেতা ছিলেন। তিনি দীর্ঘদিন পথ পদবী থেকে দূরে থাকলেও বিএনপিতে তিনি বড় নেতা ছিলেন। নির্বাচনকে ঘিরে চাঁদপুরে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। আর তা করেছেন সফিকুর রহমান ভূইয়া। তিনি ছিলেণ আমাদের মনের মনিকোঠায়। মোবাইলে কল করলেই তিনি বলতেন তুই কই। এ তুই শব্দটা ছিল সবচেয়ে আপন করে কাছে নেওয়া। আপনারা জানেন, সফিক ভূইয়া কী? তার মৃত্যুতে আমরা সবাই শোকাহত। আজ তিনি না থাকায় বিএনপির অনেক শূন্যতা। শহরের কোড়ালিয়া রোড, নিশি বিল্ডিং, লঞ্চ ঘাটে যাতায়াতের রাস্তাটি করেছিলেন সফিকুর রহমান ভূইয়া, চাঁদপুর পৌরসভার চেয়ারম্যান থাকাকালে।
আজ সেই এলাকায় বিদ্যুৎ ও পানি সমস্যা দূর হয়েছে। এই সড়কটি দিয়ে এখন মানুষ লঞ্চ ঘাটে যাতায়াত করতে পারছে। এটি ছিল সফিক ভূইয়ার সবচয়ে বড় অবদান। সফিকুর রহমান ভূইয়া অবসর থাকলে গুনগুনিয়ে একটি গানই গাইতেন। সেটি হলো গ্রামের নওজোয়ান, হিন্দু মুসলমান মিলিয়া বাউলা গান আর মুর্শিদী গাইতাম। আজও এইসব স্মৃতি চোখের ফটে ভেসে উঠে। সফিকুর রহমান ভূইয়া চার দশক ধরে রাজনীতিতে সম্পৃক্ত ছিলেন। তিনি ছাত্র দল দিয়ে রাজনীতি শুরু করেছিলেন। মৃত্যুর পূর্ব পর্যন্ত তিনি জাতীয়তাবাদী দলের সাথে সম্পৃক্ত ছিলেন। সফিকুর রহমান ভুইয়া দীর্ঘদিন জেলা বিএনপির রাজনীতি থেকে দূরে ছিলেন। তবুও তিনি আন্দোলন সংগ্রামে সম্পৃক্ত ছিলেন।
চাঁদপুর পৌরসভার নির্বাচনকে ঘিরে সফিকুর রহমান ভূইয়া নিজ উদ্যোগে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শেখ ফরিদ আহমেদ মানিকের সাথে আলোচনা করেই বিএনপিকে চাঁদপুরে ঐক্যবদ্ধ করেছে। আজ তিনি নেই এই ঐক্যবদ্ধ যেন শক্তিতে রূপ নেয়। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম ্আহ্বায়ক অ্যাড. সলিম উল্লাহ সেলিম, নাগরিক ঐক্যের সভপতি অ্যাড. ফজলুল হক সরকার, জেলা গণফোরামের সভাপতি অ্যাড. সেলিম আকবর, প্রবীণ বিএনপি নেতা আব্দুল হামিদ মাস্টার, জেলা বিএনপির সাবেক আহবায়ক সফিউদ্দিন আহমেদ, অ্যাড. ইকবাল বিন বাশার, ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি শরীফ মোঃ ইউনুছ, চাঁদপুর সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি অ্যাড. জহির উদ্দিন বাবর, চাঁদপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এ.এইচ.এম আহসান উল্লাহ, সদর থানা বিএনপির সভাপতি অ্যাড. জাহাঙ্গীর হোসেন খান, সদর থানা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. শামসুল ইসলাম মন্টু, চাঁদপুর সরকারি কলেজের সাবেক জিএস মোশারফ হোসেন, জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক রাফিউস শাহাদাত ওয়াসিম, জেলা যুব দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আফজাল হোসেন, জেলা যুবদলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মানিকুর রহমান মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক ফয়সাল আহমেদ বাহার, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কাজী মো্ ঃইব্রাহিম জুয়েল, জেলা যুবদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান আকাশ, শাহরাস্তি পৌরসভার সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তফা কামাল, হাইমচর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মাজহারুল ইসলাম শফিক, মতলব উত্তর দক্ষিণ উপজেলা সহ-সভাপতি সফিকুল ইসলাম, মতলব পৌর বিএনপির সভাপতি শোহেব আহমেদ সরকার, মতলব উত্তর উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক নুরুল হক জিতু, জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক হযরত আলী, জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি নজরুল ইসলাম বাদল, সাধারণ সম্পাদক হাবিবুর রহমান ভূইয়া, জেলা ছাত্রদলের সাবেক নেতা সফিউদ্দিন বাবলু, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি ইমাম হোসেন গাজী, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন গাজী, ওলামা দলের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাওলানা জসিম উদ্দিন। এছাড়া মরহুম সফিকুর রহমান ভূইয়ার পরিবারের পক্ষে বড় কন্যা শারমিন আক্তার জুই পিতার কর্মজীবন নিয়ে স্মৃতিচারণ করেন। সবশেষে বেগম জামে মসজিদের খতিব মুফতি মাহবুবুর রহমান দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করেন।
আজ,
রবিবার , ৩ মে, ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দ , ২০ বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দদুপুর ২:৩০
নোটিশ বোর্ড
সর্বশেষ
প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
