কচুয়া ব্যুরো-
কচুয়ার রহিমানগর উত্তর বাজারে যুবলীগ নেতা গোলাম হোসেন গোলাপের দোকানে হামলা ও ভাংচুর করার ঘটনা ঘটেছে। গত বুধবার সাড়ে ১১টার দিকে কতিপয় সন্ত্রাসীরা এ হামলা করে। হামলায় গোলাপ হোসেনের দোকানের ৩ শ্রমিক গুরুতর আহত হয়েছে। আহতরা হচ্ছেন, বলরা গ্রামের আঃ করিমের পুত্র শাহাপরান (১৬), ছিদ্দিক পাটওয়ারীর পুত্র ফারুক হোসেন (৪৫) ও পাড়াগাঁও গ্রামের হাসিম মিয়ার পুত্র আক্তার হোসেন (২৫)।
জানা গেছে, উপজেলার বলরা গ্রামের অধিবাসী আঃ লতীফ পাটওয়ারী গংরা চাঁদপুর জেলা পরিষদ থেকে ১০ শতাংশ ভূমি লীজ এনে রহিমানগর উত্তর বাজারে দোকান নির্মান করে। আঃ লতীফ গংদের পক্ষে স্থানীয় ভাবে ওই দোকানের দেখা শোনার দায়িত্ব পালন করছেন তাদের স্বজন যুবলীগ নেতা গোলাম হোসেন গোলাপ। গোলাপ হোসেন জানান, গত বুধবার আমার দোকান ভাংচুরের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসি। কিছুক্ষন পর সন্ত্রাসীদের একজন আমাকে দেশীয় অস্ত্র উচিয়ে মোটা অংক চাঁদা দাবী করে। হামলাকারীরা এসময় দোকানের শ্রমিকের মারধর করা ছাড়াও দু’পাশের দেয়াল ভাংচুর, টিভি ভাংচুর করে প্রায় ১লক্ষ টাকার ক্ষতিসাধন করে। তিনি আরও দাবী করেন, বিগত দু’বছর আগেও ওই সন্ত্রাসীরা দোকান নির্মান কালে বাধা প্রদান করে। এদিকে যুবলীগ নেতা গোলাপ হোসেনের হামলা ও ভাংচুরের ঘটনায় কচুয়া থানার সেকেন্ড অফিসার (এসআই) মোঃ সাদেকুর রহমান সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌছে হামলাকারীদের ধাওয়া করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এ ঘটনায় রহিমানগর এলাকায় থমথমে উত্তেজনা বিরাজ করছে।
