নিমন্ত্রন দিয়ে নিমন্ত্রন ফেরত…?
আমার কণ্ঠ রিপোর্ট
গতবুধবার(২৯ মার্চ) হাজীগঞ্জ পৌরসভার মেয়র আ,স,ম মাহবুব উল আলম লিপনের পে থেকে হাজীগঞ্জ সিনিয়র সাংবাদিকদের কে ডাকা হয় পৌরসভার অতিথি রুমে। সাংবাদিকরা বুঝে উঠতে পারছেন না কি জন্য ডাকা হয়েছে। সাংবাদিকরা অতিথি রুমে গেলে কিছুনের মধ্যে পৌরসভার মেয়র হাতে একটা ফাইল নিয়ে অতিথি রুমে আসেন এবং সাবার সাথে কৌশল বিনিময় করেন। পরে তিনি তার বক্তব্য বলেন হাজীগঞ্জ মডেল কলেজ এ দখলকৃত ৯৫ শতাংশ জায়গা আমিন মিয়ার স্ত্রী ইয়াকুতু নেছার। তার স্বামী আমিন মিয়া পাকিস্তান আমল বা এর পরে এ জায়গা ৩নং ইউনিয়ন বোর্ডের কাছে ৮৪ শতাংশ দান করে দেন (যদিও এ দান করা সঠিক না, কারণ জায়গার মালিক স্ত্রী)। তার পরেও পারিবারিক ভাবে এ জায়গার দাবী তোলা হয়নি। ইউনিয়ন বোর্ড থেকে পৌরসভা । নিময় অনুযায়ী এ জায়গা চলে আসে পৌরসভার নামে এবং পৌর সভার ৬নং ওয়ার্ড এর ঠিকানায়। তখন শর্ত ছিল ইউনিয়ন বোর্ড ব্যবহার না করলে জায়গা মালিক হবেন দানতৃতরা। পরে এ জায়গার হাজীগঞ্জ মডেল কলেজ স্থাপিত হলে মডেল কলেজ দীর্ঘ বছর জোর করে দখল করে রাখে। এলাকার স্বার্থে আমরাও এটা নিয়ে মাথা ঘামাইনি। যা দান করেছি তা ফেরত চাই না। এ জায়গা উদ্ধারের জন্য সাবেক মেয়র মডেল কলেজের বিরুদ্ধে একটি মামলা করে। যা বিচারাধীন রয়েছে। এমনকি মডেল কলেজের অধ্যসহ শিক ছাত্রছাত্রীরা আন্দোলন করেছে।
গত পৌরসভার নির্বাচনের আগে আমি গনসংযোগ করতে গেলে মডেল কলেজের অধ্যসহ শিকরা আমার কাছে দাবী করেছেন আমি মেয়র হলে কলেজের সুবিধার জন্য এ জায়গা দিতে হবে। আমি বলছি বিষয়টা আমি দেখবো। আমি নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব গ্রহনের পর মডেল কলেজের প্যাডে অধ্যর স্বারে এ জায়গা দেয়া জন্য আবেদন করেন। তার আবেদনের প্রেেিত আমি পৌর কাউন্সিলারাসহ একাধিকবার মিটিং করি। এ মিটিং এ প-বিপ থাকার পরও কলেজ যেহেতু আমার ওয়ার্ডে এবং কলেজটির সুনাম রয়েছে পাশাপাশি কলেজের ছাত্রছাত্রীরা আমার এলাকার এবং কলেজটি ইতি মধ্যে জাতীয়করণ করা হয়েছে, তাই আমি কলেজকে শর্তস্বাপেে জায়গা ব্যবহার করতে দিতে সম্মতি দিয়েছি। সে অনুযায়ী ২৫/০৯/২০১৬ খ্রিঃ শান্তিপূর্ণ ভাবে ভূমি ব্যবহারের অনাপত্তি পত্র দেই।
শর্তমধ্যে ছিল পৌরসভার নামে কলেজের পশ্চিম পাশের মঞ্চ এবং একটি লাইব্রেরীর নামকরণ করা হবে একটি ঝমকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে। এমনকি পৌরসভা এবং কলেজ যৌথভাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে বিষয়টি সাবইকে জানানো হবে। কিন্তু মডেল কলেজের অধ্য যৌথ সাংবাদিক করেন নি। অনুষ্ঠান করার জন্য কলেজ কর্তৃপ জায়গার মালিক এবং তা পারিবারিক সহল তথ্য আমার কাছ থেকে নেন। অনুষ্ঠান নিয়ে দুপ্রতিষ্ঠানের লোকদের মধ্যে বহুবার বৈঠকও হয়েছে এবং দিন তারিখ দেয়া হয় ২৯ মার্চ বুধবার সকাল ১০টায়। সে অনুযায়ী আমি এবং পৌরসভা সকল কাউন্সিলরা প্রস্তুতি নিতে শুরু করি। পৌরসভার নামে মঞ্চ ও লাইব্রেরী উদ্বোধনের জন্য ন্যাম প্লেট লাগানোর জন্য জায়গা তৈরি করা হয়েছে। কিন্ত হঠাৎ অজ্ঞাত করনে মডেল কলেজ কর্তৃপ অনুষ্ঠনের তারিখ পেছানোর জন্য আমার কাছে আসে। তখন আমার কাছে মনে হলো বিষয়টা জটিল দিকে যাচ্ছে। তার পরেও আমি এবং আমার কাউন্সিলররা শতভাগ প্রস্তুতি নিয়ে ২৯ মার্চ বুধবার নতুন সার্টগায়ে দিয়ে পৌরসভা আসলাম, আমরা মডেল কলেজে যাবো অনেক বড় একটা অনুষ্ঠানে এবং এ অনুষ্ঠানটি সরাসরি সম্প্রসারণ করা হবে টিভিতে। কিন্তু যখন দেখলাম অনুষ্ঠানের জন্য কোন আয়োজন কবা হয়নি তখন ভাবলাম আপনাদের(সাংবাদিকদের)সাথে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করা দরকার।
তিনি বলেন আমাদের সকলকে এভাবে অসম্মানিত করা সঠিক হয়নি। আমাদে সবার একটা সম্মান রয়েছে। তিনি কার ইশারায় এটা করেছে তার জবাব অধ্যসহ শিকরা দিতে হবে। আমাদরেকে ৮০মন ঘি দিয়ে নিতে চাইলেও আমরা আর এ ধরণের অনুষ্ঠানে যাবো না। তিনি ােভ প্রকাশ করে বলেন এটা কোন ধরণের ব্যবহার। দয়া করে আপনারা(সাংবাদিকরা) ঘটনাটা জানানার চেষ্ঠা করেন।
এসময় পৌরসভার প্যনেল মেয়র ও কাউন্সিল বৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ব্যপারে হাজীগঞ্জ মডেল কলেজের অধ্য ড. আলমগীর কবির পাটওয়ারীর সাথে বিষয়টা জানতে চাইলে তিনি বলেন মডেল কলেজের জন্য পৌরসভার মেয়রসহ কাউন্সিলরদের অনেক অবদান রয়েছে। এ মডেল কলেজ স্বীকার করে। আমরা তাদের এ অবদানের কথা বিবেচনা করে তাদেরকে একটি ঝকালো অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংবর্ধনা প্রদান করবো। এ নিয়ে মেয়রসহ পৌরসভার কাউন্সিলরদের সাথে কথা হচ্ছে। এখনো দিন তারিখ হয়নি। আমরা তাদের সকলের তথ্য সংগ্রহ করছি। সময় হলে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে সংবর্ধনা প্রদান করা হবে। ২৯ তারিখ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা ছিল এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন চুড়ান্ত কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। যদি হতো তাহলে আজকে(২৯মার্চ) অনুষ্ঠান হতো। কিন্তু চুড়ান্ত তারিখ না হওয়া আজ(২৯ মার্চ) অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়নি। এর জন্য যদি মেয়রসহ কাউন্সিলরা কষ্ট পেয়ে থাকেন তাহলে আমরা দুঃখিত এবং ব্যথিত। সময় হলে আমরা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাদেরকে সংবর্ধণা দিবো। এসময় মডেল কলেজের শিরা উপস্থিত ছিলেন।
