মানিক দাস, চাঁদপুর ॥
ফরিদগঞ্জের গোয়াল বাওর দক্ষিন গোবিন্দাপুরে বাকপ্রতিবন্ধি অসহায় শিশুকে জোরপুর্বক ধর্ষনের ঘটনা ধামাচাঁপা দিতে ধর্ষক পরিবার বিভিন্ন মহলের সাথে মোটা অংকের অর্থ লেনদেন করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। ধর্ষনের ঘটনাটি সকল মহলের সাথে রফাদফা হয়েছে, এই আত্ম বিশ্বাসে প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে প্রবাসি ইউসুফ গাজীর ছেলে ধর্ষক শামিম। অপরদিকে বাক প্রতিবন্ধি মেয়েটির চিকিৎসা ব্যয় নিয়ে হিমশিম খাচ্ছে হত-দরিদ্র শিশুটির পরিবার।
অসহায় বাকপ্রতিবন্ধী শিশুটির বয়স তের। তার বাবা আবুল বাশার পেশায় একজন কাঠমিস্ত্রী। বাকপ্রতিবন্ধী শিশুটি তার নানার বাড়ী থেকে নিজ বাড়ীতে যাচ্ছিলো। এ সময় তাকে জোর পূর্বক টেনে হিঁচরে গোবিন্দাপুরের প্রবাসি ইউসুফ গাজী বাড়ীর টয়লেটের পিছনে বাগানে নিয়ে, মুখে চাঁপা দিয়ে ধর্ষণ করেছে স্থানীয় প্রভাবশালী লম্পট যুবক শামীম। বাক প্রতিবন্ধী মেয়েটিকে ধর্ষণের পর ফেলে রেখে চলে যায় শামীম। মেয়েটি তার বাড়ীতে গিয়ে মুখাভিনয়ের মাধ্যমে ধর্ষক শামীমের বর্ণনা দেয়। এর পর স্থানীয়রা শামীমকে বাক প্রতিবন্ধী মেয়েটির সামনে আনলে সে তাকে চিহ্নিত করে। লোমহর্ষক মর্মান্তিক এ ঘটনাটি ঘটেছিলো, গত বুধবার বিকাল সাড়ে ৩ টায় চাঁদপুর জেলাধীন ফরিদগঞ্জ উপজেলার গোয়াল বাওর দক্ষিন গোবিন্দাপুর হাওয়া কান্দি এলাকায়। ধর্ষক শামীমের পরিবার স্থানীয় প্রভাবশালী হওয়ায় তারা মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে ঘটনাটিকে ধামাচাপা দেওয়ার জন্য নামধারি মানবাধিকার চক্র, কতিপয় ভুয়া সাইনবোর্ডধারি পত্রিকার কার্ডধারি সাংবাদিক ও স্থানীয় পঞ্চায়েত বিচারক মহলকে সহ আরো কয়েকটি মহলকে ম্যানেজ করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়। বাকপ্রতিবন্ধি তের বছরের এ শিশুকে জোরপুর্বক ধর্ষনের পর গুরুতর অবস্থায় বৃহস্পতিবার দুপুরে তার অভিভাবকরা চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে এনে ভর্তি করিয়েছে। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক সূত্রে জানাযায়, গত দু‘দিন অতিবাহিত হলেও বাক প্রতিবন্ধি মেয়েটির রক্তক্ষরন থামছেনা। লোমহর্ষক মর্মান্তিক এ ঘটনাটিকে ধামাচাঁপা দিতে এক শ্রেণীর দালাল চক্র অসহায় প্রতিবন্ধি শিশুটির বাবা মাকে বিভিন্ন ভয় ভিতি দেখাচ্ছে বলে জানাযায়।
বাকপ্রতিবন্ধি মেয়েটির বাবা ও তার পরিবারের লোকজন জেলা পুলিশ সুপার মোঃ আমির জাফরের কাছে আকুল আবেদন জানান, ধর্ষক শামীমের মতো এ ধরনের নরপশুরা যেন আইনের হাত থেকে রেহাই না পায়। যে করেই হোক অতি দ্রুত তাকে আটক করে আইনের আওতায় এনে যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হয়। যাতে করে ভবিষ্যতে আর এ ধরনের ন্যাক্কারজনক ঘটনা না ঘটতে পারে।
