কচুয়া প্রতিনিধি-
কচুয়া-ঢাকা-গৌরিপুর সড়কের সাচার এলাকায় চুরি, গণ ডাকাতি বৃদ্ধি পেয়েছে। দু’এক দিন পর পর এই এলাকায় সংঘবদ্ধ ডাকাতির ঘটনা বেড়েই চলেছে। ডাকাতদের কবল থেকে গর্ভবতী মহিলা, রোগী ও লাশবাহী গাড়ি, পেশাজীবি লোকজনও শেষ রক্ষা পায়নি। পুলিশ প্রতিনিয়ত ডাকাতির সাথে জড়িত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।
জানা গেছে, গত রবিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে হঠাৎ ঘন কুয়াসার মধ্যে কচুয়া উপজেলার বাতাপুকুরিয়া থেকে একটু দক্ষিনে ১৫ থেকে ২০টি সিএনজি-মাইক্রো ব্যারিকেট দিয়ে গাড়ি থামিয়ে একদল ডাকাত যাত্রী ও চালকদের মারধর করে হাত-পা বেধে তাদের স্বর্নালংকার, নগদ টাকা ও মুল্যবান মালামাল নিয়ে যায়। কৌশল হিসেবে ডাকাতরা রাস্তায় খড়ের গাদা ফেলে স্তুপ করে গাড়ি থামিয়ে যাত্রী ও চালকদের হাত-পা বেধে জিম্মি করে মালামাল লুটে নেয়। এদিকে ওই দিন রাতে বে-সরকারি চ্যানেল আই’র একটি গাড়ি ডাকাতদের কবলে পড়ে। ডাকাত দল চ্যানেল আই’র গাড়ি ভাংচুর করে তাদের সাথে থাকা স্বর্নালংকার সহ মালামাল নিয়ে যায়। তাৎক্ষনিক ঘটনাটি কচুয়া থানার পুলিশকে অবহিত করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছতে দেরি হলে ডাকাতরা পালিয়ে যায়। এদিকে গত ১৮ নভেম্বর ঘাঘরা গ্রামে হিন্দু সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তির বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি সংঘঠিত হয় এবং গত ২০ নভেম্বর বৃহস্পতিবার রাতে একই সড়কের দাউদকান্দি উপজেলার ইটাখোলা এলাকায় হাজীগঞ্জ উপজেলার পিরোজপুর গ্রামের মিজানুর রহমান নামের এক ব্যক্তির লাশবাহী গাড়িতে সংঘবদ্ধ ডাকাত দল সবকিছু লুটে নিয়ে যায়। অপর দিকে শীতকে সামনে রেখে কচুয়া-সাচার-গৌরিপুর সড়কে ঘন ডাকাতির ঘটনায় আতংকে দিন কাটছে এলাকাবাসীর। ডাকাতি সংঘঠিত এলাকা গুলো বিশেষ করে বাতা পুকুরিয়া, বায়েক-ছেলাকান্দা, বাছাঁইয়া সহ ডাকাতি স্পর্ট গুলোতে পুলিশী তৎপরতা বৃদ্ধি করতে প্রশাসনের প্রতি সু-দৃষ্টি কামনা করেছে এলাকাবাসী।
