আমার কণ্ঠ রিপোর্ট
হাজীগঞ্জের হিন্দু সম্প্রদায়ের সব চেয়ে বড় ধর্মিও প্রতিষ্ঠান হাজীগঞ্জ রাজা লী নারায়ণ জিউর আখড়া। এ প্রতিষ্ঠানটি শত বছর যাবত শান্তিপূর্ণ ভাবে চলে আসলেও গত ৮ বছর যাবত এ ধর্মী প্রতিষ্ঠানটির মধ্যে হিন্দু সম্প্রদায়ের দুগ্র“পের মধ্যে দ্বন্ধ শুরু হয়। এ দ্বন্ধ নিরসনের জন্য স্থানীয় ভাবে মিট করার জন্য বহু চেষ্ঠা করা হলেও বর্তমান কমিটির লোকজন কোন অবস্থাতেই তা মানতে রাজি না। শেষ পর্যন্ত আখড়া কমিটি নিয়ে আপর প আদালতে মামলা দায়ের করেন। আদালত উপজেলা কৃষি অফিসারকে রিসিভার হিসাবে দায়িত্ব দেয়। কৃষি অফিসার এ দায়িত্ব পালন করতে গেলে বর্তমান কমিটির লোকজন দায়িত্ব প্রাপ্ত কর্মকর্তাকে লাঞ্ছীত করে। এ নিয়ে আরো উত্তেজিত হয়ে যায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে। এর পর পর ই দুগ্র“পে আবারো নতুন করে আরেকটি করে কমিটি গঠন করলে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে দাঙ্গা ভাব সৃষ্টি হয় এবং উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। কিন্তু ধর্মী কাযক্রম পরিচালনার জন্য কৃষি কর্মকর্তা চালিয়ে আসলেও বর্তমান কমিটি আদালতে রিসিভার স্থগিতাদেশ নিয়ে আসেন। পরে উভয় প আবারো আদালতে গেলে আদালত গত সোমবার এ প্রতিষ্ঠানকে দেখবাল করার জন্য নিদের্শ দেন। কিন্তু বর্তমান কমিটি কোন নিয়ম না মেনে নিজ ইচ্ছায় বাষরিক অনুষ্ঠান আয়োজন করে এবং অপর কমিটিও একই দিনে বাসরিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। এ আয়োজনকে কেন্দ্র করে দু পরে মধ্যে আরো উত্তেজিত হয়ে পড়ে। গত কাল ৪ এপ্রিল উপজেলা প্রশাসনের প থেকে সমাধান করতে চাইলেও বর্তমান কমিটির লোকজন না মেনে চলে আসে। প্রশাসন আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রন ও মানুষের শান্তি নিশ্চিত করার লে জেলা প্রশাসনকে পুরো ঘটনা অবহিত করলে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ সুপার হাজীগঞ্জ উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তাকে ১৪৪ধারা জারি করার জন্য নিদের্শ প্রদান করেন। এর প্রেেিত উপজেলা নির্বার্হী কর্মকর্তা মোঃ মাহবুবুল আলম মজুমদার আজ(৫এপ্রিল) ১৪৪ ধারা জারি করে হাজীগঞ্জ বাজারে মাইকিং করেন। এবং উভয় পকে শান্তি শৃঙ্খলা ও এ নিদেশ পালন করার জন্য নির্দেশ দেন। যারা এ নিদেশ পালন করবে না তার বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যকস্থা গ্রহন করা হবে বলে নিদের্শ প্রদান করেন।
