গত শনিবার সকাল ১০টা থেকে ১টা পর্যন্ত চাঁদপুর জেলা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে জেলা সম্মিলিত মানবাধিকার পরিষদের উদ্যোগে দেশে পেট্রোল বোমায় মানুষ পুড়িয়ে হত্যা, খেটেখাওয়া অসহায় মানুষদের কর্মে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা, শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম ব্যাহত করা ও নৈরাজ্যের প্রতিবাদে প্রতিকীয় অনশন অনুষ্ঠিত হয়েছে। জেলা সম্মিলিত মানবাধিকার পরিষদের সভাপতি ও সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আলহাজ্ব ইউসুফ গাজীর সভাপতিত্বে ও সম্মিলিত মানবাধিকার পরিষদের মহাসচিব ডাঃ শেখ মহসিন ও দপ্তর সম্পাদক মোঃ বিপ্লব সরকারের যৌথ পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন, বামাকা চাঁদপুর জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক মোঃ কামাল পাটওয়ারী, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তাফাজ্জল হোসেন এসডু পাটওয়ারী। জেলা আইনজীবি সমিতির সভাপতি অ্যাডঃ জহিরুল ইসলাম। জেলা বিএমএ-এর সভাপতি ডাঃ হারুন অর রশিদ সাগর। জেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অ্যডঃ রণজিত রায় চৌধুরী। বাংলাদেশ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাংগঠকি সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বিল্লাল। সাবেক ছাত্র নেতা মাহফুজুর রহমান টুটুল। বামাকার সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মুরাদ হোসেন খান, বিশিষ্ট সমাজসেবক বাবুল হোসেন মিজি। এনপিএস’র সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম খান। মানবাধিকার কমিশনের সাংগঠনিক সম্পাদক চন্দনাথ ঘোষ চন্দন। আইএসএএস উপদেষ্টা মঞ্জুর মোরশেদ। আইএইচসিআর উপদেষ্টা ফেরদৌস মুর্শেদ জুয়েল। শিক্ষক নেতা মাওলানা জাকির হোসেন হিরু। বামাকা জেলার যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলী মাঝি। এশিয়া ছিন্নমূল মানবাধিকার সংস্থার জেলা সভাপতি সালাউদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক এম.কে এরশাদ। বামাকার দপ্তর সম্পাদক ছাত্তার ছিদ্দিকী, যুব নেতা কামাল হোসেন। বামাসের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক, মুুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের সভাপতি আবদুল মান্নান, প্রচার সম্পাদক মোবারক গাজী, মাসুদ হাজরা, অর্থ সম্পাদক মারুফ হাওলাদার, সাংবাদিক এসএম মহসিন, সুজন আহমেদ, মজিব মিজি, মারুফ হাওলাদার, আল-আমিন পাঠান, বাপ্পী, সফিক, আকাশ, নজরুল ইসলাম খান, সাংবাদিক জাকির খান, মানিকুর রহমান, সফিক গাজী, ডাঃ রুহুল আমিন, কাজী আবু হাসনাত, অবসর প্রাপ্ত সার্জন আবু তাহের। বামাকা শহর শাখার সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মিজান লিটন, এসএম সোহেল প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে কুরআন তিলাওয়াত করেন, সাংবাদিক ও মানবাধিকার কর্মী এমএম কামাল। কবিতা আবৃত্তি করেন সাংবাদিক ও নাট্যকার মুহাম্মদ আলমগীর হোসেন। অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে আলহাজ্ব ইউসুফ গাজী বলেন, আর যেন একটি মানুষও পুড়িয়ে হত্যা করা না হয়, আর যেন খেটে খাওয়া মানুষের কর্মের প্রতিবন্ধকতা করা না হয়, আর যেন ছাত্র-ছাত্রীদের পড়া-লেখা ব্যহত করা না হয়। এসকল নৈরাজ্য, সন্ত্রাসী তান্ডব, মানবাধিকার লঙ্ঘন করার মত অপতৎপরতা অব্যাহত থাকে তাহলে মানবাধিকার কর্মীরা এবং সমাজের নিরীহ লোকদের নিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।
