২৬ আগস্ট ২০২১,
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির ২০২০ অর্থবছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব নির্বাচন কমিশনে জমা দিয়েছে দলটি।
বৃহস্পতিবার বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক এমরান সালেহ প্রিন্সের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল ২০২০ অর্থবছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব ইসিতে জমা দেয়।
হিসাব জমা দেওয়ার পর এমরান সালেহ প্রিন্স সাংবাদিকদের জানান, ২০২০ সালে বিএনপির আয় হয়েছে এক কোটি ২২ লাখ ৫৩ হাজার ১৪৯ টাকা। ব্যয় এক কোটি ৭৪ লাখ ৫২ হাজার ৫১৩ টাকা। আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি হয়েছে ৫১ লাখ ৯৯ হাজার ৩৬৪ টাকা। যা বিএনপির তহবিল থেকে খরচ করা হয়েছে।
২০১৯ সালে বিএনপির আয় ছিল ৮৭ লাখ ৫২ হাজার ৭১০ টাকা। ব্যয় ছিল দুই কোটি ৬৬ লাখ ৮৬ হাজার ১৩৭ টাকা। ওই বছর আয়ের চেয়ে ব্যয় বেশি ছিল এক কোটি ৭৯ লাখ ৩৩ হাজার ৪২৭ টাকা।
পরে উপস্থিত সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এমরান সাহে প্রিন্স বলেন, অবাধ নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করা নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব, কিন্তু গত ২০১৪ এবং ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনসহ অন্যান্য উপ-নির্বাচন, স্থানীয় সরকার নির্বাচনে প্রমাণিত হয়েছে যে, বর্তমান সরকার এবং তাদের অনুগত নির্বাচন কমিশন এ সকল নির্বাচন নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠুভাবে করতে ব্যর্থ হয়েছে।
বর্তমান সরকার ও তাদের অনুগত নির্বাচন কমিশনের পক্ষে আর সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন করা সম্ভব নয়। তাই জনগণের ভোটাধিকার প্রয়োগ এবং লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড এর মাধ্যমে সকলের জন্য সমান সুযোগ সৃষ্টি করে নিরপেক্ষ ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্র, আইনের শাসন, জনপ্রতিনিধিত্বশীল সরকার ও সংসদ গঠন করতে নিরপেক্ষ সরকার ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশনের বিকল্প নাই।
প্রসঙ্গত, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুযায়ী নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোকে ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে পূর্ববর্তী অর্থবছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব (অডিট রিপোর্ট) ইসিতে জমা দেয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। তবে যদি কোনো দল এ নির্ধারিত সময় বাড়াতে চায়, তাহলে ইসির কাছে আবেদন করে সময় বাড়াতে পারে।
গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ অনুযায়ী পর পর তিন বছর দলের আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা না দিলে সংশ্লিষ্ট দলের নিবন্ধন বাতিলের বিধান রয়েছে।