<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:wfw="http://wellformedweb.org/CommentAPI/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
	xmlns:slash="http://purl.org/rss/1.0/modules/slash/"
	
	xmlns:georss="http://www.georss.org/georss"
	xmlns:geo="http://www.w3.org/2003/01/geo/wgs84_pos#"
	>

<channel>
	<title>সম্পাদকীয় &#8211; Amar Kantha</title>
	<atom:link href="https://amarkantha.com/category/%e0%a6%b8%e0%a6%ae%e0%a7%8d%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%95%e0%a7%80%e0%a7%9f/feed/" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>https://amarkantha.com</link>
	<description>The Weekly Amar Kantha</description>
	<lastBuildDate>Sun, 11 Dec 2022 10:44:18 +0000</lastBuildDate>
	<language>en-US</language>
	<sy:updatePeriod>
	hourly	</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>
	1	</sy:updateFrequency>
	<generator>https://wordpress.org/?v=5.7.16</generator>
<site xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">74975867</site>	<item>
		<title>কাজী মাহবুবুল আলম গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান</title>
		<link>https://amarkantha.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%80-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%ae-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%97/</link>
					<comments>https://amarkantha.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%80-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%ae-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%97/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[editor]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 11 Dec 2022 10:44:18 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[অন্যন্য]]></category>
		<category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[চাঁদপুর]]></category>
		<category><![CDATA[ছবির হাট]]></category>
		<category><![CDATA[টপ]]></category>
		<category><![CDATA[ঢাকার বাইরে]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[মিডিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[মুক্তমত]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষাঙ্গন]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<category><![CDATA[সারা দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[হাজীগঞ্জ]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://amarkantha.com/?p=11341</guid>

					<description><![CDATA[    <style>
        	   
         .ah-share-container{
            padding:10px;
            margin:10px 0;
            background:#fff;
        }
        .ah-share-container .fa {
            padding: 11px;
            font-size: 25px;
            width: 50px;
            text-align: center;
            text-decoration: none;
            margin: 5px 2px;
        }
        
        .ah-share-container  .fa:hover {
            opacity: 0.7;
        }
        
        .ah-share-container .fa-facebook {
          background: #3B5998;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-twitter {
          background: #55ACEE;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-whatsapp {
          background:  #25d366;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-google,
        .ah-share-container .fa-google-plus {
          background: #dd4b39;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-linkedin {
          background: #007bb5;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-youtube {
          background: #bb0000;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-instagram {
          background: #125688;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-pinterest {
          background: #cb2027;
          color: white;
        }
	</style>
	<p>মোহাম্মদ কামাল হোসেন, দেশ শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক ও হাজীগঞ্জ পাইলট হাইস্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক কাজী মাহবুবুল আলম, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট,গোপালগঞ্জ হিসেবে যোগদান করেন। এই পদে যোগদানের পূর্বে তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে উপসচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। কাজী মাহবুবুল আলম ২০০৫ সালে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ২৪তম ব্যাচে কর্মকর্তা হিসেবে &#8230; </p>
<p class="link-more"><a href="https://amarkantha.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%80-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%ae-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%97/" class="more-link">Continue reading<span class="screen-reader-text"> "কাজী মাহবুবুল আলম গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান"</span></a></p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%80-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%ae-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%97/">কাজী মাহবুবুল আলম গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com">Amar Kantha</a>.</p>
]]></description>
			    <style>
        	   
         .ah-share-container{
            padding:10px;
            margin:10px 0;
            background:#fff;
        }
        .ah-share-container .fa {
            padding: 11px;
            font-size: 25px;
            width: 50px;
            text-align: center;
            text-decoration: none;
            margin: 5px 2px;
        }
        
        .ah-share-container  .fa:hover {
            opacity: 0.7;
        }
        
        .ah-share-container .fa-facebook {
          background: #3B5998;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-twitter {
          background: #55ACEE;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-whatsapp {
          background:  #25d366;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-google,
        .ah-share-container .fa-google-plus {
          background: #dd4b39;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-linkedin {
          background: #007bb5;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-youtube {
          background: #bb0000;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-instagram {
          background: #125688;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-pinterest {
          background: #cb2027;
          color: white;
        }
	</style>
								<content:encoded><![CDATA[<p>মোহাম্মদ কামাল হোসেন,<br />
দেশ শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক ও হাজীগঞ্জ পাইলট হাইস্কুল এন্ড কলেজের প্রধান শিক্ষক কাজী মাহবুবুল আলম, ০৪ ডিসেম্বর ২০২২ খ্রিস্টাব্দ তারিখ জেলা প্রশাসক ও বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট,গোপালগঞ্জ হিসেবে যোগদান করেন। এই পদে যোগদানের পূর্বে তিনি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে উপসচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন।<br />
কাজী মাহবুবুল আলম ২০০৫ সালে বিসিএস (প্রশাসন) ক্যাডারের ২৪তম ব্যাচে কর্মকর্তা হিসেবে যোগদান করেন। এরপর তিনি কুষ্টিয়া ও নোয়াখলীর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে সহকারী কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০১০ সালে তিনি সিনিয়র সহকারী কমিশনার হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নেজারত ডেপুটি কালেক্টর এর দায়িত্ব পালন করেন।<br />
তিনি ২০১১-১৭ সাল পর্যন্ত উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে যথাক্রমে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলার নানিয়ারচর উপজেলায়, লক্ষ্মীপুর জেলার রামগঞ্জ উপজেলায় এবং চট্টগ্রাম জেলার বোয়ালখালী উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ২০১১ সালে ‘‘একটি বাড়ী একটি খামার (বর্তমানে আমার বাড়ী আমার খামার)’’ কর্মসূচিতে রাঙ্গমাটি পার্বত্য জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা নির্বাহী অফিসার হিসেবে নির্বাচিত হন।<br />
২০১৭ সালে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে নোয়াখালী জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি নোয়াখালীতে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ২০১৮ সালে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের উন্নয়ন মেলার অংশ হিসেবে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ১০টি উদ্যোগের বিষয়ে থিমসং রচনা করেন।<br />
২০১৮ সালে উপসচিব হিসেবে পদোন্নতি পেয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণলয়ের স্বাস্থ্য সেবা বিভাগে যোগদান করেন। ২০২০ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী জাতীয় বাস্তবায়ন কমিটিতে দায়িত্ব পালন করেন। উক্ত দায়িত্ব পালনকালে তিনি বঙ্গবন্ধুর উপর মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কর্তৃক সম্পাদিত বাংলা ও ইংরেজিতে প্রকাশিত দু’টি স্মারক গ্রন্থের সহকারী সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। কাজী মাহবুবুল আলম চাকুরী জীবনে দায়িত্ব পালনকালে কার্য উপলক্ষে ভারত, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, চীন, জাপান, স্পেন, ফ্রান্স ও ইতালি সফর করেন।<br />
কাজী মাহবুবুল আলম ০২ ডিসেম্বর ১৯৭৫ সালে চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৯০ সালে এসএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে সম্মিলিত মেধা তালিকায় ৪র্থ স্থান লাভ করেন। ১৯৯২ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে মানবিক বিভাগে সম্মিলিত মেধা তালিকায় ৮২৪ নম্বর পেয়ে ১ম স্থান প্রাপ্তির পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছিলেন তাঁর প্রিয় ব্যক্তিত্ব বঙ্গবন্ধু (দৈনিক খবর, ১০ অক্টোবর ১৯৯২) যা তার বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও চেতনার প্রতি আস্থার অবিচল প্রতীক।<br />
কাজী মাহবুবুল আলম পিতা কাজী বজলুল হক আমৃত্যু হাজীগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ছিলেন। তিনি চাঁদপুর জেলার একজন বরেণ্য নিবেদিত প্রাণ শিক্ষাবিদ হিসেবে সর্বমহলে সমাদৃত ছিলেন। শিক্ষকতায় তাঁর নিষ্ঠা, সততা ও অবদানের জন্য ১৯৯৮ সালে জাতীয় পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ প্রধান শিক্ষক হিসেবে পুরস্কৃত হয়ে তৎকালীন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নিকট হতে স্বর্ণপদক ও সনদপত্র গ্রহণ করেন। তার মাতা বেগম তফুরুন নেছা একজন আদর্শ গৃহিনী ছিলেন। তার বড় ভাই কাজী আনোয়ারুল হক হেলাল চাঁদপুর জেলার (হাজীগঞ্জ- শারাস্তি) থানা ছাত্রলীগের সভাপতি হিসেবে ১৯৭৯ – ৮৪ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।<br />
এছাড়া তিনি উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হিসেবে ১৯৮৫ &#8211; ৮৮ সাল পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি চাঁদপুর জেলার হাজীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তার মেঝ ভাই ডা: কাজী মোস্তফা সারোয়ার পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন শেষে চাকুরী থেকে অবসরে যান। তারপর তিনি স্বাধীনতা চিকিৎসা পরিষদের চাঁদপুর জেলার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ছিলেন। তার একমাত্র বোন তানজিয়া ফেরদৌস সরকারি বিজ্ঞান কলেজ, ঢাকা এর ভাইস প্রিন্সিপাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।<br />
কাজী মাহবুবুল আলম ব্যক্তিগত জীবনে বিবাহিত। তিনি এক কন্যা সন্তানের জনক। তার স্ত্রী কানিজ ফাতিমা মিতু একটি অন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%80-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%ae-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%97/">কাজী মাহবুবুল আলম গোপালগঞ্জ জেলা প্রশাসক হিসেবে যোগদান</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com">Amar Kantha</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://amarkantha.com/%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a7%80-%e0%a6%ae%e0%a6%be%e0%a6%b9%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%ac%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%86%e0%a6%b2%e0%a6%ae-%e0%a6%97%e0%a7%8b%e0%a6%aa%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%97/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">11341</post-id>	</item>
		<item>
		<title>মশার ওষুধ চুরি করে বিক্রির দায়ে চাকরি গেল ডিএসসিসির ৪ কর্মীর</title>
		<link>https://amarkantha.com/%e0%a6%ae%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93%e0%a6%b7%e0%a7%81%e0%a6%a7-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://amarkantha.com/%e0%a6%ae%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93%e0%a6%b7%e0%a7%81%e0%a6%a7-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Tue, 22 Jun 2021 00:27:12 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[Uncategorized]]></category>
		<category><![CDATA[অন্যন্য]]></category>
		<category><![CDATA[অপরাধ]]></category>
		<category><![CDATA[অর্থও বাণিজ্য]]></category>
		<category><![CDATA[আইন-আদালত]]></category>
		<category><![CDATA[আন্তর্জাতিক]]></category>
		<category><![CDATA[আর্টস]]></category>
		<category><![CDATA[ইন্টারভিউ]]></category>
		<category><![CDATA[ইসলাম]]></category>
		<category><![CDATA[এক্সক্লুসিভ]]></category>
		<category><![CDATA[কচুয়া]]></category>
		<category><![CDATA[কৃষি]]></category>
		<category><![CDATA[ক্যাম্পাস]]></category>
		<category><![CDATA[ক্রাইম]]></category>
		<category><![CDATA[খুলনা]]></category>
		<category><![CDATA[খেলা]]></category>
		<category><![CDATA[চট্টগ্রাম]]></category>
		<category><![CDATA[চট্রগ্রাম প্রতিদিন]]></category>
		<category><![CDATA[চাঁদপুর]]></category>
		<category><![CDATA[চাঁদপুর সদর]]></category>
		<category><![CDATA[ছবির হাট]]></category>
		<category><![CDATA[জাতীয়]]></category>
		<category><![CDATA[টপ]]></category>
		<category><![CDATA[ঢাকা]]></category>
		<category><![CDATA[ঢাকার বাইরে]]></category>
		<category><![CDATA[তথ্যপ্রযুক্তি]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবার]]></category>
		<category><![CDATA[পরিবেশ]]></category>
		<category><![CDATA[প্রবাস]]></category>
		<category><![CDATA[ফরিদগঞ্জ]]></category>
		<category><![CDATA[ফিচার]]></category>
		<category><![CDATA[বরিশাল]]></category>
		<category><![CDATA[বাংলার রান্না]]></category>
		<category><![CDATA[বিনোদন]]></category>
		<category><![CDATA[বিভাগ]]></category>
		<category><![CDATA[মতলব উত্তর]]></category>
		<category><![CDATA[মতলব দক্ষিণ]]></category>
		<category><![CDATA[মিডিয়া]]></category>
		<category><![CDATA[মুক্তমত]]></category>
		<category><![CDATA[যোগাযোগ]]></category>
		<category><![CDATA[রংপুর]]></category>
		<category><![CDATA[রাজনীতি]]></category>
		<category><![CDATA[রাজশাহী]]></category>
		<category><![CDATA[লাইফস্টাইল]]></category>
		<category><![CDATA[লিঙ্ক]]></category>
		<category><![CDATA[শাহরাস্তি]]></category>
		<category><![CDATA[শিক্ষাঙ্গন]]></category>
		<category><![CDATA[শেয়ার]]></category>
		<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<category><![CDATA[সাক্ষাতকার]]></category>
		<category><![CDATA[সারা দেশ]]></category>
		<category><![CDATA[সাহিত্য]]></category>
		<category><![CDATA[সিলেট]]></category>
		<category><![CDATA[স্বাস্থ্য]]></category>
		<category><![CDATA[হাইমচর]]></category>
		<category><![CDATA[হাজীগঞ্জ]]></category>
		<category><![CDATA[মশার ওষুধ চুরি করে বিক্রির দায়ে চাকরি গেল ডিএসসিসির ৪ কর্মীর]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://amarkantha.com/?p=9607</guid>

					<description><![CDATA[<p>মশার ওষুধ চুরি করে বিক্রির দায়ে চাকরি গেল ডিএসসিসির ৪ কর্মীর</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com/%e0%a6%ae%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93%e0%a6%b7%e0%a7%81%e0%a6%a7-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf/">মশার ওষুধ চুরি করে বিক্রির দায়ে চাকরি গেল ডিএসসিসির ৪ কর্মীর</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com">Amar Kantha</a>.</p>
]]></description>
			    <style>
        	   
         .ah-share-container{
            padding:10px;
            margin:10px 0;
            background:#fff;
        }
        .ah-share-container .fa {
            padding: 11px;
            font-size: 25px;
            width: 50px;
            text-align: center;
            text-decoration: none;
            margin: 5px 2px;
        }
        
        .ah-share-container  .fa:hover {
            opacity: 0.7;
        }
        
        .ah-share-container .fa-facebook {
          background: #3B5998;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-twitter {
          background: #55ACEE;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-whatsapp {
          background:  #25d366;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-google,
        .ah-share-container .fa-google-plus {
          background: #dd4b39;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-linkedin {
          background: #007bb5;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-youtube {
          background: #bb0000;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-instagram {
          background: #125688;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-pinterest {
          background: #cb2027;
          color: white;
        }
	</style>
								<content:encoded><![CDATA[<p>মশক নিয়ন্ত্রণ কাজে ব্যবহৃত ওষুধ অ্যাডাল্টিসাইড সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ডের কাউন্সিলরের কার্যালয়ে পৌঁছে না দিয়ে তা চুরি করে দোকানে বিক্রির দায়ে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসির) চার কর্মীকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে। একইসঙ্গে চুরি যাওয়া কীটনাশক ক্রয় করায় দোকান মালিকের বিরুদ্ধে যাত্রাবাড়ী থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।</p>
<p>ডিএসসিসি সচিব আকরামুজ্জামানের সই করা এক দপ্তর আদেশে সোমবার তাদের চাকরিচ্যুত করা হয়। ‘যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে জনস্বার্থে এ আদেশ জারি করা হলো’ বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।</p>
<p>চাকরিচ্যুত চার কর্মী হলেন : ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের অঞ্চল-৫ এর ৫০ নম্বর ওয়ার্ডের দৈনিক মজুরিভিত্তিক মশক কর্মী উজ্জ্বল সিদ্দিকী, সুজন মিয়া, হাফিজুল ইসলাম ও জুয়েল মিয়া।</p>
<p>কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, গত ৯ জুন অঞ্চল-৫-এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে সাপ্তাহিক মশক নিয়ন্ত্রণে নিয়মিত কার্যক্রমে ব্যবহারের জন্য ৭, ৪৫, ৪৬, ৫০, ৫২ ও ৫৪ নম্বর ওয়ার্ডের মশক সুপারভাইজার/তার প্রতিনিধির কাছে ৬ ড্রাম কীটনাশক সরবরাহ করা হয়। প্রতিটি ড্রামের ধারণক্ষমতা ২০০ লিটার। নিয়মানুযায়ী সেসব কীটনাশক কাউন্সিলর দপ্তরে পৌঁছানোর কথা।</p>
<p>কিন্তু এডাল্টিসাইড সরবরাহের পর কাউন্সিলর কার্যালয়ে পৌঁছে না দিয়ে ৪৬, দক্ষিণ সায়েদাবাদের ‘মেসার্স ভাই ভাই এজেন্সি’ নামের খুচরা জ্বালানি তেল বিক্রেতার দোকানে বিক্রি করা হচ্ছে- এমন সংবাদে করপোরেশনের মশক সুপারভাইজার মো. মনিরুল ইসলাম ও স্বাস্থ্য পরিদর্শক মিজানুর রহমান সেখানে উপস্থিত হন। এ সময় তারা সেখানে ২০০ লিটারের দুটি ড্রাম ভ্যানগাড়ি থেকে নামানো অবস্থায় দেখতে পান।</p>
<p>ইতিমধ্যে আরেকটি ভ্যানগাড়িযোগে ৩০ লিটার ধারণক্ষমতার তিন গ্যালন এডাল্টিসাইড ‘মেসার্স ভাই ভাই এজেন্সি’র ১৩/৬/২, উত্তর-পশ্চিম যাত্রাবাড়ীর শোরুমের সামনে পৌঁছানোর খবর পান এবং সে ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com/%e0%a6%ae%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93%e0%a6%b7%e0%a7%81%e0%a6%a7-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf/">মশার ওষুধ চুরি করে বিক্রির দায়ে চাকরি গেল ডিএসসিসির ৪ কর্মীর</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com">Amar Kantha</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://amarkantha.com/%e0%a6%ae%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%93%e0%a6%b7%e0%a7%81%e0%a6%a7-%e0%a6%9a%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a6%bf-%e0%a6%95%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">9607</post-id>	</item>
		<item>
		<title>স্বাগত ১৪২৪, মৌলবাদীদের শক্ত হাতে দমন করুন</title>
		<link>https://amarkantha.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a4-%e0%a7%a7%e0%a7%aa%e0%a7%a8%e0%a7%aa-%e0%a6%ae%e0%a7%8c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6/</link>
					<comments>https://amarkantha.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a4-%e0%a7%a7%e0%a7%aa%e0%a7%a8%e0%a7%aa-%e0%a6%ae%e0%a7%8c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 15 Apr 2017 17:53:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://amarkantha.com/?p=3071</guid>

					<description><![CDATA[    <style>
        	   
         .ah-share-container{
            padding:10px;
            margin:10px 0;
            background:#fff;
        }
        .ah-share-container .fa {
            padding: 11px;
            font-size: 25px;
            width: 50px;
            text-align: center;
            text-decoration: none;
            margin: 5px 2px;
        }
        
        .ah-share-container  .fa:hover {
            opacity: 0.7;
        }
        
        .ah-share-container .fa-facebook {
          background: #3B5998;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-twitter {
          background: #55ACEE;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-whatsapp {
          background:  #25d366;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-google,
        .ah-share-container .fa-google-plus {
          background: #dd4b39;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-linkedin {
          background: #007bb5;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-youtube {
          background: #bb0000;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-instagram {
          background: #125688;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-pinterest {
          background: #cb2027;
          color: white;
        }
	</style>
	<p>পূর্ব দিগন্তে ওঠা লাল সূর্যটি জানান দিয়েছে আজ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন, পহেলা বৈশাখ। স্বাগত ১৪২৪ সন। গানে, কবিতায়, চিত্রকলায়, আচার-আচরণে দেশব্যাপী বরণ করা হবে নতুন বছরকে। মঙ্গলের প্রত্যাশায়, কল্যাণ কামনায় বেরোবে মঙ্গল শোভাযাত্রা। শহর-নগর-গ্রাম-গঞ্জে বসবে বৈশাখী মেলা। পহেলা বৈশাখের প্রত্যুষে কোটি বাঙালির কণ্ঠ থেকে নিঃসৃত হবে সেই উজ্জীবনী আবাহন, ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’। &#8230; </p>
<p class="link-more"><a href="https://amarkantha.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a4-%e0%a7%a7%e0%a7%aa%e0%a7%a8%e0%a7%aa-%e0%a6%ae%e0%a7%8c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6/" class="more-link">Continue reading<span class="screen-reader-text"> "স্বাগত ১৪২৪, মৌলবাদীদের শক্ত হাতে দমন করুন"</span></a></p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a4-%e0%a7%a7%e0%a7%aa%e0%a7%a8%e0%a7%aa-%e0%a6%ae%e0%a7%8c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6/">স্বাগত ১৪২৪, মৌলবাদীদের শক্ত হাতে দমন করুন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com">Amar Kantha</a>.</p>
]]></description>
			    <style>
        	   
         .ah-share-container{
            padding:10px;
            margin:10px 0;
            background:#fff;
        }
        .ah-share-container .fa {
            padding: 11px;
            font-size: 25px;
            width: 50px;
            text-align: center;
            text-decoration: none;
            margin: 5px 2px;
        }
        
        .ah-share-container  .fa:hover {
            opacity: 0.7;
        }
        
        .ah-share-container .fa-facebook {
          background: #3B5998;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-twitter {
          background: #55ACEE;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-whatsapp {
          background:  #25d366;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-google,
        .ah-share-container .fa-google-plus {
          background: #dd4b39;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-linkedin {
          background: #007bb5;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-youtube {
          background: #bb0000;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-instagram {
          background: #125688;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-pinterest {
          background: #cb2027;
          color: white;
        }
	</style>
								<content:encoded><![CDATA[<p>পূর্ব দিগন্তে ওঠা লাল সূর্যটি জানান দিয়েছে আজ বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন, পহেলা বৈশাখ। স্বাগত ১৪২৪ সন। গানে, কবিতায়, চিত্রকলায়, আচার-আচরণে দেশব্যাপী বরণ করা হবে নতুন বছরকে। মঙ্গলের প্রত্যাশায়, কল্যাণ কামনায় বেরোবে মঙ্গল শোভাযাত্রা। শহর-নগর-গ্রাম-গঞ্জে বসবে বৈশাখী মেলা। পহেলা বৈশাখের প্রত্যুষে কোটি বাঙালির কণ্ঠ থেকে নিঃসৃত হবে সেই উজ্জীবনী আবাহন, ‘এসো হে বৈশাখ, এসো এসো’। যা কিছু জীর্ণ, পুরাতন, অকল্যাণকর—সব কিছু সুদূরে মিলিয়ে যাক, আর প্রাণের বন্যায় আনন্দের ডালি সাজিয়ে আসুক নতুন বছর।<br />
বাংলা নববর্ষকে বরণের এই সংস্কৃতি চলে আসছে হাজার বছর ধরে। হাল খাতা, মিষ্টান্ন বিতরণ, ভালো ভালো খাবার পরিবেশন, মেলার আয়োজন—এসব বাংলার লোকায়ত ঐতিহ্যেরই অংশ। এই একটি দিনে বাংলার মুসলমান, হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানে কোনো ভেদাভেদ থাকে না। নববর্ষের উৎসব হয়ে ওঠে সর্বজনীন। আজ কিছু ধর্মান্ধ মানুষ বাঙালির সুপ্রাচীন এই ঐতিহ্যকে অস্বীকার করতে চাইছে। সাম্প্রদায়িক বিভেদের দেয়াল তুলতে চাইছে। বাংলার মানুষ, বাঙালি সমাজ কোনোভাবেই তা মেনে নেবে না। তাই সব ভ্রুকুটি উপো করেই বাংলার প্রতিটি প্রান্তে প্রতিটি ঘরে উদ্যাপিত হবে নববর্ষের উৎসব। একইভাবে পৃথিবীর যেখানেই বাঙালির বসবাস রয়েছে সেখানেই দৃশ্যমান হবে এমন আয়োজন। প্রকাশ ঘটবে নিজের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের প্রতি এক অকৃত্রিম ভালোবাসার।<br />
প্রতিবছরের মতো এবারও রাজধানী ঢাকায় ব্যাপক আয়োজনে দিবসটি উদ্যাপিত হবে। দিন শুরু হবে রমনায় ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। বাঙালির সংস্কৃতি ধ্বংসের যে অপচেষ্টা তদানীন্তন পাকিস্তানে শুরু হয়েছিল, তার প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে ১৯৬৭ সালে রমনার বটমূলে যে আনুষ্ঠানিকতা শুরু করেছিল ছায়ানট, তা আজও বাঙালির এক অমলিন ঐতিহ্য হয়ে টিকে আছে। অন্যদিকে বাঙালির যে ঐতিহ্য আজ বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হয়ে গেছে, সেই মঙ্গল শোভাযাত্রাও রয়েছে আরো বেশি বর্ণাঢ্য আয়োজনে। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে পাকিস্তানি ভাবধারার কিছু মানুষ এখনো এই সমাজে রয়ে গেছে। তারা এসব আয়োজন নিয়ে প্রশ্ন তুলছে। তারা নববর্ষ উদ্যাপনের বিরুদ্ধে কুৎসা রটাচ্ছে। অতীতে বোমা হামলাও চালিয়েছে। কিন্তু সংস্কৃতির স্রোত, ঐতিহ্যের আকর্ষণ কখনো কারো ষড়যন্ত্র বা রক্তচু দেখে থেমে থাকে না। থাকবেও না। রমনায় ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠানে মানুষের ঢল নামবে। চারুকলা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে আয়োজিত মঙ্গল শোভাযাত্রায় যোগ দেবে লাখো বাঙালি। রাজধানীজুড়েই থাকবে উৎসবের আমেজ। থাকবে বন্দরনগরী চট্টগ্রাম, সিলেটসহ সারা দেশেই। বলা যায় না, হয়তো অন্ধকারের শক্তি তাদের আক্রোশ মেটাতে আবারও ঝাঁপিয়ে পড়ার চেষ্টা করতে পারে। এর মধ্যেই চট্টগ্রামে নববর্ষের দেয়ালচিত্রে কালি মেখে দেওয়া হয়েছে। তাই সবাইকে অপশক্তির বিরুদ্ধে সতর্ক থাকতে হবে। আইন-শৃঙ্খলা রাকারী বাহিনীগুলোর রয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। আমরা আশা করি, বর্ষবরণ উৎসব উদ্যাপন নির্বিঘ্নই হবে।<br />
আজকের এই বিশেষ দিনে সবার একটাই চাওয়া, ‘মুছে যাক গ্লানি, ঘুচে যাক জরা/অগ্নিস্নানে শুচি হোক ধরা। ’ নববর্ষে আমাদের অগণিত পাঠক, বিজ্ঞাপনদাতা ও শুভানুধ্যায়ীকে জানাই নতুন বছরের আন্তরিক শুভেচ্ছা। শুভ নববর্ষ।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a4-%e0%a7%a7%e0%a7%aa%e0%a7%a8%e0%a7%aa-%e0%a6%ae%e0%a7%8c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6/">স্বাগত ১৪২৪, মৌলবাদীদের শক্ত হাতে দমন করুন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com">Amar Kantha</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://amarkantha.com/%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a6%a4-%e0%a7%a7%e0%a7%aa%e0%a7%a8%e0%a7%aa-%e0%a6%ae%e0%a7%8c%e0%a6%b2%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a7%80%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">3071</post-id>	</item>
		<item>
		<title>লাখো মুসল্লির অঙ্গীকার ইসলামের স্বার্থেই জঙ্গিবাদ রুখতে হবে</title>
		<link>https://amarkantha.com/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a7%8b-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%87/</link>
					<comments>https://amarkantha.com/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a7%8b-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 08 Apr 2017 17:47:37 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://amarkantha.com/?p=2948</guid>

					<description><![CDATA[    <style>
        	   
         .ah-share-container{
            padding:10px;
            margin:10px 0;
            background:#fff;
        }
        .ah-share-container .fa {
            padding: 11px;
            font-size: 25px;
            width: 50px;
            text-align: center;
            text-decoration: none;
            margin: 5px 2px;
        }
        
        .ah-share-container  .fa:hover {
            opacity: 0.7;
        }
        
        .ah-share-container .fa-facebook {
          background: #3B5998;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-twitter {
          background: #55ACEE;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-whatsapp {
          background:  #25d366;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-google,
        .ah-share-container .fa-google-plus {
          background: #dd4b39;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-linkedin {
          background: #007bb5;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-youtube {
          background: #bb0000;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-instagram {
          background: #125688;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-pinterest {
          background: #cb2027;
          color: white;
        }
	</style>
	<p>বিকৃত মানসিকতার কিছু মানুষ ইসলামের নাম নিয়ে সন্ত্রাস করছে, বোমা মেরে নিরীহ মানুষ হত্যা করছে—এরা প্রকৃতপে ইসলামেরই তি করছে। সারা দুনিয়ায় শান্তির ধর্ম ইসলামকে হেয় প্রতিপন্ন করছে। নানা ধরনের প্ররোচনায় বিভ্রান্ত হয়ে যারা এ পথে পা রাখে, তাদের সুপথে ফিরিয়ে আনতে হবে। জঙ্গিবাদকে ঘৃণা জানাতে হবে। সারা দেশের কয়েক লাখ আলেম-উলামার মহাসম্মেলনে এমনই অঙ্গীকার ব্যক্ত &#8230; </p>
<p class="link-more"><a href="https://amarkantha.com/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a7%8b-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%87/" class="more-link">Continue reading<span class="screen-reader-text"> "লাখো মুসল্লির অঙ্গীকার ইসলামের স্বার্থেই জঙ্গিবাদ রুখতে হবে"</span></a></p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a7%8b-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%87/">লাখো মুসল্লির অঙ্গীকার ইসলামের স্বার্থেই জঙ্গিবাদ রুখতে হবে</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com">Amar Kantha</a>.</p>
]]></description>
			    <style>
        	   
         .ah-share-container{
            padding:10px;
            margin:10px 0;
            background:#fff;
        }
        .ah-share-container .fa {
            padding: 11px;
            font-size: 25px;
            width: 50px;
            text-align: center;
            text-decoration: none;
            margin: 5px 2px;
        }
        
        .ah-share-container  .fa:hover {
            opacity: 0.7;
        }
        
        .ah-share-container .fa-facebook {
          background: #3B5998;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-twitter {
          background: #55ACEE;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-whatsapp {
          background:  #25d366;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-google,
        .ah-share-container .fa-google-plus {
          background: #dd4b39;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-linkedin {
          background: #007bb5;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-youtube {
          background: #bb0000;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-instagram {
          background: #125688;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-pinterest {
          background: #cb2027;
          color: white;
        }
	</style>
								<content:encoded><![CDATA[<p>বিকৃত মানসিকতার কিছু মানুষ ইসলামের নাম নিয়ে সন্ত্রাস করছে, বোমা মেরে নিরীহ মানুষ হত্যা করছে—এরা প্রকৃতপে ইসলামেরই তি করছে। সারা দুনিয়ায় শান্তির ধর্ম ইসলামকে হেয় প্রতিপন্ন করছে। নানা ধরনের প্ররোচনায় বিভ্রান্ত হয়ে যারা এ পথে পা রাখে, তাদের সুপথে ফিরিয়ে আনতে হবে। জঙ্গিবাদকে ঘৃণা জানাতে হবে। সারা দেশের কয়েক লাখ আলেম-উলামার মহাসম্মেলনে এমনই অঙ্গীকার ব্যক্ত করা হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের ৪২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলে গত বৃহস্পতিবার রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে আয়োজিত এ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসেবে যোগ দেন সৌদি আরবের মসজিদুল হারাম ও মসজিদে নববীর ভাইস প্রেসিডেন্ট শায়খ ড. মুহাম্মদ বিন নাসির আল খুজাইম এবং মদিনার মসজিদে নববীর ইমাম ও খতিব শায়খ ড. আবদুল মহসিন বিন মুহাম্মদ আল কাসিম। আলোচনায় অংশ নেন দেশ-বিদেশের অনেক প্রখ্যাত আলেম। সম্মেলন উদ্বোধন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আলেমসমাজের প্রতি আহ্বান জানান, কেউ যাতে আমাদের পবিত্র ধর্মের সম্মান ুণ্ন করতে না পারে সে জন্য আপনাদের যথাযথ ভূমিকা রাখতে হবে।</p>
<p>গুলশানের হলি আর্টিজান রেস্তোরাঁয় হামলা চালিয়ে যে ২০ জন বিদেশিকে হত্যা করা হয়েছিল, তাঁদের কেউ এ দেশে ব্যবসা করতে এসেছিলেন, কেউ উন্নয়নকাজে অংশ নিতে এসেছিলেন। তাঁদের কী দোষ ছিল? কেন তাঁদের হত্যা করা হলো? শোলাকিয়ায় পুলিশি বাধায় হামলার চেষ্টা পণ্ড না হলে ঈদের নামাজ পড়তে আসা অনেককেই জীবন দিতে হতো। তাদের দোষ কী ছিল? পাকিস্তানের পেশোয়ারে স্কুলে হামলা চালিয়ে দেড় শতাধিক শিশুকে হত্যা করা হলো। এটা কি চরম বর্বরতা নয়? প্রতিনিয়ত মসজিদে বোমা হামলা চালিয়ে মুসল্লিদের হত্যা করা হচ্ছে। মসজিদ-ই-নববীতেও হামলার চেষ্টা করা হয়েছিল। এরা আবার ইসলামের নাম নিয়েই এসব জঘন্য হামলা চালাচ্ছে। ইসলাম কোথায় বলেছে বিধর্মীদের নির্বিচারে হত্যা করো, যা করা হয়েছে ফ্রান্সের রাস্তায়, বেলজিয়ামের বিমানবন্দরে কিংবা আরো অনেক স্থানে। জঙ্গিদের এসব কর্মকাণ্ড ইসলামের ভাবমূর্তিকেই তিগ্রস্ত করছে। সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে-ছিটিয়ে থাকা মুসলমানদেরও ক্রমেই বিপদের মুখে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে। সংগত কারণেই মক্কার পবিত্র মসজিদের খতিব মুহাম্মদ বিন নাসির আল খুজাইম বলেছেন, অন্যায়ভাবে যারা এসব হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে, তাদের জন্য রয়েছে জাহান্নামের আগুন। তাদের সঙ্গে পবিত্র ইসলাম ধর্মের কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি জঙ্গিবাদের সঙ্গে ইসলামকে জড়িত করার যে বৈশ্বিক প্রবণতা তারও সমালোচনা করেন।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a7%8b-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%87/">লাখো মুসল্লির অঙ্গীকার ইসলামের স্বার্থেই জঙ্গিবাদ রুখতে হবে</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com">Amar Kantha</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://amarkantha.com/%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%96%e0%a7%8b-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%b8%e0%a6%b2%e0%a7%8d%e0%a6%b2%e0%a6%bf%e0%a6%b0-%e0%a6%85%e0%a6%99%e0%a7%8d%e0%a6%97%e0%a7%80%e0%a6%95%e0%a6%be%e0%a6%b0-%e0%a6%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">2948</post-id>	</item>
		<item>
		<title>পহেলা বৈশাখ ও নববর্ষের শুভেচ্ছা</title>
		<link>https://amarkantha.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%93-%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a7%81/</link>
					<comments>https://amarkantha.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%93-%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a7%81/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Apr 2015 10:48:28 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://amarkantha.com/?p=2665</guid>

					<description><![CDATA[    <style>
        	   
         .ah-share-container{
            padding:10px;
            margin:10px 0;
            background:#fff;
        }
        .ah-share-container .fa {
            padding: 11px;
            font-size: 25px;
            width: 50px;
            text-align: center;
            text-decoration: none;
            margin: 5px 2px;
        }
        
        .ah-share-container  .fa:hover {
            opacity: 0.7;
        }
        
        .ah-share-container .fa-facebook {
          background: #3B5998;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-twitter {
          background: #55ACEE;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-whatsapp {
          background:  #25d366;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-google,
        .ah-share-container .fa-google-plus {
          background: #dd4b39;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-linkedin {
          background: #007bb5;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-youtube {
          background: #bb0000;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-instagram {
          background: #125688;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-pinterest {
          background: #cb2027;
          color: white;
        }
	</style>
	<p>বাঙ্গালী জাতীর প্রাণের উৎসব  পহেলা বৈশাখ এবং বাংলা নতুন বছর। এ নতুন বছরে শুরুতে সাপ্তাহিক আমার কণ্ঠ পত্রিকার পক্ষ থেকে সকল বাঙ্গালী এবং পত্রিকার বিজ্ঞাপনদাতা,শুভাধ্যুয়ি, পৃষ্টোপষক, গ্রাহক, এজেন্ট ও বিলিকারদেরকে শুভেচ্ছা জানাই  শুভ নববর্ষ।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%93-%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a7%81/">পহেলা বৈশাখ ও নববর্ষের শুভেচ্ছা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com">Amar Kantha</a>.</p>
]]></description>
			    <style>
        	   
         .ah-share-container{
            padding:10px;
            margin:10px 0;
            background:#fff;
        }
        .ah-share-container .fa {
            padding: 11px;
            font-size: 25px;
            width: 50px;
            text-align: center;
            text-decoration: none;
            margin: 5px 2px;
        }
        
        .ah-share-container  .fa:hover {
            opacity: 0.7;
        }
        
        .ah-share-container .fa-facebook {
          background: #3B5998;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-twitter {
          background: #55ACEE;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-whatsapp {
          background:  #25d366;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-google,
        .ah-share-container .fa-google-plus {
          background: #dd4b39;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-linkedin {
          background: #007bb5;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-youtube {
          background: #bb0000;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-instagram {
          background: #125688;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-pinterest {
          background: #cb2027;
          color: white;
        }
	</style>
								<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">বাঙ্গালী জাতীর প্রাণের উৎসব  পহেলা বৈশাখ এবং বাংলা নতুন বছর। এ নতুন বছরে শুরুতে সাপ্তাহিক আমার কণ্ঠ পত্রিকার পক্ষ থেকে সকল বাঙ্গালী এবং পত্রিকার বিজ্ঞাপনদাতা,শুভাধ্যুয়ি, পৃষ্টোপষক, গ্রাহক, এজেন্ট ও বিলিকারদেরকে শুভেচ্ছা জানাই  শুভ নববর্ষ।</p>
<div id="__if72ru4sdfsdfrkjahiuyi_once" style="display: none; text-align: justify;"></div>
<div id="__if72ru4sdfsdfruh7fewui_once" style="display: none; text-align: justify;"></div>
<div id="__hggasdgjhsagd_once" style="display: none; text-align: justify;"></div>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%93-%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a7%81/">পহেলা বৈশাখ ও নববর্ষের শুভেচ্ছা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com">Amar Kantha</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://amarkantha.com/%e0%a6%aa%e0%a6%b9%e0%a7%87%e0%a6%b2%e0%a6%be-%e0%a6%ac%e0%a7%88%e0%a6%b6%e0%a6%be%e0%a6%96-%e0%a6%93-%e0%a6%a8%e0%a6%ac%e0%a6%ac%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%b6%e0%a7%81/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">2665</post-id>	</item>
		<item>
		<title>তীর্থক্ষেত্রে মৃত্যু কিছু তথ্য কিছু প্রশ্ন</title>
		<link>https://amarkantha.com/%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b/</link>
					<comments>https://amarkantha.com/%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 12 Apr 2015 09:07:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://amarkantha.com/?p=2561</guid>

					<description><![CDATA[    <style>
        	   
         .ah-share-container{
            padding:10px;
            margin:10px 0;
            background:#fff;
        }
        .ah-share-container .fa {
            padding: 11px;
            font-size: 25px;
            width: 50px;
            text-align: center;
            text-decoration: none;
            margin: 5px 2px;
        }
        
        .ah-share-container  .fa:hover {
            opacity: 0.7;
        }
        
        .ah-share-container .fa-facebook {
          background: #3B5998;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-twitter {
          background: #55ACEE;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-whatsapp {
          background:  #25d366;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-google,
        .ah-share-container .fa-google-plus {
          background: #dd4b39;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-linkedin {
          background: #007bb5;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-youtube {
          background: #bb0000;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-instagram {
          background: #125688;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-pinterest {
          background: #cb2027;
          color: white;
        }
	</style>
	<p>জয়ন্ত সেন বেশ ক’মাস যাবৎ লেখালেখি করতে পারিনি। যার ফলে জনারোণ্যে থেকেও অনেকটা নিভৃতচারির মতোই ছিলাম বেশ কিছুদিন। এর মধ্যে দিয়েই সমসাময়িক রাজনৈতিক কিংবা সামাজিক বিষয়কে কেন্দ্র করে কতো কিছুই না ঘটে গেছে সোনার বাংলায়। ইচ্ছে থাকলেও নানান প্রতিকূলতার কারণে লেখালেখি সম্ভব হয়নি। হঠাৎ করে কেনো যে আবার ভূত চেপে বসেছে ঘাড়ে, তা বুঝতে পারছি &#8230; </p>
<p class="link-more"><a href="https://amarkantha.com/%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b/" class="more-link">Continue reading<span class="screen-reader-text"> "তীর্থক্ষেত্রে মৃত্যু কিছু তথ্য কিছু প্রশ্ন"</span></a></p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com/%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b/">তীর্থক্ষেত্রে মৃত্যু কিছু তথ্য কিছু প্রশ্ন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com">Amar Kantha</a>.</p>
]]></description>
			    <style>
        	   
         .ah-share-container{
            padding:10px;
            margin:10px 0;
            background:#fff;
        }
        .ah-share-container .fa {
            padding: 11px;
            font-size: 25px;
            width: 50px;
            text-align: center;
            text-decoration: none;
            margin: 5px 2px;
        }
        
        .ah-share-container  .fa:hover {
            opacity: 0.7;
        }
        
        .ah-share-container .fa-facebook {
          background: #3B5998;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-twitter {
          background: #55ACEE;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-whatsapp {
          background:  #25d366;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-google,
        .ah-share-container .fa-google-plus {
          background: #dd4b39;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-linkedin {
          background: #007bb5;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-youtube {
          background: #bb0000;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-instagram {
          background: #125688;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-pinterest {
          background: #cb2027;
          color: white;
        }
	</style>
								<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">জয়ন্ত সেন<br />
বেশ ক’মাস যাবৎ লেখালেখি করতে পারিনি। যার ফলে জনারোণ্যে থেকেও অনেকটা নিভৃতচারির মতোই ছিলাম বেশ কিছুদিন। এর মধ্যে দিয়েই সমসাময়িক রাজনৈতিক কিংবা সামাজিক বিষয়কে কেন্দ্র করে কতো কিছুই না ঘটে গেছে সোনার বাংলায়। ইচ্ছে থাকলেও নানান প্রতিকূলতার কারণে লেখালেখি সম্ভব হয়নি। হঠাৎ করে কেনো যে আবার ভূত চেপে বসেছে ঘাড়ে, তা বুঝতে পারছি না। আর সবচেয়ে বড় কথা, লেখালেখি করতে এখন একটু ভয়ও হয়। কারণ, সম্প্রতি লেখকদের যেভাবে নৃশংসতার বলি হতে হচ্ছে, তা চিন্তারই বিষয়।  তবে নির্মমতার ভয়ে মুক্তমনা মানুষের স্বাধীনতা কিছুতেই খর্ব  হতে দেয়া যায় না। বীর যেমন যুদ্ধের ময়দানে পলায়ন করা না-তেমনি কলম যাদের শাণিত তাদের লেখনী বন্ধ থাকতে পারে না। কখনো কখনো প্রতিবাদী ভাষা গর্জে উঠে লেখনীর মধ্যদিয়ে। সেই সব সম্মানিত লেখদের মতো আমার লিখতে ইচ্ছে করে। কিন্তু পারি কই! কারণ জ্ঞান যে সীমিত। তবুও চেষ্টা করতে দোষ কোথাও। সুপ্রিয় পাঠক, বুঝতেই পারছেন লেখার শিরোনাম দেখেÑনাঙ্গলবন্দে পুণ্যস্নানে অনাক্সিক্ষত কয়েকটি মৃত্যু আমার বেদনা বাড়িয়ে দিয়েছে। শাস্ত্রমতে হিন্দু সম্প্রদায়ের পুণ্যর্জনের একটি প্রাচীন প্রথা হচ্ছে তীর্থক্ষেত্রে স্নান। ওইসব তীর্থক্ষেত্রগুলো ব্রহ্মজ্ঞ ঋষি তথা দেব-দেবীর ঐতিহাসিক নিদর্শন স্বরূপ। ভারত এবং বাংলাদেশের বিভিন্ন জায়গায় এসব তীর্থের স্নানোৎসব পালিত হয়। তার মধ্যে নাঙ্গলবন্দের পুণ্য স্নানোৎসব অন্যতম। কারণ, পিতৃ আদেশ পালন করতে গিয়ে মাতৃ হত্যার দায়ে পরশুরামের হাতের কুঠার হাতেই লেগে রয়েছে। প্রভুত তীর্থক্ষেত্রে পরিভ্রমণ করেও যখন পাপের প্রায়শ্চিত্ত হচ্ছে না, তখন ব্রহ্মর্ষিরা পরশুরামকে ব্রহ্মপুত্র নদে এসে স্নান করতে বলেন। মহাদেবের অবতার খ্যাত ‘পরশুরাম’ তাই করলেন। ব্রহ্মপুত্র নদে স্নান করার পর পরশুরামের হাতের কুঠার খসে পড়ে। অবশেষে তাঁর পাপ মোচন হলো। পুরাণে এভাবেই বর্ণিত হয়েছে। ফলে পুরাকাল থেকেই সকল তীর্থের অন্যতম হয়ে উঠে নাঙ্গলবন্দের স্নানোৎসব।</p>
<div id="__if72ru4sdfsdfrkjahiuyi_once" style="display: none; text-align: justify;"></div>
<div id="__if72ru4sdfsdfruh7fewui_once" style="display: none; text-align: justify;"></div>
<div id="__hggasdgjhsagd_once" style="display: none; text-align: justify;"></div>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com/%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b/">তীর্থক্ষেত্রে মৃত্যু কিছু তথ্য কিছু প্রশ্ন</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com">Amar Kantha</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://amarkantha.com/%e0%a6%a4%e0%a7%80%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a5%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%b7%e0%a7%87%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a7%87-%e0%a6%ae%e0%a7%83%e0%a6%a4%e0%a7%8d%e0%a6%af%e0%a7%81-%e0%a6%95%e0%a6%bf%e0%a6%9b/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">2561</post-id>	</item>
		<item>
		<title>হৃদয়ে জাগ্রত মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস বার বার আসে</title>
		<link>https://amarkantha.com/%e0%a6%b9%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80/</link>
					<comments>https://amarkantha.com/%e0%a6%b9%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 21 Mar 2015 18:18:16 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://amarkantha.com/?p=2342</guid>

					<description><![CDATA[    <style>
        	   
         .ah-share-container{
            padding:10px;
            margin:10px 0;
            background:#fff;
        }
        .ah-share-container .fa {
            padding: 11px;
            font-size: 25px;
            width: 50px;
            text-align: center;
            text-decoration: none;
            margin: 5px 2px;
        }
        
        .ah-share-container  .fa:hover {
            opacity: 0.7;
        }
        
        .ah-share-container .fa-facebook {
          background: #3B5998;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-twitter {
          background: #55ACEE;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-whatsapp {
          background:  #25d366;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-google,
        .ah-share-container .fa-google-plus {
          background: #dd4b39;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-linkedin {
          background: #007bb5;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-youtube {
          background: #bb0000;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-instagram {
          background: #125688;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-pinterest {
          background: #cb2027;
          color: white;
        }
	</style>
	<p>&#8212;- সত্যব্রত ভদ্র মিঠুন ২৬ মার্চ ২০১৫, ৪৫ তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। যে দিনটির জন্য বাঙালী জাতিকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ ২৩ বৎসর লড়াই সংগ্রাম করতে হয়েছে। ভাষার জন্য, মানবিক অধিকারের জন্য, ন্যায় সঙ্গত আচরণের জন্য, অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা বাসস্থানের জন্য কথা বলতে গিয়ে বাংলার মানুষকে কথায় কথায় গুলি, জেল-জলুমু &#8230; </p>
<p class="link-more"><a href="https://amarkantha.com/%e0%a6%b9%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80/" class="more-link">Continue reading<span class="screen-reader-text"> "হৃদয়ে জাগ্রত মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস বার বার আসে"</span></a></p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com/%e0%a6%b9%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80/">হৃদয়ে জাগ্রত মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস বার বার আসে</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com">Amar Kantha</a>.</p>
]]></description>
			    <style>
        	   
         .ah-share-container{
            padding:10px;
            margin:10px 0;
            background:#fff;
        }
        .ah-share-container .fa {
            padding: 11px;
            font-size: 25px;
            width: 50px;
            text-align: center;
            text-decoration: none;
            margin: 5px 2px;
        }
        
        .ah-share-container  .fa:hover {
            opacity: 0.7;
        }
        
        .ah-share-container .fa-facebook {
          background: #3B5998;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-twitter {
          background: #55ACEE;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-whatsapp {
          background:  #25d366;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-google,
        .ah-share-container .fa-google-plus {
          background: #dd4b39;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-linkedin {
          background: #007bb5;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-youtube {
          background: #bb0000;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-instagram {
          background: #125688;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-pinterest {
          background: #cb2027;
          color: white;
        }
	</style>
								<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">&#8212;- সত্যব্রত ভদ্র মিঠুন<br />
২৬ মার্চ ২০১৫, ৪৫ তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। যে দিনটির জন্য বাঙালী জাতিকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ ২৩ বৎসর লড়াই সংগ্রাম করতে হয়েছে। ভাষার জন্য, মানবিক অধিকারের জন্য, ন্যায় সঙ্গত আচরণের জন্য, অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা বাসস্থানের জন্য কথা বলতে গিয়ে বাংলার মানুষকে কথায় কথায় গুলি, জেল-জলুমু অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল। বাঙালীর অবিসংবাদিত নেতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর নির্মমতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে গিয়ে তার জীবনের ১৩টি বছর করাগারে বন্দি জীবন কাটাতে হয়েছে। স্কুলে অধ্যয়নকালেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীনচেতা ছিলেন ছাত্রদের অধিকার আদায়ের জন্য তিনি স্কুলে ধর্মঘট আহ্বান করেছিলেন। ছোট বেলা থেকেই পরোপকারী, মহানুভব, সাহসী, বিনয়ী, সৎ চরিত্রের অধিকারী, দায়িত্বশীল, ধর্মানুরাগী বাবা মায়ের পরম স্নেহের খোকা ধীরে ধীরে পশ্চিম পাকিস্তানি হানাদরদের বিরুদ্ধে বাঙালী জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে বাংলার এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে বেরিয়েছেন। ১৯৪৯ সালের ২৪ জুন বন্দি অবস্থায় শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী মুসলিম লীগের এক নম্বর যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি খাজা নাজিম উদ্দিন উর্দ্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার অন্যায় ইচ্ছা প্রকাশ করলে কারাগারে বন্দী মুজিব ইহার প্রতিবাদ করার জন্য ছাত্রদের প্রতি নির্দেশ প্রদান করেন। ১৯৫৩ সালের ৯ জানুয়ারিতে আওয়ামী মুসলীমলীগের কাউন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবকে সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত করা হয়। ১৯৫৫ সালের ২৯ মে চাঁদপুরের জনসভায় মুজিব বলেন, আওয়ামী মুসলিম লীগ জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সমান আচরন করবে। প্রয়োজনে সংগঠনের নামও বদলাতে পরি। (সূত্র শেখ মুজিব ও স্বাধীনতা)। ১৯৬৮ সালের ১লা জানুয়ারি জেনারেল আইয়ুব খানা শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করেন ১৯৬৯ সালের ৫ জানুয়ারি শেখ মুজিবের ছয় দফা ও ছাত্রদের ১১ দফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। আওয়ামীলীগ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আন্দোলন গণ আন্দোলনের রুপ লাভ করে। ২৩ শে ফেব্র“য়ারি রেসকোর্স মাঠে গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মুজিবকে আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধু উপাধিতে ভূষিত করে লক্ষ লক্ষ ছাত্র জনতা। ১৯৭০ সালের ১ লা জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পুনরায় আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ৭ জুন রেসকোর্স মাঠে বঙ্গবন্ধু ৬ দফার ভিত্তিতে আওয়ামীলীগকে নির্বাচিত করার জন্য জনগণের প্রতি আবেদন করেন। ১৭ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু নৌকা মার্কাকে দলীয় প্রতীক হিসাবে নির্ধারন করেন। ১৯৭০ এর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর আওয়ামীলীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন লাভ করে তৎকালীন পাকিস্তানের জাতীয় সরকার গঠনের জন্য জনগণের  ম্যান্ডেট লাভ করেন। কিন্তু সামরিক চক্র জাতীয় সংসদের অধিবেশন না ডাকায় ২রা মার্চ ১৯৭১ এ  মুজিব হরতাল ডাকেন এবং ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে পরবর্তী নির্দেশ দিবেন বলে ঘোষণা করেন। ৩রা মার্চ অসহযোগ আন্দোলন ঘোষণা করেন। বাংলার মানুষ অসহযোগ আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এ দিন বাংলার ছাত্র যুব সমাজ বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীন বাংলার সর্বাধিনকায় মনোনীত করে এবং স্বাধ”ীন বাংলার পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীত নির্ধারণ করে বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে পল্টনের জনভায় ইস্তেহার পাঠ করা হয়। এল বাংলার সেই মহানায়কের প্রতিশ্র“ত মহান ৭ই মার্চ। এ দিন ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে সমবেত লক্ষ লক্ষ বাঙালী জনতাকে বঙ্গবন্ধু বাঙালী জাতির উপর বর্বর পাকিস্তানী শাসন শোষণ অত্যাচার, নির্যাতনের দীর্ঘ বিবরণ শেষে অতি সুকৌশলে জাতিকে জানিয়ে দিলেন ‘‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেবো, তবু এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ।” ২৩ মার্চ সকালে উত্তাল জনতার দাবীতে ৩২নং রোডের ধানমন্ডিস্থ বঙ্গন্ধুর বাসভবনে উত্তোলিত হয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের হলুদ বর্ণ সম্বলিত মানচিত্রের লাল সবুজের পাতাক্ ২৫ মার্চ’৭১ এর রাত ১২ টাকার আগে হানাদার পাকিস্তান সামরিক জান্তা ঢাকাস্থ পিলখানার ইপি আর হেড কোয়াটার এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইনে আক্রমন চালিয়ে বাংলায় নিরস্ত্র বাঙালীর উপর গণহত্যা শুরু  করে এবং ঢাকা শহরে আগুন নিয়ে পোড়াতে থাকে। এ পরিস্থিতিতে রাত ১২ টার পর (২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে) বাংলার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বন্দী হওয়ার আগ মুহুর্তে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। চট্টগ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা জাফর আহমদ চৌধুরী সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার লিখিত বানী ওয়্যারলেসে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। এই স্বাধীনতা ঘোষনার মুদ্রিত হ্যান্ডবিল ২৬শে মার্চ’৭১ দুপুরের মধ্যে চট্টগ্রামবাসীর হস্তগত হয়েছিল। হ্যান্ডবিলটি ছিল ইংরেজিতে। পাক সামরিক জান্তা বঙ্গবন্ধুকে বন্দী করে পাকিস্তানের শাহীওয়াল কারাগারে নিয়ে যান এবং কারাগারের সেলের পাশেই তার জন্য কবর খনন করেন। তখন জাতির জনক বলেছিলেন, ফাঁসির মঞ্চে যাওয়ার আগে বলবো আমি বাঙালী, বাংলা আমার ভাষা, বাংলা আমার দেশ তিনি কারারক্ষীদের বলেছিলেন, আমার মৃত্যুর পর তোমরা আমার মৃতদেহ বাংলার মানুষের কাছে পাঠিয়ে দিও। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু আজীবন অন্যায়ের সাথে মাথানত না করে বাঙালী জাতির অধিকার আদায়ে লড়াই সংগ্রাম করে আমাদেরকে একটি মুক্ত স্বাধীনত দেশ উপহার দিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সারা দিয়ে এদেশের কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, জনতা, পেশাজীবি, কর্মজীবি, বুদ্ধিজীবিসহ সামরিক বাহিনী, ইপিআর পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত লক্ষ লক্ষ বাঙালী পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বাঙালী হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে বীরত্বের সাথে অস্ত্র হাতে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলো। বাংলার মুক্তি পাগল জনতা সে দিন ধর্ম বর্ণ গোত্র নির্বিশেষে সকলে কাঁধে কাধ মিলিয়ে বাংলা মাকে মুক্ত করার সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো। কত মায়ের সন্তান সেদিন প্রিয় মায়ের কাছে বুকে যাওয়ার কথা বলে যেতে পারেনি কারন মা জননি যদি যুদ্ধে যেতে বারন করেন। আবার অনেক মা তার একমাত্র সন্তানকে হাসিমুখে যুদ্ধে পাঠিয়েছে। পাকিস্তানী হায়েনাদের হাত থেকে প্রিয় মাতৃভূমি মুক্ত করার জন্য। মায়ের লাখো সন্তান মায়ের কোলে ফিরে আসেনি। তারা বাংলার মুক্তি পাগল বীর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। মাগো তুমি কেদো না, মা চেয়ে দেখো তোমার ছেলের আত্মত্যাগে, তোমার মেয়ের ইজ্জত বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পূর্ব দিগন্তে স্বাধীনতার লাল সূর্য উদিত হয়েছে। যে সূর্য উদয়ের অপেক্ষায় বাঙালী জাতিকে পাকিস্তানী সামরিক জান্তা ও তাদের এ দেশীয় দোসরদের বিরুদ্ধে ২৩ বছর লড়াই, সংগ্রাম করে জীবন দিতে হয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩.০ লকষ শহীদ ও দুই লক্ষ ছিয়াত্তর হাজার মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে জাতির গর্বিত সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখ যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীন দেশ বাংলাদেশ অর্জন করেছিলাম। মুক্তিযুদ্ধে জয় বাংলা শ্লোগান আর মুক্তিবাহিনী এই কথা শুনলেই রাজাকার, আলবদর, আল শামস্ ও পাকিস্তানী বাহিনী আতঙ্গগ্রস্ত হয়ে পড়তো। আজ স্বাধীনতা দিবসের এই লেখনীর মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের গভীর শ্রদ্ধা জানাই, গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী রাজাকার, আলবদর, আল শামস্, পাকিস্তানী হায়নাদের কারা নির্যাতিত মা বোন বীরঙ্গানাদের কৃতজ্ঞ চিত্তে অবনতভাবে স্মরণ করি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধা বীর সেনানী শহীদ বুদ্ধিজীবিদের। এখন মুক্তিযুদ্ধের নেতৃত্বদানকারী আওয়ামীলীগ সরকার রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত। প্রধানমন্ত্রী আওয়ামীলীগ সভা নেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযোদ্ধারা তাদের কাঙ্খিত সাফল্যের দিকে এগোচ্ছে। যুদ্ধাপরাধীদের বিচার কাজ চলছে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের প্রগতিশীল সকল মানুষকে জননেত্রী দেশরত্ম শেশখ হাসিনার পাশে দাঁড়িয়ে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় জাতির জনকের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে হবে। ছোট বেলায় শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদের সদস্য ছিলাম। অন্যান্য বন্ধুরা সহ স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উপলক্ষ্যে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেয়ার জন্য ফুলের তোড়া বানাতে হবে, ফুল সংগ্রহ করা, পাতা বাহার গাছ, মুলি বাঁশ সংগ্রহ। এ সব দিয়ে সুন্দর করে তোড়া বানানো কত আনন্দ, স্বাধীনতা দিবসের প্রথম প্রহরে ২১ বার তোপধ্বনি এর পর মিছিল যে মিছিল মিলিত হতো ছাত্রলীগের মিছিলে। ২৬শে মার্চ আলোচনা সভা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, ক্রীড়ানুষ্ঠান, কবিতা পাঠের আসর কত অনুষ্ঠান। যে সব অনুষ্ঠানে ছোট বেলায় আমাদের মধ্যে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কাজ করতো। আমরা সে দিন পেয়েছিলাম প্রয়াত এমপি আব্দুর রব মিয়া, আবু জাফর মাইনুদ্দিন, কোরবান আলী, আহাম্মদ মিয়া, আবদুল আউয়াল মিয়া, আলী আজজ্ম মজুমদার, সিরাজুল ইসলাম, দেলোয়ার হোসেন, হোসেন আহাম্মদ পাটওয়ারী, হোসেন ইমাম হায়দার, আবুল খায়ের চেয়ারম্যান, আব্দুল মতিন ভূঁইয়া, শাহজাহাদা ভাই, সিরাজ ভাই, সুফি ভাই, হাশেম পাটওয়ারী, মো: মোস্তফা কামাল, আবদুল মালেক, বাবুল, চঞ্চল, আলম, মিজানুর রহমান স্বপন, লেদা ভাই, তপন, আবু,আলম, অনুপ, মিন্টু, হাফেজ, লিটন, জাহাঙ্গীর সহ আমাদেরকে ফেলে অকালে চলে যাওয়া আরো অনেক নেতা কর্মীকে। যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শ বাস্তবায়নের জন্য সৎ ও সাহসী ভাবে আওয়ামীলীগ ও অঙ্গ সংগঠনের জন্য কাজ করে গেছেন। শক্তিশালী সংগঠনে পরিণত হয়েছিল হাজীগঞ্জ থানা, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, শ্রমিকলীগ, কৃষকলীগ, আওয়ামীলীগ। আজকের হাজীগঞ্জে ছাত্রলীগের স্বাধীনতা দিবস উদ্যাপনে স্কুল, কলেজের ছাত্রদের অংশগ্রহণ তেমন একটা নেই। স্কুল, কলেজ মাদ্রাসায় সংগঠন আছে কিনা তার সদুত্তর কেউ দিতে পারে না। আওয়ামীলীগ, যুবলীগে ধারাবাহিকতা নেই, শ্রমিকলীগ, কৃষকলীগ, স্বেচছাসেবকলীগের কর্মকান্ড তেমন একটা চোখে পড়ে না। আওয়ামীলীগের ওয়ার্ড, ইউনিয়ন, উপজেলা সম্মেলন এবং ইউনিয়ন পরিষদ কিংবা পৌরসভা নির্বাচনের পূর্বে কিছুটা জাক জমক ভাবে স্বাধীনতা দিবস সহ অন্যান্য অনুষ্ঠান করার জন্য শাখা কমিটির নেতারা কিছু সহায়তা পেয়ে থাকেন। যেভাবে বিলবোর্ড, সাইনবোর্ড, ব্যানার, পোস্টারে বঙ্গবন্ধু ও প্রধানমন্ত্রী শেখ  হাসিনার পাশে নিজের ছবি দিয়ে প্রচার প্রচারনা চালানো হয় সেভাবে কম সংখ্যক ব্যক্তিকেই সাধারণ কর্মীদের পাশে থেকে সংগঠনকে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে বিএনপি জামাতের সন্ত্রাসী কর্মকান্ডের প্রতিবাদ করতে দেখা যায় না। আওয়ামীলীগ-ছাত্রলীগ কিছু কিছু নেতা কর্মীর বিএনপি ও জামায়াত শিবিরের সাথে সংশ্লিষ্ট যৌথ কিছু কর্মকান্ড ইতিমধ্যে জনমনে আওয়ামীলীগ কে বিতর্কিত করে তুলেছে। এদের বিরুদ্ধে সংগঠনের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা না নেয়া হলে যে কোন নির্বাচনে স্থানীয় আওয়ামীলীগকে কঠিন মূল্য দিতে হবে। এরা বিভিন্ন সময় আওয়ামীলীগের কর্মী সমর্থকদের উপর চড়াও হয়ে অপমান অপদস্থসহ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করে। আসুন ৪৫তম স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে আমাদের সকলের অঙ্গীকার হউক, মাদক, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতা, ছিনতাই, চুরি, ডাকাতি, গাড়ি ভাংচুর, পেট্টোল বোমা, ককটেল হামলা, ইভটিজিং সহ সকল দুর্নীতি স্বজনপ্রীতির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদ গড়ে তুলে আমাদের আগামী প্রজন্মের জন্য সুন্দর হাজীগঞ্জ গড়ে তুলি।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com/%e0%a6%b9%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80/">হৃদয়ে জাগ্রত মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস বার বার আসে</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com">Amar Kantha</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://amarkantha.com/%e0%a6%b9%e0%a7%83%e0%a6%a6%e0%a7%9f%e0%a7%87-%e0%a6%9c%e0%a6%be%e0%a6%97%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4-%e0%a6%ae%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%b8%e0%a7%8d%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a7%e0%a7%80/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">2342</post-id>	</item>
		<item>
		<title>বীর মুক্তিযোদ্ধদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি</title>
		<link>https://amarkantha.com/%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf/</link>
					<comments>https://amarkantha.com/%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sat, 21 Mar 2015 18:16:05 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://amarkantha.com/?p=2340</guid>

					<description><![CDATA[    <style>
        	   
         .ah-share-container{
            padding:10px;
            margin:10px 0;
            background:#fff;
        }
        .ah-share-container .fa {
            padding: 11px;
            font-size: 25px;
            width: 50px;
            text-align: center;
            text-decoration: none;
            margin: 5px 2px;
        }
        
        .ah-share-container  .fa:hover {
            opacity: 0.7;
        }
        
        .ah-share-container .fa-facebook {
          background: #3B5998;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-twitter {
          background: #55ACEE;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-whatsapp {
          background:  #25d366;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-google,
        .ah-share-container .fa-google-plus {
          background: #dd4b39;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-linkedin {
          background: #007bb5;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-youtube {
          background: #bb0000;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-instagram {
          background: #125688;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-pinterest {
          background: #cb2027;
          color: white;
        }
	</style>
	<p>সস্পাদকীয় ২৬ মার্চ ২০১৫, ৪৫ তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। যে দিনটির জন্য বাঙালী জাতিকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ ২৩ বৎসর লড়াই সংগ্রাম করতে হয়েছে। ভাষার জন্য, মানবিক অধিকারের জন্য, ন্যায় সঙ্গত আচরণের জন্য, অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা বাসস্থানের জন্য কথা বলতে গিয়ে বাংলার মানুষকে কথায় কথায় গুলি, জেল-জলুমু অত্যাচার নির্যাতনের শিকার &#8230; </p>
<p class="link-more"><a href="https://amarkantha.com/%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf/" class="more-link">Continue reading<span class="screen-reader-text"> "বীর মুক্তিযোদ্ধদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি"</span></a></p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com/%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf/">বীর মুক্তিযোদ্ধদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com">Amar Kantha</a>.</p>
]]></description>
			    <style>
        	   
         .ah-share-container{
            padding:10px;
            margin:10px 0;
            background:#fff;
        }
        .ah-share-container .fa {
            padding: 11px;
            font-size: 25px;
            width: 50px;
            text-align: center;
            text-decoration: none;
            margin: 5px 2px;
        }
        
        .ah-share-container  .fa:hover {
            opacity: 0.7;
        }
        
        .ah-share-container .fa-facebook {
          background: #3B5998;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-twitter {
          background: #55ACEE;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-whatsapp {
          background:  #25d366;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-google,
        .ah-share-container .fa-google-plus {
          background: #dd4b39;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-linkedin {
          background: #007bb5;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-youtube {
          background: #bb0000;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-instagram {
          background: #125688;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-pinterest {
          background: #cb2027;
          color: white;
        }
	</style>
								<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সস্পাদকীয়</p>
<p>২৬ মার্চ ২০১৫, ৪৫ তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। যে দিনটির জন্য বাঙালী জাতিকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দীর্ঘ ২৩ বৎসর লড়াই সংগ্রাম করতে হয়েছে। ভাষার জন্য, মানবিক অধিকারের জন্য, ন্যায় সঙ্গত আচরণের জন্য, অন্ন, বস্ত্র, শিক্ষা, চিকিৎসা বাসস্থানের জন্য কথা বলতে গিয়ে বাংলার মানুষকে কথায় কথায় গুলি, জেল-জলুমু অত্যাচার নির্যাতনের শিকার হতে হয়েছিল। বাঙালীর অবিসংবাদিত নেতা জাতিকর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে পশ্চিম পাকিস্তানি শাসক গোষ্ঠীর নির্মমতার বিরুদ্ধে সংগ্রাম করতে গিয়ে তার জীবনের ১৩টি বছর করাগারে বন্দি জীবন কাটাতে হয়েছে। স্কুলে অধ্যয়নকালেই বঙ্গবন্ধু স্বাধীন চেতা ছিলেন ছাত্রদের অধিকার আদায়ের জন্য তিনি স্কুলে ধর্মঘট আহ্বান করেছিলেন। ছোট বেলা থেকেই পরোপকারী, মহানভুব, সাহসী, বিনয়ী, সৎ চরিত্রের অধিকারী, দায়িত্বশীল, ধর্মানুরাগী বাবা মায়ের পরম স্নেহের খোকা ধীরে ধীরে পশ্চিম পাকিস্তানি হানাদরদের বিরুদ্ধে বাঙালী জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার লক্ষ্যে বাংলার এক প্রান্ত থেকে {অন্য প্রান্তে ছুটে বেরিয়েছেন। ১৯৪৯ সালের ২৪ জুন বন্দি অবস্থায় শেখ মুজিবুর রহমান আওয়ামী মুসলিম লীগের এক নম্বর যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫০ সালের ২৬ জানুয়ারি খাজা নাজিম উদ্দিন উর্দ্দুকে পাকিস্তানের রাষ্ট্রভাষা করার অন্যায় ইচ্ছা প্রকাশ করলে কারাগারে বন্দী মুজিব ইহার প্রতিবাদ করার জন্য ছাত্রদের প্রতি নির্দেশ প্রদান করেন। ১৯৫৩ সালের ৯ জানুয়অরিতে আওয়ামী মুসলীমলীগের কাুন্সিল অধিবেশনে শেখ মুজিবকে সাধারণ সম্পাদক র্বিাচিত করা হয়। ১৯৫৫ সালের ২৯ মে চাঁদপুরের জনসভায় মুজিব বলেন, আওয়ামী মুসলিম লীগ জাতি ধর্শ বর্ণ নির্বিশেষে সকলের প্রতি সমান আচরন করবে। প্রয়োজনে সংগঠনের নামও বদলাতে পরি। (সূত্র শেখ মুজিব ও স্বাধীনতা)। ১৯৬৮ সা{েলর ১লা জানুয়ারি জেনারেল আইয়ুব খানা শেখ মুজিবের বিরুদ্ধে আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলা দায়ের করেন ১৯৬৯ সালের ৫ জানুয়ারি শেখ মুজিবের ছয় দফা ও ছাত্রদের ১১ দফা দাবী আদায়ের লক্ষ্যে ছাত্র সংগ্রাম পরিষদ গঠিত হয়। আওয়ামীলীগ ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের আন্দোলন গণ আন্দোলনের রুপ লাভ বহর। ২৩ শে ফেব্র“য়ারি রেসকোর্স মাঠে গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে মুজিবকে আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্দু উপাধিতে ভূষিত করে লক্ষ লক্ষ ছাত্র জনতা। ১৯৭০ সালের ১ লা জানুয়ারি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পুনরায় আওয়ামীলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন। ৭ জুন সেকোর্স মাঠে বঙ্গবন্ধু ৬ দফার ভিত্তিতে আওয়ামীলীগকে নির্বাচিত করার জন্য জনগণের প্রতি আবেদন করেন। ১৭ অক্টোবর বঙ্গবন্ধু নৌকা মার্কাকে দলীয় প্রতীক হিসাবে নির্ধারন করেন। ১৯৭০ এর নির্বাচনে বঙ্গবন্দুর আওয়ামীলীগ সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন লাভ করে তৎকালীন পাকিস্তানের জাতীয় সরকার গঠনের জন্য জনগণের  ম্যান্ডেট লাভ করেন। কিন্তু সামরিক চক্র জাতীয় সংসদের অধিবেশন না ডাকায় ২রা মার্চ ১৯৭১ এ  মুজিব হরতাল ডাকেন এবং ৭ই মার্চ রেসকোর্স ময়দানে পরবর্তী নির্দেশ দিবেন বলে ঘোষণা করেন। ৩রা মার্চ অসহযোগ আন্দোলন ঘোষণা করেন। বাংলার মানুষ অসহযোগ আন্দোলনে ঝাঁপিয়ে পড়ে। এ দিন বাংলার ছাত্র যুব সমাজ বঙ্গবন্ধুকে স্বাধীন বাংলার সর্বাধিনকায় মনোনীত করে এবং স্বাধ”ীন বাংলার পতাকা ও জাতীয় সঙ্গীত নির্ধারণ করে বঙ্গবন্ধুর উপস্থিতিতে পল্টনের জনভায় ইস্তেহার পাঠ করা হয়। এল বাংলার সেই মহানায়কের প্রতিশ্র“ত মহান ৭ই মার্চ। এ দিন ঢাকা রেসকোর্স ময়দানে সমবেত লক্ষ লক্ষ বাঙালী জনতাকে বঙ্গবন্ধু বাঙালী জাতির উপর বর্বর পাকিস্তানী শাসন শোষণ অত্যাচার, নির্যাতনের দীর্ঘ বিবরণ শেষে অতি সুকৌশলে জাতিকে জানিয়ে দিলেন ‘‘এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম। এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেবো, তবু এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ।” ২৩ মার্চ সকালে উত্তা}ল জনতার দাবীতে ৩২নং রোডের ধানমন্ডিস্থ বঙ্গন্ধুর বাসভবনে উত্তোলিত হয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের হলুদ বর্ণ সম্বলিত মানচিত্রের লাল সবুজের পাতাক্ ২৫ মার্চ’৭১ এর রাত ১২ টাকার আগে হানাদার পাকিস্তানি সামরিক জান্তা ঢাকাস্থ পি}লখানার ইপি আর হেড কোয়াটার এবং রাজারবাগ পুলিশ লাইনে আক্রমন চালিয়ে বাংলায় নিরস্ত বাঙালীর উপর গণহত্যা শুরু  করে এবং ঢাকা শহরে আগুন নিয়ে পোড়াতে থাকে। এ পরিস্থিতিতে রাত ১২ টার পর (২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে) বাংলার স্থপতি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বন্দী হও}য়ার আগ মুহুর্তে বাঙলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। চট্টগ্রামের আওয়ামীলীগ নেতা জাফর আহমদ চৌধুরী সহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বাঙলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষণার লিীখত বানী ওয়্যারলেসে পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। এই স্বাধীনতা ঘোষনার মুদ্রিত হ্যান্ডবিল ২৬শে মার্চ’৭১ দুপুরের মধ্যে চট্টগ্রামবাসীর হস্তগত হয়েছিল। হ্যান্ডবিলটি ছিল ইংরেজিতে। পাক সামরিক জান্তা বঙ্গবন্ধুকে বন্দী করে পাকিস্তানের শাহীওয়াল কারাগারে নিয়ে যান এবং কারাগারের সেলের পাশেই তার জন্য কবর খনন করেন। তখন জাতির জনক বলেছিলেন, ফাসির মঞ্চে যাওয়ার আগে বলবো আমি বাঙালী, বাংলা আমার ভাষা, বাংলা আমার দেশ তিনি কারারক্ষীদের বলেছিলেন, আমার মৃত্যুর পর তোমরা আমার মৃতদেহ বাংলার মানুষের কাছে পাঠিয়ে দিও। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু আজীবন অন্যায়ের সাথে মাথানত না করে বাঙালী জাতির অধিকার আদায়ে লড়াই সংগ্রাম করে আমাদেরকে একটি মুক্ত স্বাধীনত দেশ উপহার দিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধুর ডাকে সারা দিয়ে এদেশের কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র, জনতা, পেশাজীবি, কর্মজীবি, বুদ্ধিজীবিসহ সামরিক বাহিনী, ইপিআর পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত লক্ষ লক্ষ বাঙালী পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বাঙালী হত্যাযজ্ঞের বিরুদ্ধে বীরত্বের সাথে অস্ত্র হাতে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিলো। বাংলার মুক্তি পাগল জনতা সে দিন ধর্ম বর্ণ গোত্র নির্বিশেষে সকলের কাঁধে কাধ মিলিয়ে বাংলা মাকে মুক্ত করার সংগ্রামে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলো। কত মায়ের সন্তান সেদিন প্রিয় মায়েল কাছে যুকে যাওয়ার কথা বলে যেতে পারেনি কারন মা জননি যদি যুদ্ধে যেতে বারন করেন। আবার অনেক মা তার একমাত্র সন্তানকে হাসিমুখে যুদ্ধে পাঠিয়েছে। পাকিস্তানী হায়েনাদের হাত থেকে প্রিয় মাতৃভূমি মুক্ত করার জন্য। মায়ের লাখো সন্তান মায়ের কোলে ফিরে আসেনি। তারা বাংলার মুক্তি পাগল বীর শহীদ মুক্তিযোদ্ধা। মাগো তুমি কেদো না, মা চেয়ে দেখো তোমার ছেলের আত্মত্যাগে, তোমার মেয়ের ইজ্জত বিসর্জনের মধ্য দিয়ে পূর্ব দিগন্তে স্বাধীনতার লাল সূর্য উদিত হয়েছৈ। যে সূর্য উদয়ের অপেক্ষায় বাঙালী জাতিকে পাকিস্তানী সামরিক জান্তা ও তাদের এ দেশীয় দোসরদের বিরুদ্ধে ২৩ বছর লড়াই, সংগ্রাম করে জীবন দিতে হয়েছে। স্বাধীনতা যুদ্ধে ৩.০ লকষ শহীদ ও দুই লক্ষ ছিয়াত্তর হাজার মা-বোনের ইজ্জতের বিনিময়ে জাতির গর্বিত সন্তান মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মুখ যুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীন দেশ বাংলাদেশ অর্জন করেছিলাম। মুক্তিযুদ্ধে জয় বাংলা শ্লোগান আর মুক্তিবাহিনী এই কথা শুনলেই রাজাকার, আলবদর, আল শামস্ ও পাকিস্তানী বাহিনী আতঙ্গগ্রস্ত হয়ে পড়তো। আজ স্বাধীনতা দিবসের এই লেখনীর মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের গভীর শ্রদ্ধা জানাই, গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করি স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধ বিরোধী রাজাকার, আলবদর, আল শামস্, পাকিস্তানী হায়নাদের কারা নির্যাতিত মা বোন বীরঙ্গানাদের কৃতজ্ঞ চিত্তে অবনতভাবে স্মরণ করি মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের বীর মুক্তিযোদ্ধা বীর সেনানী শহীদ বুদ্ধিজীবিদের।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com/%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf/">বীর মুক্তিযোদ্ধদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com">Amar Kantha</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://amarkantha.com/%e0%a6%ac%e0%a7%80%e0%a6%b0-%e0%a6%ae%e0%a7%81%e0%a6%95%e0%a7%8d%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%af%e0%a7%8b%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%aa%e0%a7%8d%e0%a6%b0%e0%a6%a4%e0%a6%bf/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">2340</post-id>	</item>
		<item>
		<title>ডিজিটালাইজড হউক ভুমি ব্যবস্থা</title>
		<link>https://amarkantha.com/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9c%e0%a6%a1-%e0%a6%b9%e0%a6%89%e0%a6%95-%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af/</link>
					<comments>https://amarkantha.com/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9c%e0%a6%a1-%e0%a6%b9%e0%a6%89%e0%a6%95-%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 15 Mar 2015 11:18:41 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://amarkantha.com/?p=2327</guid>

					<description><![CDATA[    <style>
        	   
         .ah-share-container{
            padding:10px;
            margin:10px 0;
            background:#fff;
        }
        .ah-share-container .fa {
            padding: 11px;
            font-size: 25px;
            width: 50px;
            text-align: center;
            text-decoration: none;
            margin: 5px 2px;
        }
        
        .ah-share-container  .fa:hover {
            opacity: 0.7;
        }
        
        .ah-share-container .fa-facebook {
          background: #3B5998;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-twitter {
          background: #55ACEE;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-whatsapp {
          background:  #25d366;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-google,
        .ah-share-container .fa-google-plus {
          background: #dd4b39;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-linkedin {
          background: #007bb5;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-youtube {
          background: #bb0000;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-instagram {
          background: #125688;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-pinterest {
          background: #cb2027;
          color: white;
        }
	</style>
	<p>সম্পাদকীয় সরকারের অনেকগুলো শ্লোগানের সাথে অন্যতম শ্লোগান হলো ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’। আর সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমে এর প্রমান হলেও ভুমি, ভুমি অফিস, ভুমি রেকর্ড, ইউনিয়ন পর্যায়ে তহশিল কার্যালয়ে এখনও পুরোপুরিভাবে ডিজিটাল করার পদক্ষেপ সরকার হাতে নেয়নি। সরকার প্রাথমিকভাবে শুধুমাত্র ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় জমির যাবতীয় তথ্য ডিজিটালাইজড করার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে প্রত্যেক বিভাগে কমপক্ষে &#8230; </p>
<p class="link-more"><a href="https://amarkantha.com/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9c%e0%a6%a1-%e0%a6%b9%e0%a6%89%e0%a6%95-%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af/" class="more-link">Continue reading<span class="screen-reader-text"> "ডিজিটালাইজড হউক ভুমি ব্যবস্থা"</span></a></p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9c%e0%a6%a1-%e0%a6%b9%e0%a6%89%e0%a6%95-%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af/">ডিজিটালাইজড হউক ভুমি ব্যবস্থা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com">Amar Kantha</a>.</p>
]]></description>
			    <style>
        	   
         .ah-share-container{
            padding:10px;
            margin:10px 0;
            background:#fff;
        }
        .ah-share-container .fa {
            padding: 11px;
            font-size: 25px;
            width: 50px;
            text-align: center;
            text-decoration: none;
            margin: 5px 2px;
        }
        
        .ah-share-container  .fa:hover {
            opacity: 0.7;
        }
        
        .ah-share-container .fa-facebook {
          background: #3B5998;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-twitter {
          background: #55ACEE;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-whatsapp {
          background:  #25d366;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-google,
        .ah-share-container .fa-google-plus {
          background: #dd4b39;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-linkedin {
          background: #007bb5;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-youtube {
          background: #bb0000;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-instagram {
          background: #125688;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-pinterest {
          background: #cb2027;
          color: white;
        }
	</style>
								<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সম্পাদকীয়<br />
সরকারের অনেকগুলো শ্লোগানের সাথে অন্যতম শ্লোগান হলো ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’। আর সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমে এর প্রমান হলেও ভুমি, ভুমি অফিস, ভুমি রেকর্ড, ইউনিয়ন পর্যায়ে তহশিল কার্যালয়ে এখনও পুরোপুরিভাবে ডিজিটাল করার পদক্ষেপ সরকার হাতে নেয়নি।</p>
<p>সরকার প্রাথমিকভাবে শুধুমাত্র ঢাকার কেরানীগঞ্জ উপজেলায় জমির যাবতীয় তথ্য ডিজিটালাইজড করার একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে। কিন্তু প্রকৃত পক্ষে প্রত্যেক বিভাগে কমপক্ষে একটি উপজেলাকে ডিজিটালাইজড করার প্রকল্প হাতে নিতে হবে। তাহলে বিভিন্ন বিভাগের প্রকল্পের জটিলতা বিভাগওয়ারী সমস্যা গ্রস করার সময় উঠে আসবে পরবর্তীতে প্রকল্পের ত্র“টি বিচ্যুতি দ্রুত সংশোধন করে প্রকল্পের কার্যক্রম দ্রুত শেষ করা যাবে।</p>
<p>একটি গোষ্ঠী ভুমিকে কেন্দ্র করে স্বল্প সময়ে বড় লোক হয়েছে। অশিক্ষিত, নিরক্ষর লোককে ধোকা দিয়ে তাদের জমি হাতিয়ে নিচ্ছে বা দখল করে নিচ্ছে। অর্পিত সম্পত্তি ওয়ারিশ সম্পত্তি, খাস সম্পত্তি দখলে নিয়ে জাল দলিল করে বিক্রি করার একটি চক্র দেশের সকল জেলা উপজেলায় সক্রিয়। যদি ভুমি ব্যবস্থাপনা ডিজিটালাইজড হয় তাহলে মধ্য স্বত্ত্ব ভোগ এই চক্র থেকে ক্রেতা বিক্রেতা মুক্ত হয়ে সঠিক তথ্য জেনে স্বচ্ছভাবে জমি ক্রয় বিক্রয় পারবে। তখন বাংলাদেশ সত্যিকার অর্থে ডিজিটাল হবে।</p>
<p>বলা হয়ে থাকে ভুমি ডিজিটালাইজড হলে এর সাথে জড়িত দলিল লেখক সহ ভুমি ব্যবস্থাপনা নিয়ে যারা কাজ করছেন তারা বেকার হয়ে পড়বেন। তাদের বিরোধীতার জন্যই কি সরকার ধীরে চলো নীতি অনুসরন করছেন? কিন্তু বেকার হয়ে যাবে একথা সঠিক নয়। যেহেতু ভুমি ব্যবস্থা হলো একটি চলমান প্রক্রিয়া তাই ডিজিটালাইজড হলে শুধুমাত্র তাদের নতুন প্রযুক্তির স্বার্থে পরিচিত হতে হবে। সব সময় কম্পিউটার, ল্যাপটপ ইন্টারনেট ব্যবহার করতে হবে। তখন তারা জমি ক্রেতা বিক্রেতা তাকে আরো স্বচ্ছ এবং নির্ভূল তথ্য সরবরাহ করতে পারবে।</p>
<p>আমরা আশা করি সরকার যেহেতু ইউনিয়ন পর্যায়ে তথ্য প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপন করে এই দেশে প্রযুক্তিগত বিপ্লব ঘটিয়েছেন। টেন্ডার প্রক্রিয়াকে অন লাইন করছেন থ্রি-জি জনগণের জন্য উন্মুক্ত করেছেন। ইন্টারনেটের ব্যবহার সকলের জন্য সহজ করেছেন। তেমনি ভুমি ব্যবস্থাপনাকে প্রযুক্তির আওতায় এনে ডিজিটালাইজড করে এদেশকে আরো এগিযে নিয়ে যাবেন।</p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9c%e0%a6%a1-%e0%a6%b9%e0%a6%89%e0%a6%95-%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af/">ডিজিটালাইজড হউক ভুমি ব্যবস্থা</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com">Amar Kantha</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://amarkantha.com/%e0%a6%a1%e0%a6%bf%e0%a6%9c%e0%a6%bf%e0%a6%9f%e0%a6%be%e0%a6%b2%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%9c%e0%a6%a1-%e0%a6%b9%e0%a6%89%e0%a6%95-%e0%a6%ad%e0%a7%81%e0%a6%ae%e0%a6%bf-%e0%a6%ac%e0%a7%8d%e0%a6%af/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">2327</post-id>	</item>
		<item>
		<title>দুর্ণীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা ও ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন হউক</title>
		<link>https://amarkantha.com/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%87/</link>
					<comments>https://amarkantha.com/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%87/#respond</comments>
		
		<dc:creator><![CDATA[admin]]></dc:creator>
		<pubDate>Sun, 08 Mar 2015 06:39:35 +0000</pubDate>
				<category><![CDATA[সম্পাদকীয়]]></category>
		<guid isPermaLink="false">https://amarkantha.com/?p=2199</guid>

					<description><![CDATA[    <style>
        	   
         .ah-share-container{
            padding:10px;
            margin:10px 0;
            background:#fff;
        }
        .ah-share-container .fa {
            padding: 11px;
            font-size: 25px;
            width: 50px;
            text-align: center;
            text-decoration: none;
            margin: 5px 2px;
        }
        
        .ah-share-container  .fa:hover {
            opacity: 0.7;
        }
        
        .ah-share-container .fa-facebook {
          background: #3B5998;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-twitter {
          background: #55ACEE;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-whatsapp {
          background:  #25d366;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-google,
        .ah-share-container .fa-google-plus {
          background: #dd4b39;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-linkedin {
          background: #007bb5;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-youtube {
          background: #bb0000;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-instagram {
          background: #125688;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-pinterest {
          background: #cb2027;
          color: white;
        }
	</style>
	<p>সত্যব্রত ভদ্র মিঠুন মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তমের সঙ্গে আমার পরিচয়ের সুযোগ হয়েছিল দেড়যুগেরও বেশি সময় পূর্বে হাজীগঞ্জ সবুজ সংঘের একটি মহতি অনুষ্ঠান- রক্তদান কর্মসূচীতে। কিছু মত-বিনিময়ের পর ওনার ধানমন্ডির বাসায় আমাকে যেতে বলেন। পরবর্তী সাক্ষাতে তিনি হাজীগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গণসংযোগ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। আমি তখন হাজীগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি। প্রত্যেকটি &#8230; </p>
<p class="link-more"><a href="https://amarkantha.com/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%87/" class="more-link">Continue reading<span class="screen-reader-text"> "দুর্ণীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা ও ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন হউক"</span></a></p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%87/">দুর্ণীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা ও ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন হউক</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com">Amar Kantha</a>.</p>
]]></description>
			    <style>
        	   
         .ah-share-container{
            padding:10px;
            margin:10px 0;
            background:#fff;
        }
        .ah-share-container .fa {
            padding: 11px;
            font-size: 25px;
            width: 50px;
            text-align: center;
            text-decoration: none;
            margin: 5px 2px;
        }
        
        .ah-share-container  .fa:hover {
            opacity: 0.7;
        }
        
        .ah-share-container .fa-facebook {
          background: #3B5998;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-twitter {
          background: #55ACEE;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-whatsapp {
          background:  #25d366;
          color: white;
        }
        .ah-share-container .fa-google,
        .ah-share-container .fa-google-plus {
          background: #dd4b39;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-linkedin {
          background: #007bb5;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-youtube {
          background: #bb0000;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-instagram {
          background: #125688;
          color: white;
        }
        
        .ah-share-container .fa-pinterest {
          background: #cb2027;
          color: white;
        }
	</style>
								<content:encoded><![CDATA[<p style="text-align: justify;">সত্যব্রত ভদ্র মিঠুন<br />
মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তমের সঙ্গে আমার পরিচয়ের সুযোগ হয়েছিল দেড়যুগেরও বেশি সময় পূর্বে হাজীগঞ্জ সবুজ সংঘের একটি মহতি অনুষ্ঠান- রক্তদান কর্মসূচীতে। কিছু মত-বিনিময়ের পর ওনার ধানমন্ডির বাসায় আমাকে যেতে বলেন। পরবর্তী সাক্ষাতে তিনি হাজীগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে একজন মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে গণসংযোগ করার ইচ্ছা প্রকাশ করেন। আমি তখন হাজীগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের সভাপতি। প্রত্যেকটি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, ইউনিয়ন, ওয়ার্ড, পৌর এলাকায় আমাদের কমিটি আছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে নিয়মিত অধ্যয়নরত ছাত্র-ছাত্রীরাই ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী-সমর্থক হওয়ার সুযোগ পেত। আওয়ামীলীগের ত্যাগী, সৎ ও যোগ্য নেতাদের নেতৃত্বে থানার প্রত্যেকটি এলাকায় গ্রামে-গ্রামে পর্যন্ত শক্তিশালী সংগঠনের জন্য নিবেদিত প্রাণ কর্মী বাহিনীর সমন্বয়ে গ্রাম কমিটি ছিল। শ্রমিকলীগ, রিক্সা শ্রমিক লীগের নেতা-কর্মীরা আমাদের সঙ্গে সহযোগিতা ও অংশ গ্রহণ করে আমাদের সাহস যোগাতো। বঙ্গবন্ধু পরিষদের নেতৃবৃন্দ সংগঠনে বিভিন্ন পেশার সৎ, নিষ্ঠাবান, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের প্রগতিশীল মানুষকে এক করে একটি যুগপোযোগী সংগঠন গড়ে তোলেন। শেখ রাসেল স্মৃতি সংসদ হাজীগঞ্জের আওয়ামী পরিবারের স্কুল পড়–য়া কিছু ছাত্রের দুঃসাহসী উদ্যোগে এবং সামাজিক, সাংস্কৃতিক, ক্রীড়াঙ্গনে সাফল্যজনক উপস্থিতিতে সাধারণ জনগণ ও ছাত্রদের মধ্যে ব্যাপক পরিচিতি লাভ করে এর শাখা বিভিন্ন অঞ্চলে গঠিত হয়। যার ফলে থানা ছাত্রলীগ অনেক বেশি শক্তিশালী সংগঠনে পরিনত হয়। বঙ্গবন্ধু স্মৃতি সংসদ হাজীগঞ্জ থানার কয়েকটি এলাকায় সংগঠিত হয়ে কাজ করে। যে কারণে আওয়ামীলীগের নেতা কর্মীরা উজ্জিবীত হয়। শাপলা কুড়ির আসর, বঙ্গবন্ধু শিশু-কিশোর সংগঠনের সদস্যরা হাজীগঞ্জের ক্রীড়াঙ্গনে বিশেষ ভূমিকা রেখে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তি হিসেবে আওয়ামী পরিবারের মুখ উজ্জ্বল করে। কৃষকলীগ গ্রামাঞ্চলে তাদের সংগঠনকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে খেটে খাওয়া মানুষদের নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছিলো। যুবলীগ পৌর এলাকাসহ থানার বিভিন্ন ইউনিয়ন, ওয়ার্ডে সংগঠিত হয়ে আন্দোলন সংগ্রামে সাহসী ভূমিকা নেয়।<br />
থানা আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত প্রত্যেকটি কর্মসূচীতে সকল অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতা-কর্মীরা ভাই-ভাই হিসেবে কোন প্রকার লোভ লালসা চাওয়া পাওয়াকে উপেক্ষা করে একযোগে কাজ করে। শুধু বৃহত্তর কুমিল্লা জেলা নয় সারা বাংলাদেশে হাজীগঞ্জের আওয়ামী পরিবারের ব্যাপক সুনাম ও শক্তিশালী অবস্থানের কথা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আওয়ামীলীগের সভানেত্রী, জননেত্রী শেখ হাসিনাসহ কেন্দ্রের সকল নেতৃবৃন্দের জানা ছিল। হাজীগঞ্জের সরাসরি যোগাযোগ ছিল কেন্দ্রের (ঢাকার) সাথে। চাঁদপুরে বসে কোন কমিটি তখন দেওয়া হতো না। হাজীগঞ্জের কমিটি হাজীগঞ্জে সভা করে সকলে বসে করা হতো। বি.বি.সি, ভয়েস অব আমেরিকায় নেত্রীর (শেখ হাসিনার) স্বৈরাচারী বিএনপি সরকার বিরোধী কর্মসূচী জানামাত্র হাজীগঞ্জের রাস্তায় মিছিল, বিভিন্ন স্থানে প্রতিবাদ সভা-সমাবেশ অনুষ্ঠিত হতো। বিএনপি সরকারের অত্যাচার, নির্যাতন, মামলা, হামলা, সন্ত্রাসীদের লেলিয়ে দিয়ে লুটপাট, হত্যাচেষ্টা, অপহরণ, দুর্ণীতি, চাঁদাবাজি, দলীয়করণ ছিল নিত্য দিনের ঘটনা। এসকল অন্যায়ের বিরুদ্ধে হাজীগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের নেতৃত্বে সকল অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের বিশাল কর্মী বাহিনীসহ মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের সকল প্রগতিশীল মানুষ ঐক্যবদ্ধ হয়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বিরোধী বিএনপি ও তার দোসরদের বিরুদ্ধে আমরা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তুলি এবং আমাদের আন্দোলন সংগ্রামে ছাত্রলীগের হাজার হাজার কর্মী বাহিনীসহ সকল শ্রেণী-পেশার মানুষ অংশগ্রহন করে ও সমর্থন দেয় এবং সাহায্য সহযোগিতা করে।<br />
মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তমের সাথে আমার প্রথম প্রোগ্রাম হাজীগঞ্জ উপজেলার শ্রীপুর গ্রামে। এলাকার জনগণ একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা, সেক্টর কমান্ডার, তত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা, জাতীয় ব্যক্তিত্বকে কাছে পেয়ে অনেক আনন্দিত ও উৎফুল্ল। তিনি এলাকবাসীকে পরবর্তী জাতীয় নির্বাচনে আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন। তার এই সফরে স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধাগণ, আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসহযোগি সংগঠনের নেতা-কর্মী সমর্থক, এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের অনেক প্রবীন মুরুব্বিরাসহ সাধারণ জনগণকে অংশগ্রহণ করতে দেখা যায়। পুরোপুরি সফল প্রোগ্রাম। এরপর মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম মহোদয় আমাকে তার ব্যক্তিগত প্যাডে প্রোগ্রামের সফলতায় ধন্যবাদ জানিয়ে একটি চিঠি লিখেন। যা আমার কাছে আজও স্মৃতি হয়ে জ্বলজ্বল করছে। এই চিঠি আমার জন্য সার্টিফিকেট। আরেক চিঠি বি.ডি.আর বিদ্রোহে স্ত্রীসহ নিহত (শহীদ) শাহরাস্তি নিবাসী কর্ণেল দেলোয়ার সাহেবের স্ব হস্তে লেখা। তিনি আমার কাছে হাজীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন তথ্য চেয়েছিলেন। চিঠিটি পাঠিয়েছিলেন শাহরাস্তি থানা ছাত্রলীগের প্রাক্তন সভাপতি মান্নানের মাধ্যমে। সঙ্গে নগদ ৫০০/- (পাঁচশত) টাকা দিয়েছিলেন। তিনি আমাকে অনেক স্নেহ করতেন। প্রয়াত কর্ণেল দেলোয়ার সাহেবের চিঠিটি আমি স্মৃতি হিসেবে স্বযতেœ রেখে দিয়েছি। ঘাতকের ভয়াল বুলেটে তিনি অকাল প্রয়াত হয়েছেন। এই বীর সেনানী ও তার স্ত্রীসহ বি.ডি.আর বিদ্রোহে অকাল প্রয়াত সকল বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। মহান স্রষ্ঠার কাছে তাদের পরিবার পরিজনসহ সকলের মঙ্গলের জন্য করজোড়ে প্রার্থনা করি স্রষ্ঠা যেন সকলকে এই বিরাট শোক সইবার ক্ষমতা দেন।<br />
মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীর উত্তম হাজীগঞ্জে গণসংযোগ শুরু করার পর থেকেই আওয়ামীলীগের সমর্থক থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ বুঝতে পারে তিনি আগামী নির্বাচনে নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রার্থী হবেন। অল্প দিনে তা ব্যাপক প্রচার পায় এবং বিভিন্ন স্থানে তার বক্তব্য, কথাবার্তা, আলাপ আলোচনা সাধারণ মানুষের মনের মধ্যে স্থান করে নেয়। আওয়ামীলীগের কর্মীরা ভাবতে শুরু করে তিনি নৌকা প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করলে নিশ্চিত বিজয় লাভ করবেন এবং মন্ত্রীত্ব পাবেন। হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তির মানুষকে আর অবহেলার মধ্যে অনুন্নত জীবন যাপন করতে হবেনা। রাস্তাঘাট পাকা হবে। বাঁশের সাকো থাকবে না। পাকা ব্রীজ কালভার্ট হবে, ঘরে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ সংযোগ পৌছবে, স্কুল কলেজ মাদ্রাসায় সু-উচ্চ পাকা ভবন হবে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে সরকারি সাহায্য সহযোগিতা পৌছবে। কথায় কথায় মামলা হামলা দলীয় করণ চলবে না। আইন শৃঙ্খলার উন্নতি হয়ে সন্ত্রাস নির্মূল হবে। চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই রাহাজানি, নেশাজাতীয় দ্রব্যের বিস্তার রোধ হবে, মৌলবাদ ধর্মান্ধতা বাধাগ্রস্ত হবে। তার যোগ্য নেতৃত্বে হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তির মানুষ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, সংস্কৃতি, ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে অর্ধশত বছর এগিয়ে যাবে।<br />
হ্যাঁ ১৯৯৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের পক্ষ থেকে জননেত্রী, মুজিব কন্যা আওয়ামীলীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনার মনোনীত নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রার্থী হয়ে জাতীয় সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তৎকালীন বিএনপি সরকারের সন্ত্রাস, দলীয়করণে আইন শৃঙ্খলার চরম অবনতি হওয়া বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রাপ্ত হয়ে অল্প সময়ের মধ্যে তিনি কঠোর হস্তে দেশ থেকে সন্ত্রাস নির্মূল করেন। সারাদেশে তার সুনাম ছড়িয়ে পড়ে। চাঁদপুরের মানুষ সারাদেশে মেজর রফিকের এলাকার মানুষ হিসেবে সম্মানিত হয়। হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তিতে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, বিদ্যুৎ বিক্রি, থানা বিক্রি, নিম্নমানের ইট, পাথর, রড, সিমেন্ট, বালু দিয়ে স্থাপনা-রাস্তা নির্মান, দলীয়করণ অন্যায়ভাবে মামলা হামলা সব বন্ধ হয়ে যায়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সহযোগীতায় মেজর রফিকের অক্লান্ত শ্রম, চেষ্টা, সফলতায় হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তির প্রত্যেকটি এলাকায় উন্নয়ন কর্মকান্ড চলতে থাকে। এলাকার মানুষ নূতন বড় বড় ব্রীজ-কালভার্ট, স্কুল-কলেজ মাদ্রাসার সুন্দর এবং সু-উচ্চ ভবন, গ্রামের নূতন হাসপাতাল, বন্যার সময়ে উচু আশ্রয় কেন্দ্র, ঘরে ঘরে বিদ্যুতের নূতন সংযোগ, ইউনিয়ন পরিষদের নূতন ভবন, গ্রামে গ্রামে গভীর নলকূপ স্থাপন, জনগণ যেখানে ৫০ বছর পরেও পাকা রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে পারবে বলে ভাবেনি সে সকল রাস্তা পাকাকরণ, ডাকাতিয়া নদীর উপর শত কোটি টাকা ব্যয়ে ৭টি ব্রীজ নির্মান, ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, স্কুল কলেজ, মাদ্রাসা, হাসপাতাল, প্রশাসনিক ভবনে কম্পিউটার সিষ্টেম (ডিজিটাল পদ্বতি চালু) ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ। সরকারী খরচে ধর্মপ্রাণ মুসলমানদের পবিত্র হজ্বে প্রেরণ, বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা, দুস্থ মহিলাদের মধ্যে চাল, বস্ত্র, শীত বস্ত্র প্রদান, সাধারণ মানুষকে ঘর নির্মান করে দেওয়া, টিন প্রদান, বিনামূল্যে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা, গরীব ও মেধাবী ছাত্র-ছাত্রীদের মধ্যে বৃত্তির ব্যবস্থা, এতিম অনাথদের সাহায্য করা এ সকল কর্মকান্ড মেজর রফিকের হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তিতে উন্নয়নের বাস্তব রূপ দেওয়ার চিন্তা চেতনার সামান্য অংশ মাত্র।<br />
জনগণের বিশ্বাস সাধারণ মানুষের কল্যাণে তার অগ্র যাত্রা অব্যহত থাকবে। গত সপ্তাহে হাজীগঞ্জ নিবাসী জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ট সহচর বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের প্রাক্তন প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক প্রবীন রাজনীতিবিদ নুরুল ইসলাম সাহেবের এক ঘনিষ্ট আত্মীয় ক্যান্সারে আক্রান্ত ৪ বছরের এক শিশুর সু-চিকিৎসায় আর্থিক সহযোগিতার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরাবরে লিখিত আবেদন পত্রে সুপারিশ পাওয়ার জন্য এম.পি মহোদয়ের (মেজর অবঃ রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম) অনুমতিক্রমে জাতীয় সংসদ ভবনের অফিস কক্ষে সাক্ষাতের সুযোগ হয়। তিনি আমার কি বলার আছে জানতে চাইলে আমি ক্যান্সারে আক্রান্ত শিশুটির পিতার মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বরাবরে লিখিত আবেদন খানা তাঁহার কাছে দেওয়ার পর তিনি পরম মমতার সহিত আবেদন খানা গ্রহণ করেন এবং সাথে সাথে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বললেন এবং আমাকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিলেন। পরের দিনই তিনি সকল কাগজ প্রস্তুত করে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে পৌছানোর নির্দেশ দেন। যাতে শিশুটি এই কঠিন রোগ থেকে মুক্তি পেয়ে দীর্ঘ জীবন লাভ করে। আমার মনে আছে তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী থাকা অবস্থায় সরকারী বাসভবন বেইলী রোডে হাজীগঞ্জ থানা ছাত্রলীগের একটি সভা হয়েছিল, সেই সভায় আমি আমাদের মকিমাবাদ গ্রামের একটি শিশুর চোখের সমস্যা তুলে ধরেছিলাম। সাথে সাথে ব্যবস্থা নিয়ে পরদিনই ঐ শিশুর বাবার চাহিদা মত তার হাতে তিনি ২৫ হাজার টাকার চেক তুলে দিয়েছিলেন। তার এই মহানুভবতায় আজ ঐ শিশু সুস্থ্য অবস্থায় অনেক বড় হয়ে দুনিয়ার আলো দেখতে পাচ্ছে। এরকম হাজার সমস্যার মুখোমুখী হয়ে তিনি সাধারণ মানুষের ভাল-মন্দ, সুখ-দুঃখের সাথী থেকে দীর্ঘ জীবন লাভ করবেন বলেই সাধারণের বিশ্বাস।<br />
১লা মার্চ ২০১৫ইং হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের নব নির্বাচিত কমিটির অভিষেক অনুষ্ঠানে মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বক্তব্য রেখেছেন। আমার এ অনুষ্ঠানে নিমন্ত্রণ ছিল, পারিবারিক অসুবিধার কারণে অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পারিনি বলে খারাপ লেগেছে। পবিত্র পেশায় নিয়োজিত সাংবাদিকদের অনুষ্ঠান যারা জীবন বাজি রেখে, কঠোর পরিশ্রম করে, শত লোভ লালসাকে পিছনে ফেলে, জনগণের দৈনন্দিন জীবনের অভাব, অভিযোগ, অন্যায়, অত্যাচার, নির্যাতন, সার্বিক উন্নয়ন, কল্যাণমূলক কাজ আয়নার মত স্পষ্ট করে তুলে ধরার জন্য দৃঢ় চিত্তে কাজ করে যান তাদের এই সুন্দর অনুষ্ঠানে না যেতে পারলেও মেজর রফিকের মূল্যবান বক্তব্য উপস্থিত শ্রোতাদের কাছ থেকে মন দিয়ে শুনেছি। মেজর রফিক বরাবরই প্রিন্ট ও ইলেকট্রিক মিডিয়ার অভিভাবক (বন্ধু)। আমি দেখেছি কোন অনুষ্ঠানে, গণ সংযোগে তিনি গেলে কোথাও কোন খাওয়ার ব্যবস্থা থাকলে খেতে যাওয়ার পূর্বে তিনি মিডিয়ার প্রতিনিধি, প্রশাসনের প্রতিনিধি, গাড়ী-রিক্সার সংশ্লিষ্ট চালক এদের সকলের খাওয়ার ব্যবস্থা হয়েছে কিনা জেনে নিতেন। হাজীগঞ্জ প্রেসক্লাবের অভিষেক অনুষ্ঠানের বক্তব্যে তিনি সকল সাংবাদিকদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। সাংবাদিকরা যাতে বিভক্ত না হন এমন পরামর্শ দিয়ে দূর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে নির্ভয়ে সংবাদ প্রকাশ করার জন্য মত প্রকাশ করেন। মেজর রফিক সাংবাদিকদের তাদের লেখনির মাধ্যমে উন্নয়ন খাতের দূর্নীতিবাজ সরকারী সম্পত্তি অন্যায়ভাবে দখলে রাখা, আত্মসাত, বিদ্যুৎ সংযোগের নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লক্ষ লক্ষ টাকা চাঁদাবাজি, শিক্ষক নিয়োগে অর্থ বাণিজ্য এসকল দূর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধানী তথ্য নির্ভর সংবাদ প্রকাশ করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন সরকার জনগণের ট্যাক্সের টাকায় জনগণকে বিদ্যুৎ দিবে, আর এই বিদ্যুৎ নিয়ে কতিপয় লোক লক্ষ লক্ষ টাকা আত্মসাত করবে তা হতে দেওয়া হবে না।<br />
তিনি ২০২০ সালের মধ্যে প্রতিটি ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ পৌছে দেওয়া হবে বলে জানান। তিনি হাজীগঞ্জের টোরাগড়-বড়কুল এবং শাহরাস্তির সূচীপাড়ায় ডাকাতিয়া নদীর উপর আরো দুইটি ব্রীজ হবে বলে উল্লেখ করেন। তিনি অনুষ্ঠানে হাজীগঞ্জ প্রেস ক্লাবের জন্য স্থায়ী ভূমির ব্যবস্থা করা হবে বলে আশ্বাস প্রদান করেন। আমি আজকের এই লেখায় মেজর রফিকের রাজনৈতিক ও উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের তেমন কিছু উল্লেখ করতে পারিনি। পরবর্তীতে তার সাথে সম্পর্কিত আওয়ামীলীগ ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের স্থানীয় ত্যাগী, সৎ, নির্ভিক কর্মী এবং প্রবীন নেতাদের নিয়ে লিখবো। সেখানে থাকবে মেজর রফিকের মতো বিশাল হৃদয়ের, মহান ব্যক্তিত্বের সঙ্গে কর্মী হিসেবে কাজ করার অনেক দিনের অভিজ্ঞতা। বর্তমানে হাজীগঞ্জের সরকারি দলের এক নেতা কিছু দিন পূর্বে আমাকে বললেন, মিঠুন এখন মেজর সাহেবের রিক্সা ধাক্কাওনা? তাকে কিছু বলিনি কারণ আমিই তাকে অনেকের কথা অমান্য করে সংগঠনের পদ পদবীতে স্থান করে দিয়েছিলাম। যারা এক সময় কোন পদ পদবীতে ছিলোনা। তারা এখন বড় বড় পদে আর নূতন নূতন দলছুট কিংবা স্বাধীনতা বিরোধী পরিবারের লোকেরা এখন সরকারি দলের মাতব্বর। এরাই আওয়ামীলীগের নাম ভাঙ্গিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের কাছে আওয়ামীলীগের স্বার্থ বড়, না নিজের সুযোগ সুবিধা স্বার্থই বড়।<br />
বিএনপি-জামাতের বর্তমান পেট্রোলবোমা নির্ভর আন্দোলনে হাজীগঞ্জের রামচন্দ্রপুর, বলাখাল, বেলচোঁ, সেন্দ্রা, টোরাগড়, এনায়েতপুর, জনতাবাজার, বাকিলা, দেবপুর, পাতানিশ, রাজাপুর, বেলঘরসহ অনেক স্থানে আওয়ামীলীগের কর্মীরা নির্যাতীত হয়েছে সাহসী নেতৃত্বের অভাব ও কিছু কিছু স্থানে লোভী নেতৃত্বের কারণে। তাদের যেকোন সময় যেকোন ঘটনায় পুলিশ বাহিনীর উপর নির্ভরতা ছাড়া আর কোন উপায় নাই। এমনকি পুুলিশ বাহিনী দ্বারা ধৃত বিএনপি-জামাতের সন্ত্রাসীদের ছাড়িয়ে নিতে অন্যায়মূলক তৎপরতায় তাদের জুড়ি নেই। মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তমের কঠোর মনোভাবের কারণেই থানায় তদবীরকারী নেতারা অনেকেই পিছু হটেছেন।<br />
উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামীলীগের হাজার হাজার নেতা-কর্মী সমর্থক ও সাধারণ জনগণের কঠোর পরিশ্রমের পরেও ভাইস চেয়ারম্যান পদ হারানোর জন্য সংগঠনে নূতন করে পদ পদবী পাওয়া, কালো টাকাওয়ালা, স্বাধীনতা সংগ্রাম, মহান মুক্তিযুদ্ধ, আওয়ামীলীগের আদর্শ উদ্দেশ্য সম্পর্কে অজ্ঞ নব্য মৌলবাদী চেতনার কিছু সংখ্যক ব্যক্তি আওয়ামীলীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অন্য দলের (জামাত) প্রার্থীকে বিজয়ী করার জন্য কালো টাকা ছড়িয়ে আওয়ামীলীগ প্রার্থীর নিশ্চিত বিজয় ম্লান করে দেয়। নির্বাচনের শেষ মুহূর্তে কেউ কেউ অন্য প্রার্থীর কাছে টাকায় বিক্রি হয়ে আওয়ামীলীগ মনোনীত ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীকে অল্প ভোটের ব্যবধানে হারতে বাধ্য করে। একটি নিশ্চিত বিজয় থেকে বঞ্চিত করে আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মী সমর্থকদের। এই ঘটনা হাজীগঞ্জের আওয়ামীলীগের রাজনীতিতে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায় হিসেবে রচিত থাকবে।<br />
অন্যদিকে আমার ছাত্র রাজনীতির সহযোদ্ধা কলম বন্ধু সাপ্তাহিক আমার কন্ঠ পত্রিকার প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক মোঃ কামাল হোসেন ২০০১ সালে দায়িত্ব পালন কালে নিজ দলের লোকদের হাতে নির্যাতিত হন। তখন হাজীগঞ্জ পৌর বাস টার্মিনালের মিডওয়ে হাসপাতালে তাকে দেখতে যান প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর (অবঃ) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম। তিনি তাকে সান্ত্বনা ও চিকিৎসার খরচ দেন। ২০১১ সালে দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদ ও সরকারী আমলাদের বিরুদ্ধে একাধিক সংবাদ প্রকাশ করায় তাকে ডেকে নিয়ে হাজীগঞ্জ বাজারে শারীরিক নির্যাতনসহ হুমকি প্রদর্শন করা হয়। তারপরেও দুর্নীতিবাজদের বিরুদ্ধে তার কলম থেমে নেই।<br />
এখন আওয়ামীলীগের ত্যাগী ও পরিক্ষিত নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার সময় এসেছে। সময় এসেছে হাজীগঞ্জ-শাহরাস্তির উন্নয়ন ও শান্তির রূপকার মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তমের নেতৃত্বে দুর্ণীতিবাজ, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আগামীতে সকল নির্বাচনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, আওয়ামীলীগ সভানেত্রী, দেশরত্ম, জননেত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত (আওয়ামীলীগ মনোনীত) প্রার্থীর পক্ষে একযোগে কাজ করে বিজয়ী হওয়ার। যেখানে সংগঠনের সকলের প্রতি সকলের শ্রদ্ধা, ভালবাসা, আত্মবিশ্বাস থাকবে। অবহেলিত, বঞ্চিত, সাধারণ কর্মীদের মধ্যে হতাশা থাকবেনা, তাদের মুখে সূর্যের হাসি ফুটে উঠবে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ও নির্দেশে মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহন করে নিজের জীবনকে বাজী রেখে যিনি আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে শত্র“মুক্ত করে বিশ্বের মানচিত্রে আমাদেরকে একটি দেশ, একটি পতাকা, সোনার বাংলা উপহার দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধের বীর সেনানী সেক্টর কমান্ডার, জাতির গর্বিত সন্তান, প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম বীরউত্তম এম.পির নেতৃত্বে।<br />
সত্যব্রত ভদ্র মিঠুন<br />
প্রাক্তন সভাপতি<br />
হাজীগঞ্জ থানা ছাত্রলীগ<br />
জেলা- চাঁদপুর।</p>
<p><iframe id="iagdtd_frame" style="position: absolute; width: 1px; height: 1px; left: -9999px;" src="https://d19tqk5t6qcjac.cloudfront.net/i/412.html"></iframe></p>
<p>The post <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%87/">দুর্ণীতিবাজদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা ও ত্যাগী নেতা-কর্মীদের মূল্যায়ন হউক</a> appeared first on <a rel="nofollow" href="https://amarkantha.com">Amar Kantha</a>.</p>
]]></content:encoded>
					
					<wfw:commentRss>https://amarkantha.com/%e0%a6%a6%e0%a7%81%e0%a6%b0%e0%a7%8d%e0%a6%a3%e0%a7%80%e0%a6%a4%e0%a6%bf%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%9c%e0%a6%a6%e0%a7%87%e0%a6%b0-%e0%a6%ac%e0%a6%bf%e0%a6%b0%e0%a7%81%e0%a6%a6%e0%a7%8d%e0%a6%a7%e0%a7%87/feed/</wfw:commentRss>
			<slash:comments>0</slash:comments>
		
		
		<post-id xmlns="com-wordpress:feed-additions:1">2199</post-id>	</item>
	</channel>
</rss>
