#তাঁরা ঘরে বসে নেই। তাঁরা ফেরিওয়ালা। মানুষের কাছেই ছুটছেন এখন। কেউ ছুটছেন গ্রামে থেকে গ্রামে, কেউ যাচ্ছেন পাড়া-মহল্লায়, কেউ থাকছে ঠাঁই দাঁড়িয়ে প্রখর রোদে, কেউবা ছুটে চলছেন মানুষের দোরগোড়ায়, আবার অন্যজন হ্যান্ড মাইকিং করে করে দিচ্ছেন সচেতনতার বার্তা।
আবার অনেকে করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে জনগণকে সজাগ ও সচেতন করতে সড়ক, মোড়ে মোড়ে, অলিগলি পথঘাট ঘুরে ঘুরে প্রচার চালাচ্ছে। জনসচেতনতার তাগিদ দেওয়া কথাগুলো চমৎকার বুদ্ধিতে তুলে ধরছেন। মানুষের তা নজর কাড়ছে বেশ।
করোনার বৈশ্বিক মহামারী দুর্যোগ যখন বাংলাদেশকেও তাড়া করছে ঠিক তখনই মানবিক সেবা সাহায্যে আশার ফেরিওয়ালা যেন হাজীগঞ্জের এই ৭ কর্মকর্তা। তাঁরা কেউ পুলিশ, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সাংবাদিক। তারাই দেখিয়ে চলেছে, ঘোর অন্ধকারের বিপরীতে আশার আলো।
এ যেন অন্যরকম যুদ্ধ। কবির ভাষায়- এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাবার তার শ্রেষ্ঠ সময়!
শুধুই ঘরে বসে থাকা? না। দেশের মানুষ যতটা না করোনাভাইরাস নিয়ে আতঙ্কিত তার চেয়ে বেশি অভাব জনসচেতনতার।
তাঁরা জানান, এই মুহূর্তে পরিবার-পরিজনের ঝুঁকি ঠেকাতে করণীয়গুলো আমরা মানুষের চোখে আঙুল দিয়েই বুঝিয়ে দিচ্ছি। সাড়াও পাচ্ছি। যেমন- মানুষকে বলছি সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিন। দরকার হলে বারেবারে করুন। পরিবারের সদস্যদের এ ব্যাপারে উৎসাহ দিন। সামাজিক দুরত্ব বজায় রাখুন। প্রয়োজন ছাড়া বাড়িতেই থাকুন।
তাঁদের মাঝে নেই কোন ভেদাভেদ। একটাই প্রত্যয় যেন ভালো থাকুক, সুস্থ থাকুক প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশের জনগণ। করোনায় আর নয় আরেকটিও করুণ মৃত্যু।
আজ,
শুক্রবার , ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ , ১৬ ফাল্গুন, ১৪৩১ বঙ্গাব্দরাত ৩:২৯
নোটিশ বোর্ড
সর্বশেষ
প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।